খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩

‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন’: জামায়াত আমির

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন’: জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন।’

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। ইশরাকের পদত্যাগের বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্তের অংশ কি না, এমন প্রসঙ্গে প্রথমে তিনি বলেন, এটি তাদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ওই মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের অস্ত্র হাতে নেওয়ার বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ইশরাকের যা করা দরকার ছিল, তিনি তা করেছেন। ওই অভিযানে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

তবে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ইশরাকের কাজকে সরাসরি নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই। কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র বহন করলে কিংবা কাউকে অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্য করলে, তাঁর উদ্দেশ্য ভালো হলেও অন্যরা সেটিকে খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দৃষ্টান্ত হিসেবে নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোনো কাজের উদ্দেশ্য ভালো হলেই সব ক্ষেত্রে সেই কাজের পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। এ ধরনের বিষয় নাগরিক আচরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মাদক নির্মূলে দলের অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস হয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং মাদক নির্মূল করা। এ জন্য আইন প্রণয়নের পাশাপাশি মাদকের বিস্তার রোধে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জামায়াতের সম্মেলনে নানা বক্তব্য

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে নগরের খুলশী থানার জিইসি কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে প্রাক্তন সাথী ও সদস্য সম্মেলন-২০২৬ শুরু হয়। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান।

সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা, কক্সবাজার ও রাঙামাটি জেলার জামায়াত এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের আনুমানিক দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর সাথী-সদস্যদের আমৃত্যু সংগঠনের কর্মী হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনের সূচনা হলেও তা এখনো যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মাত্রায় জুলুম-নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। অপবাদ দিয়ে দলটির শীর্ষস্থানীয় ১২ জন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ফ্যাসিবাদী আমলে অসংখ্য নারী-পুরুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।

গত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতেও একই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে।

জান্নাতের টিকিট বিক্রির অভিযোগ নাকচ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেন।

ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য জুলাইয়ে রক্ত দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ লুটতরাজ, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। ভবিষ্যতে প্রতিটি অপরাধের হিসাব দিতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, একটি আদর্শিক সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সবাইকে সংঘবদ্ধ জীবনযাপন করতে হবে। যতক্ষণ নিঃশ্বাস থাকবে, ততক্ষণ ইসলামী আন্দোলনের পথে অবিচল থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ও মুহাম্মদ শাহজাহান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

এ ছাড়া জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সাবেক চাকসু ভিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদসহ সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

সম্মেলন শেষে দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নগরের চকবাজার এলাকার হোটেল পেনিনসুলায় যান জামায়াত আমির। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে চাকসু নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে তাঁর ঢাকার উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছাড়ার কথা ছিল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বেলকুচিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সম্মাননা ও কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সম্মাননা ও কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন ভাতুরিয়া দক্ষিণ মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান, নবগঠিত স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবগঠিত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর ডিগ্রি কলেজ এর সভাপতি ও বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ বনি আমিন। 

 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শেখ ফরিদ উদ্দিন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম, ভাতুড়িয়া দক্ষিণ মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শামীম হোসেন, অত্র বিদ্যালয়ের সহসভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া, মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ আবু হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক এবং শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ ও পরিচিতি পর্ব সম্পন্ন হয়। এরপর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাই হলো একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনের মূল ভিত্তি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও তাদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করতেই এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। 

বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং ঝরে পড়া রোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও নবগঠিত কমিটির সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

পাইকগাছায় স্কুল ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় স্কুল ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনতলাবিশিষ্ট স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের লক্ষ্যে মাটির পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পের আওতায় শিববাটি মন্দির ও শিববাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তাবিত এ স্থাপনার নির্মাণকাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সয়েল টেস্ট করা হয়।

প্রস্তাবিত স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মিত হলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা হবে।

উপকূলীয় জনপদে দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

পাইকগাছায় নবনির্মিত সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ, সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নবনির্মিত সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ, সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

কথায় আছে, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। তেমনি একটি সড়ক নির্মাণের চেয়ে সেটির স্থায়িত্ব রক্ষা করাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি এর দুই পাশে গাছ লাগানো এবং চারাগুলো সুরক্ষায় বেড়া দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত দেখা গেছে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুধু চারা রোপণ করেই দায়িত্ব শেষ করা হয়নি; সেগুলো যাতে নির্বিঘ্নে বেড়ে উঠতে পারে, সে জন্য চারপাশে চাঁচের বেড়া দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

পাইকগাছা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

জানা গেছে, পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁকড়া সমিতির কার্যালয় থেকে পুরাতন খাদ্যগুদাম পর্যন্ত প্রায় ৭১০ মিটার দীর্ঘ বিসি (বিটুমিনাস কার্পেটিং) সড়কটি ছয় মাস আগে নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সড়কটির দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি সেগুলো রক্ষায় বেড়া দেওয়া হয়েছে।

সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে সড়কটির দুই পাশ সবুজে সুশোভিত হয়ে উঠবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন সড়কের পাশে গাছ লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া সোলাদানার দুটি এবং গড়ইখালীর একটি সড়কের পাশেও একইভাবে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।