খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন বিধান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন বিধান

 যোগফল প্রতিবেদক:

সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের নামে সম্পত্তি দান করার পরও দাতা যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগদখল করতে পারেন, সে সুযোগ রেখে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রস্তাবিত বিধান কার্যকর হলে সম্পত্তির মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর হলেও দলিলে শর্ত সাপেক্ষে দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার বহাল থাকবে। বিশেষ করে প্রবীণ বাবা-মা সন্তানদের নামে বসতবাড়ি বা অন্যান্য সম্পত্তি দান করার পরও যেন তা ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি আইনি সুরক্ষার আওতায় আসবে।

গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এ-সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিলে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন ১২২ক ও ১২২খ ধারা সংযোজনের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে দাতার আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানের পৃথক একটি পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

কারা কাকে সম্পত্তি দিতে পারবেন

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, বাবা-মা তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করতে পারবেন। একইভাবে নাতি-নাতনিরাও বাবা-মা, দাদা-দাদি কিংবা নানা-নানিকে সম্পত্তি দিতে পারবেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের দান নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করতে হবে।

দানের পরও থাকবে ব্যবহার ও ভোগের অধিকার

প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সম্পত্তি দানের সঙ্গে সঙ্গে দাতার ভোগদখলের অধিকার শেষ হবে না। দলিলে যদি আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করতে পারবেন।

অর্থাৎ কোনো বাবা সন্তানের নামে নিজের বাড়ি দান করলেও দলিলে যদি তার আজীবন বসবাসের অধিকার রাখা হয়, তাহলে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই বাড়িতে থাকতে পারবেন।

এমনকি দাতা জীবিত থাকা অবস্থায় সম্পত্তির গ্রহীতা মারা গেলেও দাতার অধিকার নষ্ট হবে না। গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে সম্পত্তির মালিকানা গেলেও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত তার ভোগদখলের অধিকার বহাল থাকবে।

বিশেষ প্রয়োজনে পরিবর্তনের সুযোগ

প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে দাতার ভোগদখলের অধিকার পরিবর্তন বা প্রত্যাহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক কিংবা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

কোনো পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক, নিখোঁজ, মানসিকভাবে অসুস্থ বা আইনগতভাবে অক্ষম হলে জেলা জজের অনুমোদন নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।

প্রচলিত হেবা বা দান বহাল থাকবে

নতুন ব্যবস্থা চালু হলেও প্রচলিত দান বা মুসলিম আইনের হেবা বাতিল হবে না। সাধারণ দান, হেবা এবং আইনস্বীকৃত অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতিও আগের মতো বহাল থাকবে।

প্রস্তাবিত নতুন বিধানটি সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি পৃথক পদ্ধতি হিসেবে যুক্ত হবে এবং সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে।

সরকারের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের নামে সম্পত্তি দান করার পরও যেন দাতা নিজের বসতবাড়ি বা সম্পত্তির ব্যবহার থেকে বঞ্চিত না হন।

বিলটি বর্তমানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। সংসদে বিলটি পাস হয়ে আইন হিসেবে কার্যকর হলে সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে দাতার আজীবন ভোগদখলের জন্য নতুন আইনি সুরক্ষা তৈরি হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ, চুক্তি কত বছর?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ, চুক্তি কত বছর?

 যোগফল প্রতিবেদক:

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে অ্যাস্টন ভিলা থেকে দলে ভিড়িয়েছে চেলসি। ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।

রোববার (৩০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মার্টিনেজকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে চেলসি। তবে দলবদলের আর্থিক অঙ্ক প্রকাশ করেনি তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মার্টিনেজকে পেতে প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে চেলসি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

চেলসিতে যোগ দিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন মার্টিনেজ। তিনি বলেন, নতুন ক্লাবে সফল হতে চান এবং প্রতিটি ম্যাচে জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামবেন। চেলসির মতো শিরোপাপ্রত্যাশী ক্লাবে সেই মানসিকতা কাজে লাগাতে চান তিনি।

অ্যাস্টন ভিলায় প্রায় ছয় বছর কাটানোর পর এবার নতুন ঠিকানায় পাড়ি জমালেন মার্টিনেজ। ২০২০ সালে আর্সেনাল থেকে ভিলায় যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে ২৫৬ ম্যাচে গোলবার সামলেছেন তিনি। এই সময়ে প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

গত মৌসুমেও অ্যাস্টন ভিলার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মার্টিনেজের। উনাই এমেরির দল প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নেয় এবং ইউরোপা লিগের শিরোপাও জেতে।

চেলসিতে অবশ্য সরাসরি মূল একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয় মার্টিনেজের। প্রথম পছন্দের গোলরক্ষকের জায়গার জন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে রবার্ট সানচেজের সঙ্গে। ২০২৩ সালে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন থেকে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সানচেজই নিয়মিত প্রথম পছন্দ ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক ম্যাচে কিছু ভুলের পর তার একাদশে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়েও মার্টিনেজের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাতেও শিরোপা জিতেছেন তিনি।

মার্টিনেজের চেলসিতে যোগ দেওয়ায় অ্যাস্টন ভিলার দলেও বড় পরিবর্তন এসেছে। এর আগে ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন মরগান রজার্স। পাশাপাশি ইউরি তিলেমানস, জ্যাডন সানচো, ডগলাস লুইজ ও লুকাস দিনেও ক্লাব ছেড়েছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

 যোগফল প্রতিবেদক:

লিঙ্গ রূপান্তরের পর অবশেষে নারীদের ক্রিকেটে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পাওয়ার পর অনয়ার সামনে খুলেছে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার নতুন সুযোগ। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা এবং দেশকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়া।

বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে নারী ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়নি। এ বিষয়ে অনয়া আশাবাদী, ভবিষ্যতে ভারতীয় বোর্ড বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে এবং তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করবে।

এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, তিনি আশা করেন বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাবেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাকেই তিনি নিজের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অনয়া বলেন, রূপান্তরের পর বোর্ডের নীরবতা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। তিনি জানতেন, লিঙ্গ রূপান্তরের পর ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তার আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একটি স্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনুমোদনের ফলে অনয়া এখন নারীদের ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলেও ভারতের জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে তাকে এখনও বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা আব্বাস জানান, মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো। দেশে ফেরার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ছিলেন এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ফেরার তাগাদা দিয়ে আসছিলেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে চিকিৎসক বোর্ড তাকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও তার চিকিৎসা চলমান থাকবে। প্রতিদিন তাকে থেরাপি নিতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি ফিজিওথেরাপি নেন।

এরও আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম