খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

প্রবাসে আনিসুরের মৃত্যু, মরদেহের অপেক্ষায় দুই সন্তান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবাসে আনিসুরের মৃত্যু, মরদেহের অপেক্ষায় দুই সন্তান

ছবি প্রবাসী আনিসুর

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

তাইওয়ানে মারা গেছেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের মো. আনিসুর রহমান(৫২)। নিউ তাইপেই সিটির একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে তাঁর মরদেহ। 

অন্যদিকে, দেশে বাবার মরদেহের অপেক্ষায় দিন কাটছে দুই সন্তানের। স্বামীকে শেষ বারের মতো দেখতে চান স্ত্রী শিলা আক্তার ও। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আনিসুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে পারছে না পরিবার। এ অবস্থায় সরকারের জরুরি সহযোগিতা চেয়েছেন স্বজনেরা।

নিহত আনিসুরের ভাই আজিজুর রহমান জানান, গত ৩১ অক্টোবর সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে আনিসুর রহমানকে নিউ তাইপেই সিটির ফু জেন ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বর্তমানে তাঁর মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

চলতি বছরের ২২ জুন জীবিকার সন্ধানে ট্যুরিস্ট ভিসায় তাইওয়ানে যান আনিসুর।সেখানে অবস্থানকালে তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন হারানোর বেদনার পাশাপাশি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

আনিসুরের স্ত্রী শিলা আক্তারের দুই সন্তানের মধ্যে মেয়ে জুম্মী রহমান এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ছেলে জারিফ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্বামীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ অনার্স 
কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতা চেয়ে সোমবার (২ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন শিলা আক্তার।

এদিকে আনিসুরের বড় ভাই নাজমুল হক, মেজ ভাই আজিজুর রহমান ও ছোট ভাই আফজাল ও সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাঁরা বলেন, নিজেদের উদ্যোগে বিদেশ থেকে ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাঁদের নেই। সরকারের সহযোগিতা না পেলে ভাইয়ের মুখ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হতে পারেন তাঁরা।

আবেদনে শিলা আক্তার উল্লেখ করেছেন, তাইওয়ানে অবস্থানরতঃ আনিসুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইয়াং জিয়ান-কাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁর মৃত্যু ও মরদেহ সংরক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। মরদেহ দেশে পৌঁছালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি তা গ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছেন।

মৃত আনিসুর রহমানের পাসপোর্ট নম্বর বি০০৩৭৩৩৪৭। তাঁর বাবার নাম আবুল বাসার মুন্সী এবং মায়ের নাম ফিরোজা বেগম।

প্রিয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পেতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দ্রুত ও মানবিক সহযোগিতা কামনা করেছেন শোকাহত স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনেরা।

শিবগঞ্জে বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা নবজাতক উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবগঞ্জে বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা নবজাতক উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আমবাগানের বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। লুঙ্গিতে মোড়ানো শিশুটিকে উদ্ধারের সময় কান্না করছিল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার জালমাছমারী মিয়াপাড়া গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোলাপ হোসেনসহ কয়েকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, সকালে গ্রামের রাস্তার পাশে খেলছিল হামিদুল (৫) ও নাফিউল (৩) নামে দুই শিশু। এ সময় তারা আমবাগানের বালুর স্তূপের নিচ থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পায়। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা বালু সরিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো নবজাতকটিকে উদ্ধার করেন।

ওসি আরও জানান, কে বা কারা নবজাতকটিকে সেখানে ফেলে গেছে, তা জানতে অনুসন্ধান চলছে। এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করা হচ্ছে। আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন।

বর্তমানে নবজাতকটি শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাকে নিয়ে তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন লিজা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূ। গত ১ নভেম্বর সকাল থেকে মা ও মেয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে সখীপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। লিজা উপজেলার কালিয়ানপাড়া গ্রামের আল-আমিনের স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার সময় লিজা স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে গেছেন। লিখিত অভিযোগে লিজার শাশুড়ি সাজেদা আক্তার উল্লেখ করেন, ৩১ অক্টোবর রাতে পরিবারের সবাই খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে নাতনিকে নিতে ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে ঘরে লিজা ও তার শিশুকন্যাকে পাওয়া যায়নি।

লিজার স্বামী আল-আমিন বলেন, তিনি পেশায় গাড়িচালক। গাড়ি চালানোর কারণে বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। ঘটনার দিন রাতেও তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পেতে চান তিনি।

অন্যদিকে লিজার বাবা লেবু মিয়া অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করতেন। নিখোঁজ হওয়ার আগের দিনও তার স্বামী তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। লেবু মিয়া বলেন, তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মেয়ে ও নাতনির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূ ও তার শিশুসন্তান নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয়ে মিলল কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয়ে মিলল কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয় থেকে আদনান আলতাফ নামে এক কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কাবিলা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জলাশয়টি ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে অবস্থিত।

নিহত আদনান আলতাফ কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার সুপুর এলাকার বাসিন্দা।

ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম বলেন, আদনান কিছুটা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এ কারণে তার মাকে সঙ্গে রেখে ক্যাম্পাসে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিহতের মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে আদনান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে একটি হোটেলে যান। সেখান থেকে রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে তিনি নিখোঁজ হন।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, আদনান নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। পরে বুধবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে জলাশয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম