খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব দূরীকরণ এখন মুখ্য বিষয়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব দূরীকরণ এখন মুখ্য বিষয়

ছবি ফিচার লেখকঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান


 দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব দূরীকরণ এখন মুখ্য বিষয়  
ফিচার লেখকঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান  

আমাদের দেশটি একটি উন্নয়নশীল দেশ। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এদেশের বেশিরভাগ মানুষ আজও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। "নুন আনতে পান্তা ফুরোয়" - এই অবস্থা এখনও অনেক পরিবারের নিত্যদিনের চিত্র। এদেশের মূল দুটি সমস্যা হলো দারিদ্র্য ও বেকারত্ব।

১. বেকারত্বের ভয়াবহতা  
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বেকার ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পরিবারের হাল ধরে রাখা আজ পরিবার প্রধানদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। 

আমাদের দেশে চাকরির বাজারকে মোটা দাগে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।

২. বৈষম্যের চিত্র: সরকারি বনাম বেসরকারি  
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ে, পদোন্নতি হয়। কারো কারো আবার অতিরিক্ত আয়ের সুযোগও আছে।

কিন্তু মরার উপর খরার ঘা হলো বেসরকারি ও কোম্পানিতে চাকরিরত ব্যক্তিদের জন্য। 
এদের একদিকে বেতন কম, অন্যদিকে চাকরি হারানোর ভয়। সাথে আছে নানা ধরনের নির্যাতন। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নানা কৌশলে বেতন বাড়তে দেয় না। নতুন অজুহাতে টারমিনেট করার পথ খোলে।

অথচ দেশ গঠনে তাদের ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়। হিসাব করলে দেখা যাবে দেশের বেসরকারি ও কোম্পানির চাকরিজীবীর সংখ্যাই সরকারি চাকরিজীবীদের চেয়ে অনেক বেশি। তাহলে তাদের প্রতি এত বৈষম্য কেন? তাদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি কেন?

৩. নিম্নমানের জীবনযাপন  
এই শ্রেণির মানুষেরা বেশিরভাগ সময় অতি কষ্টে জীবনযাপন করে। তারা ভালো চালের ভাত খেতে পারে না। মাছ খেতে হলে সিলভার কার্প, পাঙ্গাস, তেলাপিয়াই ভরসা। কাপড় কিনতে মার্কেটে যেতে পারে না, ভ্যান থেকে স্বল্পমূল্যের কাপড় কিনতে হয়। 

পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে ভালো চিকিৎসা নিতে পারে না। ফলে বিনা চিকিৎসায় বা অপচিকিৎসায় অনেকে ধুঁকে ধুঁকে শেষ হয়ে যায়।

কিন্তু দেশের যেকোনো বিপদে, যুদ্ধে, দুর্যোগে সবাই মিলেই দেশকে রক্ষা করে। রক্ত দেয়। তাই বেসরকারি চাকরিজীবীদের সাথে বৈষম্য রাখা চলবে না। কোনোভাবেই তাদের অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা যাবে না।

৪. সমাধানের পথ  
দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব দূরীকরণে এখনই ব্যাপক উদ্যোগ নিতে হবে।
1.  বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান: উন্নত রাষ্ট্র থেকে বিনিয়োগ এনে নতুন শিল্প-কারখানা গড়তে হবে।
2.  কৃষি-শিল্প-বাণিজ্য: কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যে বিপ্লব ঘটাতে হবে। 
3.  নীতির পরিবর্তন: যারা দেশ পরিচালনা করেন তাদের দারিদ্র্য বিমোচন ও বেকারত্ব দূরীকরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

আমাদের লক্ষ্য একটাই - যাতে এদেশের একটি মানুষকেও বিদেশের সাহায্য বা ভিক্ষার দিকে হাত পাততে না হয়।

উপসংহার  
দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূর করতে পারলেই দেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের মুখে হাসি ফুটবে। কারণ একটি সমৃদ্ধ দেশের স্বপ্ন দেখে এদেশের প্রতিটি মানুষ।

"দারিদ্র্য হটাও, বেকারত্ব ঘুচাও - উন্নত বাংলাদেশ গড়াও"

নাটোরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাটোরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নাটোরের লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ ১৮ হাজার টাকা ও পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন, মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার জবের প্রামাণিকের ছেলে মান্টু মিয়া (৫৫) ও তার স্ত্রী নারগিছ খাতুন (৫০)।

লালপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে নারগিছ খাতুনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মাদক বিক্রির নগদ ১৮ হাজার টাকা ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার নারগিছ খাতুনের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় ২০২১ ও ২০২৪ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, তার স্বামী মান্টু মিয়ার বিরুদ্ধেও ২০২৩ সালে একই আইনে একটি মামলা রয়েছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সৌদি আরবের দাম্মাম ও জেদ্দা রুটে ফ্লাইট চালু করল বিমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদি আরবের দাম্মাম ও জেদ্দা রুটে ফ্লাইট চালু করল বিমান

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় দেশটির বিভিন্ন রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জেদ্দা রুটেও নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা করবে সংস্থাটি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের দাম্মামের উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। এসব ফ্লাইট পরিচালনায় বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

এদিকে, ২২ অক্টোবর ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে একটি করে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে।

অন্যদিকে, মদিনাগামী ফ্লাইটের কার্যক্রম নিয়মিত রয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ রুটে ফ্লাইট চলাচল ও সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তিতাসে দুই গ্যাসকূপ খননে ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা, মিলবে দৈনিক ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাসে দুটি নতুন অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামের কূপ দুটি খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা। কূপ দুটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হওয়ার আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

‘তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ (তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩) খনন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পেট্রোবাংলার কোম্পানি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং বিজিএফসিএলের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

১০ বছরে মিলতে পারে ১০০ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, নতুন দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কূপ দুটি থেকে দৈনিক ১৮ ব্যারেল কনডেনসেটও পাওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, নতুন কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করবে। দেশে গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

আব্দুল মান্নান আরও জানান, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরপর ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কূপ দুটি থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদন করা সম্ভব হতে পারে।

বিজিএফসিএলের বর্তমান উৎপাদনস্থলের মূল্য বা ওয়েলহেড প্রাইস বিবেচনায় গ্যাস ও কনডেনসেটের মোট আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৩৩৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে গ্যাসের মূল্য ২৮৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং কনডেনসেটের মূল্য ৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসের দাম বিবেচনায় একই সময়ে উৎপাদিত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৬ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

তিতাস থেকে দৈনিক উৎপাদন ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট

বর্তমানে বিজিএফসিএলের ছয়টি উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কোম্পানিটির সবচেয়ে বড় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে খনন করা ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।

২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে পরিচালিত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নতুন কূপ খননের প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য পর্যালোচনার জন্য বিজিএফসিএল চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (সিএনপিসি) প্রতিষ্ঠান বিজিপি ইনকরপোরেটেডকে নিয়োগ দিয়েছিল। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে ১৬টি নতুন কূপ এবং সাতটি গভীর কূপ খননের সুপারিশ করে।

স্থলভাগে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের সরকারি পরিকল্পনার আওতায় তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদেশি ঠিকাদারের মাধ্যমে কূপ দুটি খনন, দেশি ও বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, গ্যাস সংগ্রহের পাইপলাইন স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ করা হবে।

ব্যয় কমেছে ৪০ কোটি টাকা

ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) ২০২৬ সালে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলএনজি আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং শিল্পোন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) ২০২৬ সালের ১৮ জুনের সভায় প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে প্রস্তাবিত ৬৩২ কোটি টাকা থেকে ৪০ কোটি টাকা কমিয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম