খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

নওগাঁয় পিকআপে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কৃষকদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩, উদ্ধার ৯ লাখ টাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নওগাঁয় পিকআপে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কৃষকদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩, উদ্ধার ৯ লাখ টাকা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নওগাঁর মহাদেবপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ীর পিকআপে ছিনতাইয়ের ঘটনায় রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় কৃষকদল নেতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া ৯ লাখ ৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পিকআপচালক নিজেও জড়িত ছিলেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে নওগাঁ-মহাদেবপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মহাদেবপুর উপজেলার চৌদ্দমাইল ব্রিজ এলাকায় এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও ঈশ্বরলক্ষীপুর গ্রামের মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে রবিন (২৫), রামচরনপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মুন্না (২৪) এবং ডিমজাউন গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে পিকআপচালক সোহেল রানা (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রাঘববাড়িয়া গ্রামের আব্দুল বারি মণ্ডলের ছেলে আব্দুল আলিম (৩৪) মহাদেবপুরে নাসির মাস্টারের দোকান ভাড়া নিয়ে ভাঙারির ব্যবসা করেন। মঙ্গলবার তাঁর দোকানের ম্যানেজার ও চাচাতো ভাই মজনু মিয়া (৩৫) এবং পিকআপচালক সোহেল রানা বগুড়া থেকে ভাঙারি বিক্রির ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা নিয়ে মহাদেবপুরে ফিরছিলেন।

পথে চৌদ্দমাইল ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পিকআপটি বিকল হয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা ছিনতাইকারীরা চালক সোহেলকে হালকা মারধর এবং ম্যানেজার মজনু মিয়াকে ব্যাপক মারধর করে। পরে তাঁদের কাছ থেকে ভাঙারি বিক্রির নগদ ৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মজনু মিয়াকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে মহাদেবপুর থানা পুলিশ ও নওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে থানা পুলিশ ও ডিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল রাতভর অভিযান চালায়।

প্রযুক্তি ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রথমে মুন্নাকে তাঁর গ্রামের বাড়ি রামচন্দ্রপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রবিনকে তাঁর ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাড়ি থেকে আরও ৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নিবন্ধনবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পরে রবিন ও মুন্নার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচয় দেওয়া পিকআপচালক সোহেল রানাকে নওগাঁ সদর হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন চালক সোহেল রানা ও মুন্না। আর ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন রবিন। তাঁরা তিনজনই গত এক সপ্তাহ ধরে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করছিলেন।

তিনি আরও বলেন, নওগাঁ জেলা পুলিশ সড়কে ছিনতাই ও ডাকাতিসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ আইন অনুযায়ী কঠোর হাতে দমন করবে।

এদিকে মহাদেবপুর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, উপজেলা কৃষক দলের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রবিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশানারা পারভীন, সমবায় কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কুতুব উদ্দীন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী অধ্যাপক মো. মোমিন সানা, পৌর জামাতের সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, সেলিনা পারভীন, বিজন বিশ্বাস ও খলিলুর রহমান, এসএম আমিনুল ইসলাম লিটু এবং জামিলুর রহমান রানা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি খেলাধুলা একটি সুস্থ, সুন্দর ও মননশীল জাতি গঠনে সহায়ক। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ গ্রামীণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা পরিষদের খেলার মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৪৪জন মাদককারবারী গ্রেফতার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৪৪জন মাদককারবারী গ্রেফতার

ছবি যোগফল

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে থানা পুলিশ। গত অক্টোবর মাসে বিভিন্ন অভিযানে ৪৪ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩৫২ পিস ইয়াবা, ৫১১ গ্রাম গাঁজা, আড়াই লিটার বাংলা চোলাই মদ ও চার পিস মাদকদ্রব্যযুক্ত সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি নিয়মিত মামলা, ১৮টি সামারি ট্রায়াল মামলা ও সাতটি নন-এফআইআর প্রসিকিউশন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানা সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর মাসজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২০ জনকে নিয়মিত মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৮টি সামারি ট্রায়াল মামলায় আরও ২৪ জনকে আটক ও বিভিন্ন পরিমাণের মাদক উদ্ধার করা হয় এবং তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এসব মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। একই সময়ে সাতটি নন-এফআইআর প্রসিকিউশন মামলায় আরও ২০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়। এসব মামলায় তাঁদের সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে। অপহরণ, চুরি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযান। মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি অক্টোবর মাসে অপহরণ, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায়ও একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা যায়, অক্টোবর মাসে পাইকগাছা থানায় ছয়টি অপহরণ মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছিনতাই হওয়া একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা থেকে সংবদ্ধ চোর চক্রের চুরি করা ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চক্রের দুজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় মূল হোতাকেও গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দুই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৭০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলায় মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অপহৃত দুই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সংবদ্ধ চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার, চোরাই ভ্যান উদ্ধার এবং ভ্যানটি ক্রয়কারীকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থানা পুলিশ। এসব ঘটনায় আরো ১৫ জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয় হাজার পাঁচ জাল টাকা উদ্ধার পূর্বক প্রতারককে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল করিম ও জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় পাইকগাছা থানা পুলিশ জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, চুরি, চাঁদাবাজি, জুয়াড়ি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানা পুলিশের এধরণের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।

‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তরুণ উদ্যোক্তাদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। এ পরিস্থিতিতে সরকারের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় ঋণ দেওয়ার নামে কাউকে টাকা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে ‘উদ্যোগ’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে, উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর আওতায় ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিছু ব্যক্তি বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘উদ্যোগ’ নামে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজ বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট নেই। এ নামে ভুয়া পেজ বা অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালানো হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে অর্থায়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি-উদ্যোগ (UDYOG)’।

এ কর্মসূচির আওতায় তরুণ উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন পাবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ এবং সমপরিমাণ অর্থ এককালীন অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একই সঙ্গে বিতরণ করা হবে।

দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ কর্মসূচির অর্থায়নসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রথম পর্যায়ে আট জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। পরে গত ১ নভেম্বর থেকে অবশিষ্ট ৫৬ জেলার উদ্যোক্তাদের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম