খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

সন্তান নেশায় জড়িয়েছে, বুঝবেন যেসব লক্ষণে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সন্তান নেশায় জড়িয়েছে, বুঝবেন যেসব লক্ষণে

 যোগফল প্রতিবেদক:

বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানদের আচরণে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় অনেক অভিভাবক সন্তানের হঠাৎ রাগ, একাকীত্ব বা পড়াশোনায় অনীহাকে বয়সসন্ধিকালের স্বাভাবিক পরিবর্তন বলে মনে করেন। তবে এসব পরিবর্তনের কিছু নেশায় জড়িয়ে পড়ার প্রাথমিক সংকেতও হতে পারে। তাই সন্তানের আচরণ ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।

পড়াশোনায় ব্যর্থতা, পারিবারিক অশান্তি, বন্ধুদের সঙ্গে সমস্যা, সম্পর্কের বিচ্ছেদ, বিষণ্ণতা কিংবা হীনম্মন্যতার মতো বিভিন্ন কারণে কিশোর-কিশোরীরা মাদকের দিকে ঝুঁকতে পারে। শুরুতে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের অজানাই থেকে যায়। তবে কিছু আচরণগত ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়মিত খেয়াল করলে দ্রুত সতর্ক হওয়া সম্ভব।

আচরণে যেসব পরিবর্তন দেখা দিতে পারে

সন্তান আগে যে কাজগুলো করতে পছন্দ করত, সেগুলোর প্রতি হঠাৎ আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে কি না, তা লক্ষ্য করুন। প্রিয় শখ থেকে দূরে সরে যাওয়া, বন্ধুদের এড়িয়ে চলা কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর বদলে একা থাকতে চাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া অল্পতেই রেগে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ, কথায় কথায় চিৎকার করা, তুচ্ছ বিষয়ে মন খারাপ করা কিংবা হঠাৎ অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াও সতর্ক হওয়ার কারণ হতে পারে।

পড়াশোনায় হঠাৎ ফলাফল খারাপ হওয়া, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা, নিয়মিত স্কুল-কলেজে না যাওয়া এবং দৈনন্দিন কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার বিষয়গুলোও অভিভাবকদের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

গোপনীয়তা ও অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তন

সন্তান ফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় অস্বাভাবিক গোপনীয়তা অবলম্বন করছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন। নিজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মিথ্যা বলা, কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে তা গোপন করা কিংবা হঠাৎ অতিরিক্ত হাতখরচ চাওয়ার প্রবণতা দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে।

কখনও কখনও অতিরিক্ত রাগের পাশাপাশি জিনিসপত্র ছুড়ে মারা, ভাঙচুর করা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আক্রমণাত্মক আচরণ করার মতো পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে।

শারীরিক পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ

নেশায় জড়িয়ে পড়লে আচরণের পাশাপাশি শারীরিক পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে। যেমন—রাতে অতিরিক্ত জেগে থাকা, অস্বাভাবিক বেশি ঘুমানো, খাবারের প্রতি অনীহা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখ লাল বা ফুলে থাকা এবং অল্প সময়ের মধ্যে ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

কথাবার্তায় অসংলগ্নতা, নিজের বক্তব্য গুছিয়ে বলতে সমস্যা হওয়া কিংবা ভাব প্রকাশে হঠাৎ পরিবর্তনও খেয়াল করা জরুরি। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে কি না, সেটিও লক্ষ্য রাখতে হবে।

একটি লক্ষণ দেখেই সিদ্ধান্ত নয়

তবে এসব লক্ষণের কোনো একটি দেখা দিলেই সন্তান মাদকাসক্ত—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। বয়ঃসন্ধিকালের মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা অন্য কোনো কারণেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

তাই সন্দেহের ভিত্তিতে সন্তানকে দোষারোপ বা অপমান না করে প্রথমে তার পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

কী করবেন অভিভাবকরা

সন্তান নেশায় জড়িয়ে পড়েছে বলে জানতে পারলে রাগ বা আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু চিৎকার, অপমান, অতিরিক্ত শাসন কিংবা শারীরিক শাস্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

মনোরোগ চিকিৎসক কেদাররঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ অনুযায়ী, সন্তানকে আঘাত করা বা ঘর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি না দিয়ে ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি বোঝাতে হবে। নেশার কারণে শরীর ও মনের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে সম্পর্কেও তাকে সঠিক তথ্য দেওয়া জরুরি।

সন্তান যখন নেশার প্রভাবে থাকবে না, তখন একান্তে তার সঙ্গে কথা বলা ভালো। অভিযোগ বা জেরা না করে বোঝাতে হবে যে তার আচরণে পরিবর্তন আপনার নজরে এসেছে এবং আপনি তাকে সাহায্য করতে চান।

একই সঙ্গে সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। নেশার পেছনে কোনো মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা, বন্ধুত্বের সংকট কিংবা অন্য কোনো কারণ কাজ করছে কি না, সেটিও বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।

পারিবারিকভাবে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেরি না করে মনোরোগ চিকিৎসক, আসক্তি চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সন্তানের আচরণে পরিবর্তন দেখলেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সেটিকে অবহেলাও করা যাবে না। সময়মতো পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করে সহানুভূতির সঙ্গে পাশে থাকা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার সহায়তা নেওয়াই নেশার ঝুঁকি মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম