খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

বাস্তবে নেই, তবু লুকার প্রেমে মজেছেন নেটিজেনরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাস্তবে নেই, তবু লুকার প্রেমে মজেছেন নেটিজেনরা

 যোগফল প্রতিবেদক:

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি মাইক্রোড্রামা ‘দ্য মাফিয়া ডন হায়ার্ড মি অ্যাজ হিজ ওয়াইফ’-এর কাল্পনিক চরিত্র লুকা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষ করে ফেসবুকে চরিত্রটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ও মুগ্ধতা চোখে পড়ার মতো।

লুকার সঙ্গে নোরার সম্পর্কও দর্শকদের মধ্যে তৈরি করেছে বাড়তি কৌতূহল। ফেসবুক খুললেই লুকা ও নোরাকে নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্য চোখে পড়ছে। কেউ কেউ তো কাল্পনিক এই এআই চরিত্রটিকেই নিজের ‘ক্রাশ’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

এক দর্শক নুজহাত খান লিখেছেন, ‘লুকা আমার ক্রাশ।’ রুবাবা আজাদ লিখেছেন, ‘বুড়া বয়সে এসে এসব মাফিয়া ডন-টনের ওপর ক্রাশ খেয়ে যাচ্ছি।’ তামান্না জান্নাতের মন্তব্য, ‘সব ক্রাশকে হার মানিয়ে এখন আমার ক্রাশ মাফিয়া কিং।’

শুধু লুকাকে নিয়েই নয়, নোরার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। জুলিয়া নামের এক দর্শক লিখেছেন, ‘নোরা ও লুকাকে অনেক ভালো লেগেছে।’

অনেকে আবার লুকা-নোরার গল্প নিয়ে মজার মন্তব্যও করছেন। জেরিন বাপ্পী লিখেছেন, ফেসবুকে ঢুকলেই ইদানীং এআই ধারাবাহিকের মাফিয়া ডন লুকা ও তার স্ত্রী নোরার দেখা মিলছে।

আরেক দর্শক মজা করে লিখেছেন, প্রচলিত ধারাবাহিকের সংসারের গল্প বাদ দিয়ে এখন তিনি এআই মাফিয়া ডন ও তার পরিবারের গল্পই দেখছেন। কেউ কেউ আবার রাত জেগে এসব দেখতে গিয়ে বাস্তবে অস্তিত্বহীন লুকা কাস্তেলিনো ও নোরা বেনেটের চরিত্রে মুগ্ধ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

দাইনা তালুকদার লিখেছেন, ছোটবেলায় ‘ঠাকুমার ঝুলি’ দেখলেও এখন তিনি মাফিয়া ডন লুকা ও নোরার গল্প দেখছেন।

তবে লুকা ও নোরা কোনো বাস্তব অভিনেতা-অভিনেত্রী নন। তারা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি সম্পূর্ণ কাল্পনিক চরিত্র। বাস্তবে অস্তিত্ব না থাকলেও তাদের ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে, বিনোদনের ক্ষেত্রে এআইনির্ভর চরিত্র ও গল্পের জনপ্রিয়তা কীভাবে বাড়ছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাবনায় বিএনপি নেতা আদম আলীকে গুলি করে হত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় বিএনপি নেতা আদম আলীকে গুলি করে হত্যা

 যোগফল প্রতিবেদক:

পাবনার আটঘরিয়ায় আদম আলী (৬০) নামে এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত আদম আলী উপজেলার ষাটগাছা গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চন্ডীপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, একদন্ত হাট থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন আদম আলী। চন্ডীপাশা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

একপর্যায়ে আহত অবস্থায় দৌড়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে গিয়ে পড়ে যান আদম আলী। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ওসি নাজমুল হক বলেন, কারা এবং কী কারণে আদম আলীকে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি যে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন, সেই মামলার সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, নাকি অন্য কোনো কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ষাটগাছা গ্রামের নায়েব আলীর মেয়ে তমা খাতুনের (১৬) মরদেহ একটি বাঁশঝাড় থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তমার বাবা নায়েব আলী বাদী হয়ে আটঘরিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় আদম আলীকে প্রধান আসামি করা হয়।

মামলা দায়েরের কয়েকদিন পর ২৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল সদর থানার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১২ পাবনা ও র‌্যাব-১৪ টাঙ্গাইলের সদস্যরা আদম আলীকে গ্রেপ্তার করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তমাকে ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে আদম আলীকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়।

পরে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফেরেন আদম আলী। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামিনে বের হওয়ার পর তিনি মামলা তুলে নেওয়া ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেন। তার হুমকির কারণে তমার বাবা নায়েব আলী বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আদম আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত করছে পুলিশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টা, যুবক রিমান্ডে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টা, যুবক রিমান্ডে

যোগফল প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার মুহিবুল্লাহ মুবিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।

তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুর রহমান আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের পর নিরাপত্তা বেষ্টনী বলয়ের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন মুহিবুল্লাহ মুবিন। এ সময় পুলিশ তাকে আটক করে। পরে এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফার্মগেটের কেআইবি অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় যোগ দিতে যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা এবং অনুষ্ঠান বানচালের উদ্দেশ্যে মুহিবুল্লাহ মুবিন মোটরসাইকেলসহ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিদের সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পৃথক ঘটনায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পৃথক ঘটনায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার
যোগফল প্রতিবেদক:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে পৃথক ঘটনায় এক ব্যক্তি ও এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ও সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার পৃথক এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে দীপক মন্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন মণ্ডলের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীপক মন্ডল পারিবারিকভাবে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে হতাশায় ভুগছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ লুধুয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ফাহিমা আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে ওই গ্রামের সায়েদ আলী কারির মেয়ে।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মোবাইল ফোন নষ্ট হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়েছিল। নতুন ফোন কিনে দেওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হওয়ায় সে হতাশ হয়ে পড়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে দুজনের মৃত্যুই আত্মহত্যাজনিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাতেই আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম