খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফিচার: ক্ষুধার্ত দরিদ্রের কথা কেউ শোনে না

সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র, নিপীড়িত, নির্যাতিত অসহায় মানুষগুলির কথা কেউ শোনে না। কেউ শুনতে চায়ও না। 

সমাজের অতি চালাক ধনী লোকগুলো বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ক্ষুধার্ত দরিদ্র লোকদের কষ্ট এবং যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয়। কিভাবে দরিদ্র লোকদের পেশা থেকে তাদেরকে ছিটকে ফেলে দেওয়া যাবে, কিভাবে তাদের চাকরিহারা করা যাবে, কিভাবে তাদের ব্যবসা এবং কৃষিকাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে আরো দরিদ্র বানিয়ে দেয়া যাবে — সেটাই ধনী লোকদের কৌশলের একটা অংশ।

দরিদ্র, নিপীড়িত, ক্ষুধার্ত লোক ঠিকমত তিন বেলা খেতে পায় না। সন্তানদেরকে খাওয়াতে পারে না, বৃদ্ধ বাবা-মাকেও খাওয়াতে পারে না। তারা ঠিকমত সময়মত বাসা ভাড়া দিতে পারে না। অসুখ-বিসুখ হলে চিকিৎসার টাকা তাদের থাকে না, শরীরের টেস্ট বা পরীক্ষা-নিরীক্ষারও কোন টাকা থাকে না। 

উপায়ান্তর না পেয়ে তারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে লম্বা লাইনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখানেও টাকা লাগে। তারপরে তারা বিভিন্ন কবিরাজ, ঝার-ফুঁকের পানি খেয়ে অবশেষে ধুকে ধুকে মরে যায়। আসলে দরিদ্র লোকদের কষ্টের কোন শেষ থাকে না।

একটি সরকার অনেকদিন ক্ষমতায় থাকার পরে নতুন সরকারের দিকে তারা অধীর অপেক্ষায় বসে থাকে। ভাবে নতুন সরকার হয়তো তাদের দরিদ্রদের কথা শুনবে, তাদের দারিদ্র্য দূর করার জন্য অনেক চেষ্টা করবে। কিন্তু নতুন পরিকল্পনা, নতুন সরকারগুলো শুধু ধনী কিভাবে ধনী বানানো যায়, গরীবকে কিভাবে আরো গরিব বানানো যায় সেই পরিকল্পনাতেই সবসময় মত্ত থাকে।

কোন সমাজপতি, কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মাথায় দরিদ্রের স্বপ্ন-ইচ্ছা তত বেশি কাজ করে না। দরিদ্র লোকগুলো যেন গাছের মরা পাতা, দরিদ্র লোকগুলো যেন ধনী লোকের পায়ের ধুলো। 

ধনীরা ভাবে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে শুধু আমরাই থাকব, আমরাই বাঁচব। দরিদ্র লোকগুলো কেন আমাদের সুখ এবং আরামের বিলাসিতার প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়ায়? 

দরিদ্র লোকগুলো তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ঠিকমতো করাতে পারে না। গ্রামে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ঠিকমতো খাবার-দাবার দিতে পারে না। দরিদ্র আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নিতে পারে না। 

অথচ দরিদ্র মানুষেরও একটি স্বপ্ন ছিল, একটা ভবিষ্যৎ ছিল, কি সুন্দর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু যে সমাজে তার বসবাস সেই সমাজের নেতৃস্থানীয় লোকগুলো তাকে সহযোগিতা করল না, বিধায় দরিদ্র লোকটি আরো দরিদ্র রয়ে গেল।

সমাজপতিদের পরিকল্পনার মধ্যে ধনী-দরিদ্র সকলকে নিয়ে পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। তাদের পরিকল্পনায় থাকা উচিত ছিল সবার জন্য খাবার, সবার জন্য বাসস্থান, সবার জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন। 

কিন্তু দরিদ্র লোকগুলো শুধু কেঁদে গেল, আফসোস করে গেল। তাদের সুন্দর স্বপ্নটা শুধু অপূর্ণতায় রয়ে গেল।

- মোঃ মাহাবুবুর রহমান  
ফিচার সম্পাদক, বিপিসি বাংলা

চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় কসমেটিকসের চালান জব্দ, আটক ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় কসমেটিকসের চালান জব্দ, আটক ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রীসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি পাখি ভ্যানও জব্দ করা হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জুম্মান খানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তপথ দিয়ে একটি পাখি ভ্যানে করে ভারতীয় পণ্যের বড় চালান নেওয়া হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। এসআই জুম্মান খানের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন পাখি ভ্যানটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ সেটির গতিরোধ করে তল্লাশি চালায়। এ সময় ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয় এবং দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

অভিযানে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত পাখি ভ্যানটিও জব্দ করে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় চোরাচালানবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে নামাজ পড়ে ফেরার পথে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে নামাজ পড়ে ফেরার পথে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে

ছবি গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
 
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে জাকির হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। এ ঘটনায় সরাসরি হামলাকারী হিসেবে বাশার সিকদারের নাম এলেও, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের তীর তার বড় ভাই বরকত শিকদারের দিকে।

গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ডাঙা মাজড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত জাকির হোসেন ওই গ্রামের মৃত সিরাজ মোল্যার ছেলে। অভিযুক্তরা একই গ্রামের বাগান সিকদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঙা মাজড়া মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিলেন জাকির হোসেন। ফেরার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বাশার সিকদার দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি কোপে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় সে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনাকে পরিকল্পিত দাবি করে আহতের পরিবার জানায়, অভিযুক্ত বাশার সিকদারের বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পরিবারের ভাষ্য, "বাশারকে সামনে রেখে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে তার বড় ভাই বরকত শিকদার। সে নিজেকে ভদ্রলোক হিসেবে দেখালেও ভেতরে সে-ই মূল হোতা। পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাদের ওপর হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বরকত।"

এ বিষয়ে কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাশার সিকদার বর্তমানে পলাতক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বাগাতিপাড়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বাগাতিপাড়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সৃষ্ট বিতর্কের জেরে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) নাটোর জেলা ছাত্রদল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আসিফ ইকবাল বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সৃজন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

এর আগে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা ছাত্রদল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম