খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

ফিচার লেখক মাহবুবুর রহমান

মোঃ মাহাবুবুর রহমান | ফিচার লেখক :

 আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

মানুষ এখন খাবে, নাকি সঞ্চয় করবে? এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে মানুষের আয়ের রেশিও কমে গেছে। ভালো কিছু খাওয়ার টাকাই হাতে থাকে না। আর টাকা হাতে থাকলেও সেটা কোথায় জমাবে? কোথায় সঞ্চয় করবে? সেই জায়গাটাও এখন নিরাপদ মনে হচ্ছে না।

১. ব্যাংকের প্রতি আস্থার সংকট: 
বিভিন্ন ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ঋণ দিয়ে বা দেশের বাইরে অর্থ পাচার করে আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। আর ব্যাংকের এই ভুলের খেসারত দিচ্ছে সাধারণ গ্রাহক। 

একদিকে গ্রাহকরা তাদের আমানতের টাকা ফেরত পাচ্ছে না। আবার পেলেও সব টাকা একসাথে পাচ্ছে না। এই অনিশ্চয়তাই মানুষকে ভয়ানক আতঙ্কের মধ্যে ফেলেছে। ব্যাংকের প্রতি যে ভরসা ছিল, সেটা ভেঙে গেছে। 

২. প্রযুক্তির আঘাতে পেশা ও আয়:
মানুষের আরেকটা আতঙ্ক হলো - কখন কোন পেশাজীবীর আয় কমে যাবে, তা বলা যাচ্ছে না। একসময় মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পাটের সিকা ঘরে ঘরে ছিল। এখন সেগুলো নেই। মোবাইলের কারণে ঘড়ি বিক্রি নেই, টেলিভিশনের বাজারও ছোট হয়ে গেছে। প্লাস্টিক এসে পাটের জায়গা দখল করেছে।

অনেক পেশা বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষগুলো বেকার। না আছে সংসার চালানোর ক্ষমতা, না আছে সঞ্চয় করার যোগ্যতা। নতুন প্রযুক্তি তাদের পুরনো করে বেকার করে দিয়েছে।

৩. বিকল্পও অনিরাপদ:
মানুষ ব্যাংকের বিকল্প হিসেবে বীমা ও এনজিওর দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু সেখানেও সমস্যা। ব্যাংক দেরিতে টাকা দেওয়ায় বীমা কোম্পানিগুলোও সময়মতো পেমেন্ট দিতে পারছে না। ব্যাংকের গাফিলতির দায় এসে পড়ছে বীমার ঘাড়ে।

আর পাবলিক লিমিটেড ব্যাংকের প্রতিই যখন মানুষের অভিমান, তখন এনজিওতে টাকা রাখবে কে?

৪. সমাধান কোথায়?
দেশের মানুষের হাত শক্তিশালী করতে হলে প্রথমে ব্যাংককে শক্তিশালী করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে। ব্যাংকগুলো যেন কোনো রাজনৈতিক চাপে ভুল পথে বিনিয়োগ বা পাচার না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 

সবচেয়ে জরুরি হলো - মানুষের মনে আবার আস্থা ফিরিয়ে আনা।

একইসাথে বীমার প্রচার বাড়াতে হবে। কারণ ব্যক্তি ও পরিবারের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বীমার কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রীয়ভাবে বীমার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে। জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর সমস্যা দূর করে মাঠকর্মীদের দক্ষ ও সৎ করে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষ কর্মীরাই মানুষকে বীমার দিকে, সঞ্চয়ের দিকে ধাবিত করতে পারবে।

আমার জানামতে অনেক মানুষ এখন আতঙ্কে ব্যাংক-বীমায় টাকা না রেখে বস্তায় ভরে ঘরে রাখছে। কিন্তু ঘরে টাকা রাখলে ব্যক্তি, পরিবার বা রাষ্ট্র - কারও উন্নয়ন হবে না। টাকা ব্যাংকে ঘুরলেই দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

উপসংহার:
মানুষকে ভয় দেখিয়ে নয়, ভরসা দিয়ে ব্যাংক-বীমার দিকে ফেরাতে হবে। গ্রাহক বাঁচলে ব্যাংক বাঁচবে, ব্যাংক বাঁচলে রাষ্ট্র বাঁচবে। আর রাষ্ট্র বাঁচলে আমরাও ভালো থাকব।

"সঞ্চয় করুন, আস্থা রাখুন - ঘরের টাকা ব্যাংক ও জীবন বীমাতে রাখুন।


শেরপুরে ড্রামের ভেতর মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শেরপুরে ড্রামের ভেতর মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনিয়া বাজারে ব্রিজের নিচে খালের পানিতে ভাসমান একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে নীল রঙের ড্রামটি খুলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে খালের পানিতে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম ভাসতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি খুললে ভেতরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পায়। মরদেহটির গলায় কাপড় পেঁচানো ছিল। এ ছাড়া কপাল ও মুখে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে এখনো ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আব্দুল লতিফ বলেন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি দল মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন, ভোট চাইলেন ওমর ফারুক সিকদার

ছবিতে ওমর ফারুক সিকদার

মনজুরুল ইসলাম || সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

‎আসন্ন সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং রাজ: ২১৭) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। 
‎ 
‎​এবারের নির্বাচনে 'মোমবাতি' প্রতীক নিয়ে কার্যকারী সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক কার্যকারী সদস্য মোঃ ওমর ফারুক সিকদার।
‎
‎সাধারণ শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের অধিকার আদায়ে সার্বক্ষণিক সোচ্চার থাকায় পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ব্যানারে তার সমাদৃত স্লোগান ফুটে উঠেছে— "ডাকলে যারে কাছে পাই, সে আমাদের ফারুক ভাই"।  

‎​নির্বাচনী প্রচারণায় ওমর ফারুক সিকদার বলেন, শ্রমিক ভাইদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য। অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও মোটর শ্রমিকদের যেকোনো প্রয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

‎​উক্ত নির্বাচনে তার নাম প্রস্তাব করেছেন মোঃ কালাম ড্রাইভার এবং সমর্থন জানিয়েছেন মোঃ রবিউল ড্রাইভার। সিরাজগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সম্মানিত সকল শ্রমিকবৃন্দও মোমবাতি মার্কাকে বিজয়ী করতে একযোগে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।  

‎​আসন্ন নির্বাচনে সকল শ্রমিক ভাইয়ের মূল্যবান ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান মোঃ ফারুক শিকদার।

গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে বিজয় দশমীর নৌকা বাইচ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম || গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

দূর্গাপূজার বিজয়া দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 আজ বুধবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাঘর নদীতে এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দু’পাড়ে কয়েক হাজার লোকের  সমাগম ঘটে।

শত বছরেরও বেশী সময় ধরে চলে আসা এ নৌকা বাইচ প্রতিবছর বিজয়া দশমীর দিনে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের আয়োজন ছাড়াই এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

 এ বছর কোটালীপাড়ার আশপাশের এলাকা ছাড়াও মাদারীপুর বাগেরহাট,  বরিশাল জেলা থেকে অসংখ্য দর্শক এ নৌকা বাইচ উপভোগ করতে আসেন। এ বাইচে অংশ নিয়ে ছিল ১৪ টি বাচারী নৌকা।

 নান্দনিক এ নৌকা  বাইচ দেখার জন্য প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে নানা ধর্ম বর্ণের মানুষ। 

কোটালীপাড়ার অনেকে  গ্রামের বাইরে গিয়ে নানা কাজে জীবন যাপন করেন। কিন্তু, এদিন তারা পরিবার নিয়ে কাটান একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশ আর গ্রামীন সাংস্কৃতির সঙ্গে। 

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, কথিত আছে যে আজ থেকে প্রায় দেড়শত বছর আগে  যশোরের বিঘাপতির জমিদার খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ঘাঘর নদীতে দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীর দিন এখানে মেলা ও নৌকা বাইচের আয়োজন করেছিলেন। সেখান থেকেই প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় এখানে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। 

কোটালীপাড়া উপজেলার সকল ধর্মের জনগন এই নৌকা বাইচে অংশ গ্রহন করেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, নদী খাল বিল বেষ্টিত কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত বছর ধরে বিশ্বকর্মা, দূর্গা ও লক্ষ্মী পূজায় নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এই বাইচ কেউকে আয়োজন করতে  হয় না। এই নৌকা বাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয় না।কোটালীপাড়ার এই নৌকা বাইচ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আগামীতে এই নৌকা বাইচ যাতে টিকে থাকে আমি সে বিষয়ে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো