খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১ কার্তিক, ১৪৩৩

রমজানের আগে ভোজ্যতেল-চিনি-ছোলার আমদানি বেড়েছে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রমজানের আগে ভোজ্যতেল-চিনি-ছোলার আমদানি বেড়েছে

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা ও খেজুরের আমদানি বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ও ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রমজানে বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় ভোজ্যতেল, ডিম, ডাল, ছোলা, খেজুর ও চিনিসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ, আমদানি এবং মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি রমজানে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা, দাম স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি ও শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ৮ লাখ ২৩ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ৭ লাখ ৫ হাজার টন। অর্থাৎ এক বছরে আমদানি বেড়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার টন। এ সময়ে ভোজ্যতেলের এলসি খোলা হয়েছে ৮ লাখ ৫ হাজার টনের, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ লাখ ৩১ হাজার টন বেশি। এ ছাড়া সয়াবিন বীজ আমদানি হয়েছে ৫ লাখ ১ হাজার টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ লাখ ১৩ হাজার টন বেশি।

চিনি আমদানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চিনি আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৩৪ হাজার টন। ফলে আমদানি বেড়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার টন। এ সময়ে চিনির এলসি খোলার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ১০ হাজার টনে।

রমজানে ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ ছোলার আমদানিও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ছোলা আমদানি হয়েছে ৮২ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল মাত্র ১২ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে ৭০ হাজার টন। এ সময়ে ছোলার এলসি খোলা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার টনের।

অন্যদিকে, মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ হাজার টন বেশি। এ সময়ে মসুর ডালের এলসি খোলার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার টনে। খেজুর আমদানিও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত খেজুর আমদানি হয়েছে ১১ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪ হাজার টন।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ায় রমজানে বাড়তি চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাজারে ডিম, ব্রয়লার মুরগি ও মসুর ডালের দাম কমেছে। তবে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

সভায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা খেজুরের জাত, গুণগত মান ও দামের পার্থক্য বিবেচনায় শুল্ক কাঠামো সহজ, স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করার ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, মিসর, সৌদি আরব, ইরাক ও আলজেরিয়াসহ প্রায় এক ডজন দেশ থেকে বিভিন্ন মানের খেজুর আমদানি করা হয়। পণ্যের বৈচিত্র্যের কারণে একই মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রয়োগে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই আমদানিকারকদের জন্য সহজবোধ্য ও বাস্তবসম্মত শুল্কব্যবস্থা প্রয়োজন।

শুল্ক নির্ধারণের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হলেও কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভায় খেজুরের প্রচলিত শুল্ক সুবিধা দ্রুত কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ সুবিধা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতিমূলক কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি খেজুরের নির্দিষ্ট মূল্য ধরে শুল্কায়নের পরিবর্তে প্রকৃত গুণগত মান ও আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে কর নির্ধারণের প্রস্তাবও আলোচনায় আসে।

আমদানিকারকেরা জানান, সাধারণ মানের খেজুরের ক্ষেত্রে প্রকৃত আমদানি মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল্যায়ন না হলে শুল্ক ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এর সঙ্গে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিকল্প পরিবহনপথ ব্যবহার, বাড়তি পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয় এবং এলসি খোলার জটিলতা যুক্ত হলে বাজারে পণ্য সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে।

ফল আমদানিকারকেরাও উচ্চ করহারের বিষয়টি তুলে ধরেন। সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ফল আমদানির কর কাঠামো আরও সহনীয় করার দাবি জানান তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পর্যালোচনায় বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেল ও ছোলার দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও মসুর ডালের দাম কমেছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, ছোলা ও মসুর ডাল আমদানিতে বর্তমানে শুল্ক-কর নেই। তবে চিনি ও ফল আমদানির বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো পর্যালোচনা করে যৌক্তিক সমন্বয় করা গেলে বাজারে দাম সহনীয় রাখতে সহায়ক হতে পারে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় বাজারে তাজা ফলের দামও কিছুটা কমেছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ৪ ফার্মেসিকে জরিমানা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম. জালাল উদ্দীন ।।পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া মোড় বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে চারটি ফার্মেসিকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বোয়ালিয়া মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

অভিযানে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মেসার্স দেবী ফার্মেসি, মেসার্স ইমরান ফার্মেসি, মেসার্স রহিম ফার্মেসি ও মেসার্স রোজিনা ফার্মেসিকে মোট আঠারো হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে খুলনা ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন, ইউএনও কার্যালয়ের পেশকার তুহিন বিশ্বাসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বার্থে এবং ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকে ২৮ হাজার ৮০০ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকে ২৮ হাজার ৮০০ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মো. জালাল উদ্দীন (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিবি উত্তর বিভাগ এ তথ্য জানায়। এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নগরের বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় নাহার স্কেলের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, কক্সবাজার থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসে মাদক নিয়ে চট্টগ্রাম নগরে প্রবেশ করছেন এক কারবারি। এ তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি উত্তর বিভাগের টিম-২ ও স্পেশাল টিম-২ রাজাখালী এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বাসটি চেকপোস্টে পৌঁছালে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় জালাল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেখানো মতে বাসের মালামাল রাখার বক্সে থাকা একটি লোহার হাইড্রোলিক জ্যাকের ভেতর থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। বিশেষ কৌশলে ইয়াবাগুলো সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ কালবেলাকে বলেন, জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাকলিয়া থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে একই আইনে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার মতিঝিল থানায় এবং ২০১৭ সালের ৯ জুলাই কক্সবাজার সদর থানায় মামলা হয়েছিল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সাংবাদিক রিপনকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিন্দা জামায়াতের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক রিপনকে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিন্দা জামায়াতের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরে দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মহিন উদ্দিন রিপনকে অপহরণ, নির্যাতন ও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একজন সাংবাদিককে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে এ ধরনের নির্যাতন ও হুমকির শিকার হতে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিবৃতিতে সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের অভিযোগের বরাতে বলা হয়, তাকে অপহরণ করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

একই সঙ্গে সাংবাদিকের ধারণ করা কোনো আপত্তিকর ভিডিও বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনকারী উপাদান যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকেরা সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা নির্যাতন করে সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম