খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

পিন্টুর কারাগারে মৃত্যু: তিন কারা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পিবিআই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পিন্টুর কারাগারে মৃত্যু: তিন কারা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পিবিআই

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুর কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার তদন্তে তিন কারা কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজশাহীতে পিবিআইয়ের কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালীন ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ, সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম এবং মামলার সাক্ষী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন।

২০১৫ সালের ৩ মে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যান বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও দলটির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু। পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন।

পিন্টুর মৃত্যুর প্রায় ১০ বছর পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে হত্যা মামলা করেন তার ছোট ভাই নাসিমউদ্দিন রিন্টু। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৭ জনকে আসামি করা হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, হাজি সেলিম, ইরফান সেলিম, তৎকালীন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালীন সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম খান এবং জেলার শাহাদাত হোসেন খান।

এজাহারে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০৯ সালের ৩ জুন পিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রিমান্ডে নির্যাতনের কারণে তিনি শারীরিকভাবে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা তার স্বামীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। আদালত নিজ খরচে পিন্টুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আই হসপিটালে নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে তাকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ এবং পরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১৫ সালের ২ মে আদালতের চিঠি পেয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান চিকিৎসক রইছ উদ্দিন কারাগারে যান। তবে নিরাপত্তার অজুহাতে তাকে পিন্টুর চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর পরদিনই কারাগারে পিন্টুর মৃত্যু হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পিন্টুর মৃত্যুকে সে সময় স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। বাদীপক্ষের দাবি, চিকিৎসা না দেওয়াসহ মৃত্যুর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করা প্রয়োজন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক রানা বলেন, আদালত হত্যা মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে কারা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে। এজাহারে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম. জালাল উদ্দীন ।।পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মোড় বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে চারটি ফার্মেসিকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বোয়ালিয়া মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

অভিযানে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মেসার্স দেবী ফার্মেসি, মেসার্স ইমরান ফার্মেসি, মেসার্স রহিম ফার্মেসি ও মেসার্স রোজিনা ফার্মেসিকে মোট আঠারো হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে খুলনা ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন, ইউএনও কার্যালয়ের পেশকার তুহিন বিশ্বাসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বার্থে এবং ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকে ২৮ হাজার ৮০০ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকে ২৮ হাজার ৮০০ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মো. জালাল উদ্দীন (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিবি উত্তর বিভাগ এ তথ্য জানায়। এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নগরের বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় নাহার স্কেলের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, কক্সবাজার থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসে মাদক নিয়ে চট্টগ্রাম নগরে প্রবেশ করছেন এক কারবারি। এ তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি উত্তর বিভাগের টিম-২ ও স্পেশাল টিম-২ রাজাখালী এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বাসটি চেকপোস্টে পৌঁছালে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় জালাল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেখানো মতে বাসের মালামাল রাখার বক্সে থাকা একটি লোহার হাইড্রোলিক জ্যাকের ভেতর থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। বিশেষ কৌশলে ইয়াবাগুলো সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ কালবেলাকে বলেন, জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাকলিয়া থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে একই আইনে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার মতিঝিল থানায় এবং ২০১৭ সালের ৯ জুলাই কক্সবাজার সদর থানায় মামলা হয়েছিল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাংবাদিক রিপনকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিন্দা জামায়াতের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক রিপনকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিন্দা জামায়াতের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরে দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মহিন উদ্দিন রিপনকে অপহরণ, নির্যাতন ও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একজন সাংবাদিককে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে এ ধরনের নির্যাতন ও হুমকির শিকার হতে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিবৃতিতে সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের অভিযোগের বরাতে বলা হয়, তাকে অপহরণ করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

একই সঙ্গে সাংবাদিকের ধারণ করা কোনো আপত্তিকর ভিডিও বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনকারী উপাদান যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকেরা সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা নির্যাতন করে সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম