খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

যোগফল প্রতিবেদক: 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ‘ডিপফেক’ ভয়েস স্ক্যাম এখন বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনের অবিকল কণ্ঠস্বর নকল করে বিপদে পড়ার কথা জানিয়ে মুহূর্তের মধ্যে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি গোপন শব্দ বা ‘কোডওয়ার্ড’ নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাসিন্দা এলিজাবেথ বেনজের অভিজ্ঞতা এ ধরনের প্রতারণার ভয়াবহতা তুলে ধরে। সম্প্রতি একটি ফোনকলে তিনি তার ১৬ বছর বয়সী ছেলে জনের কান্নাজড়িত কণ্ঠ শুনতে পান। ফোনে জানানো হয়, তার এক বন্ধু মারা গেছে। এরপর এক অচেনা ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকি দেয়।

ছেলের বিপদের কথা শুনে আতঙ্কিত হয়ে টাকা দিতে ছুটছিলেন এলিজাবেথ। তবে শেষ মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ সন্তানের মাধ্যমে জানতে পারেন, জন সম্পূর্ণ নিরাপদে ফুটবল মাঠে খেলছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ফোনকলটি ছিল এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি ডিপফেক জালিয়াতি।

এলিজাবেথের পরিবারে আগে থেকেই একটি গোপন কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু আকস্মিক ভয় ও আতঙ্কের কারণে সেই মুহূর্তে তিনি কোডওয়ার্ডটির কথা মনে করতে পারেননি।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইনির্ভর স্ক্যাম এখন আর কাল্পনিক কোনো বিষয় নয়। বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের জমানো অর্থ হারাচ্ছেন। প্রতারকরা মানুষের আবেগ ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও ডিপফেক গবেষক হ্যানি ফারিদের মতে, গভীর রাতে হঠাৎ প্রিয়জনের বিপদের খবর কিংবা অস্বাভাবিক আর্থিক সহায়তার দাবি এলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিচলিত হয়ে পড়ে। এ সময় আবেগের বশবর্তী না হয়ে ফোনকলটির সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আগে থেকেই একটি গোপন শব্দ বা কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখা উচিত। এমন কোনো শব্দ, বাক্যাংশ বা পারিবারিক অভ্যন্তরীণ বিষয় বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা পরিবারের সদস্যরা ছাড়া অন্য কারও জানার কথা নয়।

তবে শুধু কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখলেই হবে না। জরুরি পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সেটি মনে করা এবং ব্যবহার করার অভ্যাসও তৈরি করতে হবে।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক ভয়েস স্ক্যামে সাধারণত কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়—

প্রথমত, অতিরিক্ত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করা। প্রতারকরা এমনভাবে কথা বলে যাতে ভুক্তভোগী চিন্তা বা যাচাই করার সময় না পান।

দ্বিতীয়ত, অচিহ্নিত মাধ্যমে অর্থ দাবি করা। বিটকয়েন, গিফট কার্ড বা নগদ অর্থের মতো মাধ্যমে টাকা চাওয়া হতে পারে।

তৃতীয়ত, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেওয়া। ভুক্তভোগী যাতে পরিবারের অন্য সদস্য বা পরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে না পারেন, সে চেষ্টা করা হয়।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে যা করবেন

অস্বাভাবিক কোনো ফোনকল এলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি যাচাই করতে হবে। পরিবারের নির্ধারিত কোডওয়ার্ড জানতে চাইতে পারেন। পাশাপাশি অন্য একটি নম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক মাস পরপর পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে বসে কোডওয়ার্ডটি মনে করে নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে তা অনুশীলন করা প্রয়োজন।

আতঙ্কের মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিয়ে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে তথ্য যাচাই করাই পারে এআইনির্ভর ডিপফেক প্রতারণা থেকে পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ১১

 যোগফল প্রতিবেদক:

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহ জেলায় ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাবাতিয়েহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

কাফর রেম্মানে মধ্যরাতের পর একটি তিনতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালায়। এতে দুই শিশুসহ নয়জন নিহত এবং পাঁচজন আহত হন।

একই এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলে ইসলামিক রিসালা স্কাউট অ্যাসোসিয়েশনের দুই প্যারামেডিক নিহত হন। সংগঠনটি লেবাননে জরুরি চিকিৎসা ও উদ্ধার কার্যক্রমে কাজ করে।

এ ছাড়া নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও আরবসালিম এলাকাতেও একাধিক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে।

দেইর আল-জাহরানি এলাকায় রাতের দিকে একটি ভবন ও আশপাশের কয়েকটি স্থাপনার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তাদের ভবনটি থেকে অন্তত ৩০০ মিটার দূরে চলে যেতে বলা হয়। নির্দেশ দেওয়ার প্রায় ২২ মিনিট পর ভবনটিতে বিমান হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করা হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ভবনটি হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তাদের অভিযোগ, হিজবুল্লাহ বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাঠিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৪ হাজার ৩৬২ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৩৭৮ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে যুদ্ধবিরতি কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ৫ হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। লেবাননের এক সামরিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে উদ্ধার ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে উদ্ধার ৫

যোগফল প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা পাঁচজনকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে চারজন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। অপর একজন টেকনাফ এলাকার বাসিন্দা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ)-এর একটি দল।

অভিযানকারী দল মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় নুরুল কবিরের বসতবাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছালে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মানব পাচারের শিকার পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা পাচারকারীরা আর্থিক সুবিধা লাভের পাশাপাশি জবরদস্তিমূলক শ্রম ও সেবা আদায়ের উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগীদের নৌকায় সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা করেছিল। এ উদ্দেশ্যে তাদের ওই এলাকায় একত্রিত করা হয়।

উদ্ধার হওয়া পাঁচজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তি রক্ষায় নতুন আইনি সুরক্ষা দেবে: রুমিন ফারহানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তি রক্ষায় নতুন আইনি সুরক্ষা দেবে: রুমিন ফারহানা

 যোগফল প্রতিবেদক:

সম্পত্তি সন্তানদের নামে হস্তান্তর করার পরও যাতে বৃদ্ধ বাবা-মা জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করতে পারেন, সে সুযোগ রেখে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই সংশোধনী দেশের অসংখ্য বৃদ্ধ বাবা-মাকে স্বস্তি দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক পরিবারে দেখা যায়, বাবা-মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি নেওয়ার পর তাদেরই বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত আইনে দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ থাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বিধানটি বাংলাদেশের অসংখ্য বাবা-মাকে জীবনের শেষ সময়ে নিরাপত্তা ও স্বস্তি দেবে। একই সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

পরিবারের সবচেয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ায় আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানান রুমিন ফারহানা।

কেন আনা হচ্ছে সংশোধনী

বৃদ্ধ বাবা-মা জীবিত অবস্থায় সন্তান, নাতি-নাতনি কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কাছে সম্পত্তি দান করার পর অনেক সময় ওই সম্পত্তিতে নিজেদের বসবাস ও ভোগদখলের অধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে নিজের বসতভিটা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই সমস্যা দূর করতেই সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

দান করেও সম্পত্তি ভোগের অধিকার

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বিদ্যমান সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-তে নতুন ১২২এ ও ১২২বি ধারা যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

১২২এ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। বাবা-মা থেকে সন্তান বা নাতি-নাতনির মধ্যে, নাতি-নাতনি থেকে পূর্ববর্তী প্রজন্মের মধ্যেও এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের হস্তান্তর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করতে হবে।

প্রস্তাবিত আইনে আরও বলা হয়েছে, দাতা জীবিত থাকা অবস্থায় সম্পত্তির গ্রহীতা মারা গেলেও দাতার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার বহাল থাকবে।

বিশেষ পরিস্থিতিতে অধিকার পরিবর্তনের সুযোগ

আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে দাতার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে।

কোনো পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক, নিখোঁজ, মানসিকভাবে অক্ষম বা আইনগতভাবে অক্ষম হলে জেলা জজের অনুমোদনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত ১২২এ(৪) উপধারায় বলা হয়েছে, এই ধারার অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে প্রচলিত দান, হেবা বা অন্য কোনো বৈধ সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতির বৈধতা ক্ষুণ্ন হবে না।

কমতে পারে পারিবারিক বিরোধ

সংশোধনীটি কার্যকর হলে বাবা-মা সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সম্পত্তি দান করলেও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই সম্পত্তিতে বসবাস ও ভোগদখলের অধিকার ধরে রাখতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তিগত নিরাপত্তা বাড়ার পাশাপাশি সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ ও ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম