খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

বাউবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ Mess Night অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ Mess Night অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন ।। অনলাইন ডেস্ক 
 
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স হলের লেকচার গ্যালারিতে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষকদের কর্মজীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও আনন্দঘন আয়োজন শিক্ষকসমাজের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রয়োগের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সবাইকে অবদান রাখতে হবে।”

অনুষ্ঠানে ৫ম ও ৬ষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের Course Director এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ জাকির হোসেন তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, পরিবেশনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ মেলবন্ধনে অনুষ্ঠানটি এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের 


পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের ৫ম ও ৬ষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ ও আনন্দঘন Mess Night অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাঁশখালীতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ৫ বনরক্ষীসহ আহত ৬

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ সদস্য ও পুলিশের এক সদস্য। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে বাঁশখালী ইকোপার্কের জঙ্গল শীলকূপ মৌজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করলাশিয়া নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট তোফাজ্জল হোসেন (৪৫), জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট অঞ্জন দে (৩৫), সুভাষ চন্দ্র লস্কর (৪২), পাহারাদার দেলোয়ার হোসেন (৪৫), শামসুল আলম (৪৫) এবং পুলিশের এক সদস্য। আহতদের উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী ইকোপার্ক সংলগ্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমি দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন বিভাগ ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে যায়। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে বন বিভাগের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।

বাঁশখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, দুপুরের দিকে বন বিভাগের আহত চার সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাইফিল হক বলেন, বন বিভাগের জায়গা দখল করে বসতঘর নির্মাণের খবর পেয়ে সকালে সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় স্থানীয় লেয়াকত আলী ও কালুর নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আত্মরক্ষার্থে শর্টগান থেকে দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামায় মামলা, বাদীর ৭ দিনের কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাল জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে মোছা. নুরহাত জাহান লিজা নামে এক নারীকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নুরহাত জাহান লিজার দায়ের করা একটি মামলায় আসামি মো. তৌফিক হাসানসহ তিনজনের জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় উভয়পক্ষের দাখিল করা নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত। এ সময় বাদীর দাখিল করা জন্মসনদ এবং তৌফিক হাসানের সঙ্গে বিয়ের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত কাবিননামায় একাধিক অসংগতি পাওয়া যায়।

আদালতের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কাবিননামায় কাজির স্বাক্ষর ছিল না। এ ছাড়া ১৫ নম্বর কলামে দেনমোহরের পরিমাণ অঙ্কে ২০ হাজার টাকা লেখা থাকলেও কথায় লেখা ছিল দুই হাজার টাকা। এসব অসংগতির কারণে কাবিননামাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

পরে নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রতারণার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি খারিজ করেন আদালত। একই সঙ্গে আসামি মো. তৌফিক হাসান (২১), মো. আনোয়ার হোসেন (৫০) ও মোছা. টপি বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলায় জাল ও ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র দাখিলের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নবীন আইনজীবী মো. আব্দুর রশিদকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িত না হওয়ার শর্তে তাঁর বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে।

অন্যদিকে, মিথ্যা জন্মসনদ ও ত্রুটিপূর্ণ কাবিননামা দাখিল করে মামলা করার অভিযোগে বাদী নুরহাত জাহান লিজাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে তাঁকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মানিক বলেন, এ ধরনের ভুয়া মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অনেক নজির রয়েছে। যারা প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য, মেয়েটির সঙ্গে ছেলেটির ধর্মীয়ভাবে বিয়ে হলেও আইনগতভাবে তা সম্পন্ন হয়নি। পরে নকল কাবিননামা তৈরি করে মামলা করা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অন্যকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ মামলায় আদালত ন্যায়বিচার করেছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু মোকারমকে (৪৪) দুই বছর পর গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল (সর্দার বাড়ি) এলাকার আবু তালেবের ছেলে।

এসআরবি-১১ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি শাশুড়িকে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় আবু মোকারম ছিলেন প্রধান আসামি।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৩ সালের ১৯ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

এসআরবি জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরদিন ৬ আগস্ট সকালে কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে বন্দিরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা মই দিয়ে কারাগারের উঁচু সীমানাপ্রাচীর টপকে অনেক বন্দি পালিয়ে যান। তাঁদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবু মোকারমও পালিয়ে যান।

পালানোর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তিনি দীর্ঘ দুই বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-১১-এর একটি আভিযানিক দল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম