খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

রংপুরে চার খুন: এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, বাকি অলংকারের হদিস নেই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রংপুরে চার খুন: এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, বাকি অলংকারের হদিস নেই

 যোগফল প্রতিবেদক:

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকারের বড় অংশ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস প্রায় ছয় থেকে সাত ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যান। তবে উদ্ধার হওয়া ১ ভরি ৫ আনা ছাড়া বাকি স্বর্ণের কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

মামলাটি তদারককারী রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আসামিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটি খুঁড়ে ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণের অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে পরিবর্তন

চার হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়েছে। প্রথম দিকে বলা হয়েছিল, ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলেকেও হত্যা করা হয়।

পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ডাকাতির বিষয়টিও সামনে আনা হয়। তখন বলা হয়েছিল, হত্যার পর ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

তবে বর্তমানে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিবি বলছে, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। বরং টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে চারজনকে হত্যা করা হয়েছে।

ডিবির কর্মকর্তারা জানান, দুই আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি, জিজ্ঞাসাবাদ এবং জেলগেটে তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে চুরির উদ্দেশ্যের বিষয়টি সামনে এসেছে।

বাড়িতে ৫০-৬০ লাখ টাকা থাকার তথ্য

পুলিশ জানায়, এলাকায় প্রচার ছিল—রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক হিসেবে অবসর নেওয়ার পর গণপতি চক্রবর্তী ব্যাংক থেকে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা তুলে বাড়িতে রেখেছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই আসামিরা চুরির পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে তদন্তে এখন পর্যন্ত ওই টাকার কোনো সন্ধান মেলেনি। বরং ডিবির দাবি, হত্যাকাণ্ডের আগে গণপতি চক্রবর্তী ব্যাংক থেকে কোনো টাকা তোলেননি।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, গণপতি চক্রবর্তীর তিন-চারটি ব্যাংক হিসাব যাচাই করে দেখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের আগে সেসব হিসাব থেকে কোনো টাকা তোলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাড়িতে প্রবেশ

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ প্রথমে গণপতিদের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর পাশের নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উঠে বাড়িটির ছাদে প্রবেশ করেন।

ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী জানান, দ্বিতীয় তলায় আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাঁদের দুই সন্তান।

ভোররাতে শব্দ পেয়ে গণপতি ছাদে গেলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠলে তাঁদেরও হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় তলায় ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রৃতিকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, চারজনকে হত্যার পরও কিছু সময় বাড়িতে অবস্থান করেন দুই আসামি। তাঁরা গোসল করেন, খাবার খান এবং তিনটি আলমারি খুলে বিভিন্ন কক্ষের জিনিসপত্র তছনছ করেন। পরে প্রায় ১৫ হাজার টাকা ও ছয় থেকে সাত ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান।

ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ

ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন এখনো পুলিশের হাতে পৌঁছায়নি।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তবে তাঁদের জবানবন্দি এবং বিভিন্ন সময়ে পুলিশের দেওয়া বক্তব্যে কিছু অসামঞ্জস্য রয়েছে।

গত ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাপানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাপানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক

 যোগফল প্রতিবেদক:

রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক সহায়তা নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপানের The Nippon Foundation ও Sasakawa Peace Foundation (SPF)-এর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন The Nippon Foundation-এর চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

বৈঠকে কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি, চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংকট নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বলা হয়, বৈদেশিক মানবিক সহায়তা ও অর্থায়ন কমে যাওয়ায় রোহিঙ্গাদের খাদ্য, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, পানি ও স্যানিটেশন, সুরক্ষা, আশ্রয়সহ জরুরি মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের মৌলিক মানবিক প্রয়োজন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের পর্যাপ্ত, অব্যাহত ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও ভাসানচরে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালু রাখতে The Nippon Foundation ও Sasakawa Peace Foundation-এর সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য জাপানের প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য চলমান কার্যক্রমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বিত ও কার্যকর অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বৈঠকে উঠে আসে।

বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। জাপানের প্রতিনিধি দলের মধ্যে Sasakawa Peace Foundation-এর Center for Mediation Support-এর পরিচালক আকিকো হোরিবা এবং The Nippon Foundation-এর সেক্রেটারি টু দ্য অনারারি চেয়ার ও জেনারেল ম্যানেজার শোতা নাকায়াসুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

 যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উপদেষ্টাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

অন্যদিকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশের ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর বিষয়ে অনুরোধ জানিয়ে হাইকমিশনার দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্ব দেন।

পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে দুই দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কয়রায় পুকুরে ডুবে ১৮ মাসের শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কয়রায় পুকুরে ডুবে ১৮ মাসের শিশুর মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

খুলনার কয়রা উপজেলায় বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে জান্নাতি নামে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বতুল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জান্নাতি বতুল বাজার গ্রামের বাসিন্দা মুকুল সানার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির উঠানে খেলছিল জান্নাতি। একপর্যায়ে সে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। কিছু সময় পর শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরে পুকুরে খোঁজ করে পানির নিচ থেকে জান্নাতিকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও এর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।

উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম শিশুটির পানিতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় বতুল বাজার ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম