খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

যশোর হাসপাতালে বৃদ্ধার চেইন কাটার সময় নারী আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যশোর হাসপাতালে বৃদ্ধার চেইন কাটার সময় নারী আটক

 যোগফল প্রতিবেদক:

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক বৃদ্ধার গলার স্বর্ণের চেইন কাটার সময় শাহানা (২৬) নামে এক নারীকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয়রা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক শাহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মাহমুদ আলীর স্ত্রী। ভুক্তভোগী শাহানারা (৬৫) যশোর সদর উপজেলার বড় মেঘলা এলাকার মোজাম্মেল হোসেনের স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাসেবা নিতে সিসিইউর নিচতলায় অবস্থান করছিলেন শাহানারা। এ সময় পেছন থেকে তাঁর ওড়নার ভেতর হাত ঢুকিয়ে গলার স্বর্ণের চেইন কাটার চেষ্টা করেন শাহানা। ধারালো কাটার দিয়ে চেইন কাটার বিষয়টি টের পেয়ে শাহানারা ও আশপাশের লোকজন তাকে ধরে ফেলেন।

পরে আটক নারীর কাছ থেকে প্রায় আট আনা ওজনের কেটে ফেলা স্বর্ণের চেইন এবং চেইন কাটতে ব্যবহৃত ধারালো কাটার উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা শাহানাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রংপুরে চার খুন: এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, বাকি অলংকারের হদিস নেই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রংপুরে চার খুন: এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, বাকি অলংকারের হদিস নেই

 যোগফল প্রতিবেদক:

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকারের বড় অংশ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস প্রায় ছয় থেকে সাত ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যান। তবে উদ্ধার হওয়া ১ ভরি ৫ আনা ছাড়া বাকি স্বর্ণের কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

মামলাটি তদারককারী রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আসামিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটি খুঁড়ে ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণের অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে পরিবর্তন

চার হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়েছে। প্রথম দিকে বলা হয়েছিল, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলেকেও হত্যা করা হয়।

পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ডাকাতির বিষয়টিও সামনে আনা হয়। তখন বলা হয়েছিল, হত্যার পর ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

তবে বর্তমানে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিবি বলছে, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। বরং টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে চারজনকে হত্যা করা হয়েছে।

ডিবির কর্মকর্তারা জানান, দুই আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি, জিজ্ঞাসাবাদ এবং জেলগেটে তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে চুরির উদ্দেশ্যের বিষয়টি সামনে এসেছে।

বাড়িতে ৫০-৬০ লাখ টাকা থাকার তথ্য

পুলিশ জানায়, এলাকায় প্রচার ছিল—রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেওয়ার পর গণপতি চক্রবর্তী ব্যাংক থেকে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা তুলে বাড়িতে রেখেছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই আসামিরা চুরির পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে তদন্তে এখন পর্যন্ত ওই টাকার কোনো সন্ধান মেলেনি। বরং ডিবির দাবি, হত্যাকাণ্ডের আগে গণপতি চক্রবর্তী ব্যাংক থেকে কোনো টাকা তোলেননি।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, গণপতি চক্রবর্তীর তিন-চারটি ব্যাংক হিসাব যাচাই করে দেখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের আগে সেসব হিসাব থেকে কোনো টাকা তোলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাড়িতে প্রবেশ

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ প্রথমে গণপতিদের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর পাশের নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উঠে বাড়িটির ছাদে প্রবেশ করেন।

ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান, দ্বিতীয় তলায় আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাঁদের দুই সন্তান।

ভোররাতে শব্দ পেয়ে গণপতি ছাদে গেলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠলে তাঁদেরও হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় তলায় ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রৃতিকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, চারজনকে হত্যার পরও কিছু সময় বাড়িতে অবস্থান করেন দুই আসামি। তাঁরা গোসল করেন, খাবার খান এবং তিনটি আলমারি খুলে বিভিন্ন কক্ষের জিনিসপত্র তছনছ করেন। পরে প্রায় ১৫ হাজার টাকা ও ছয় থেকে সাত ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান।

ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ

ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনো পুলিশের হাতে পৌঁছায়নি।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তবে তাঁদের জবানবন্দি এবং বিভিন্ন সময়ে পুলিশের দেওয়া বক্তব্যে কিছু অসামঞ্জস্য রয়েছে।

গত ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সমবায়ের আড়ালে অনিয়মের অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সমবায়ের আড়ালে অনিয়মের অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

যোগফল প্রতিবেদক:

লালমনিরহাটে ‘তিস্তা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে অবৈধ ঋণ ব্যবসা, চড়া সুদে কিস্তি আদায় ও গ্রাহকদের নিম্নমানের পণ্য দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন সমবায় সমিতিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ হাশেম ওরফে বাবুল। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলায় দৈনিক কালবেলার লালমনিরহাট প্রতিনিধি এসকে সাহেদ এবং নয়া দিগন্তের ডিজিটাল প্রতিনিধি মো. জুবাইর আহমেদ খানকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার শিকার সাংবাদিকদের সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল দৈনিক কালবেলায় ‘গ্রাহকের ১২ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই সমিতি’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে তিস্তা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি ও তিস্তা ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের আমানতের অর্থ আটকে রাখা, ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সুদে টাকা লেনদেন এবং সঞ্চয়ের টাকার বিপরীতে নিম্নমানের পণ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের বক্তব্য এবং তাদের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়ও তুলে ধরা হয়। একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপর গত ২ জুলাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করেন এম এ হাশেম। মামলায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য সিআইডি লালমনিরহাটকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

কালবেলার জেলা প্রতিনিধি এসকে সাহেদ বলেন, সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা কারও বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ করিনি। সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা নিয়ে কী ঘটছে, সেটিই তুলে ধরেছি। অনিয়ম আড়াল করতে এবং সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতেই এই মামলা করা হয়েছে।’

এদিকে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটের সাংবাদিক সমাজ।

লালমনিরহাট প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন স্বপন বলেন, তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সংবাদটি খণ্ডন করতে পারেন। কিন্তু সরাসরি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ সৃষ্টি করার শামিল। তিনি মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সাংবাদিক নেতা শরিফুল ইসলাম রতন বলেন, অনিয়মের অভিযোগ আড়াল করতেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক মামলা করা হয়েছে। তারা সিআইডির নিরপেক্ষ তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে এম এ হাশেম ওরফে বাবুলের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন সিআইডি লালমনিরহাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অভিযোগ, সমবায় সমিতির আড়ালে কোটি কোটি টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের মামলায় জড়ানো হচ্ছে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৩৬ হাজার ফুট ওপরে ইঞ্জিন বন্ধ, কোচিনে ফিরল বিমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৬ হাজার ফুট ওপরে ইঞ্জিন বন্ধ, কোচিনে ফিরল বিমান

 যোগফল প্রতিবেদক:

ভারতের কোচিন থেকে আবুধাবিগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমানের একটি ইঞ্জিনে হঠাৎ তেলের পরিমাণ কমে যাওয়ায় সেটি বন্ধ করে ফিরে আসতে হয়েছে। পরে বিমানটি নিরাপদে কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঘটনাটি ঘটে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমানে। বিমানটি কোচিন থেকে আবুধাবির উদ্দেশে উড্ডয়নের প্রায় ৫০ মিনিট পর ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। এ সময় পাইলট ও সহকারী পাইলট লক্ষ্য করেন, বিমানের এক নম্বর ইঞ্জিনে দ্রুত তেলের পরিমাণ কমছে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ইঞ্জিনটির তেলের চাপও ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক্রুরা ওই ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে আবুধাবির পথে না এগিয়ে কোচিনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে বিমানটি গতিপথ পরিবর্তন করে কোচিনের দিকে ফিরে আসে এবং নিরাপদে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তবে ওই সময় বিমানে কতজন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে কয়েক দিনের ব্যবধানে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আরেকটি বিমানে বোমাতঙ্কের ঘটনাও ঘটে। দাম্মাম থেকে নয়াদিল্লিগামী ওই বিমানের শৌচাগারে এক কেবিনকর্মী টিস্যু কাগজে ‘বোম’ লেখা দেখতে পান। বিষয়টি পাইলটকে জানানো হলে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

বিমান অবতরণের পর নিরাপত্তাকর্মী ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল তল্লাশি চালায়। বিমানে থাকা ৩২ যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে টার্মিনাল-২-এ নেওয়া হয়। পরে বিমানের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়েও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে বিমানটিকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। ওই ঘটনায়ও কেউ আহত হননি।

অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের দুটি বিমানে এমন ঘটনা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম