খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

সন্তান নেশায় জড়িয়েছে, বুঝবেন যেসব লক্ষণে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সন্তান নেশায় জড়িয়েছে, বুঝবেন যেসব লক্ষণে

 যোগফল প্রতিবেদক:

বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানদের আচরণে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় অনেক অভিভাবক সন্তানের হঠাৎ রাগ, একাকীত্ব বা পড়াশোনায় অনীহাকে বয়সসন্ধিকালের স্বাভাবিক পরিবর্তন বলে মনে করেন। তবে এসব পরিবর্তনের কিছু নেশায় জড়িয়ে পড়ার প্রাথমিক সংকেতও হতে পারে। তাই সন্তানের আচরণ ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।

পড়াশোনায় ব্যর্থতা, পারিবারিক অশান্তি, বন্ধুদের সঙ্গে সমস্যা, সম্পর্কের বিচ্ছেদ, বিষণ্ণতা কিংবা হীনম্মন্যতার মতো বিভিন্ন কারণে কিশোর-কিশোরীরা মাদকের দিকে ঝুঁকতে পারে। শুরুতে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের অজানাই থেকে যায়। তবে কিছু আচরণগত ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়মিত খেয়াল করলে দ্রুত সতর্ক হওয়া সম্ভব।

আচরণে যেসব পরিবর্তন দেখা দিতে পারে

সন্তান আগে যে কাজগুলো করতে পছন্দ করত, সেগুলোর প্রতি হঠাৎ আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে কি না, তা লক্ষ্য করুন। প্রিয় শখ থেকে দূরে সরে যাওয়া, বন্ধুদের এড়িয়ে চলা কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর বদলে একা থাকতে চাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া অল্পতেই রেগে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ, কথায় কথায় চিৎকার করা, তুচ্ছ বিষয়ে মন খারাপ করা কিংবা হঠাৎ অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াও সতর্ক হওয়ার কারণ হতে পারে।

পড়াশোনায় হঠাৎ ফলাফল খারাপ হওয়া, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা, নিয়মিত স্কুল-কলেজে না যাওয়া এবং দৈনন্দিন কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার বিষয়গুলোও অভিভাবকদের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

গোপনীয়তা ও অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তন

সন্তান ফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় অস্বাভাবিক গোপনীয়তা অবলম্বন করছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন। নিজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মিথ্যা বলা, কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে তা গোপন করা কিংবা হঠাৎ অতিরিক্ত হাতখরচ চাওয়ার প্রবণতা দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে।

কখনও কখনও অতিরিক্ত রাগের পাশাপাশি জিনিসপত্র ছুড়ে মারা, ভাঙচুর করা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আক্রমণাত্মক আচরণ করার মতো পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে।

শারীরিক পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ

নেশায় জড়িয়ে পড়লে আচরণের পাশাপাশি শারীরিক পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে। যেমন—রাতে অতিরিক্ত জেগে থাকা, অস্বাভাবিক বেশি ঘুমানো, খাবারের প্রতি অনীহা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখ লাল বা ফুলে থাকা এবং অল্প সময়ের মধ্যে ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

কথাবার্তায় অসংলগ্নতা, নিজের বক্তব্য গুছিয়ে বলতে সমস্যা হওয়া কিংবা ভাব প্রকাশে হঠাৎ পরিবর্তনও খেয়াল করা জরুরি। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে কি না, সেটিও লক্ষ্য রাখতে হবে।

একটি লক্ষণ দেখেই সিদ্ধান্ত নয়

তবে এসব লক্ষণের কোনো একটি দেখা দিলেই সন্তান মাদকাসক্ত—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। বয়ঃসন্ধিকালের মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা অন্য কোনো কারণেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

তাই সন্দেহের ভিত্তিতে সন্তানকে দোষারোপ বা অপমান না করে প্রথমে তার পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

কী করবেন অভিভাবকরা

সন্তান নেশায় জড়িয়ে পড়েছে বলে জানতে পারলে রাগ বা আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু চিৎকার, অপমান, অতিরিক্ত শাসন কিংবা শারীরিক শাস্তি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

মনোরোগ চিকিৎসক কেদাররঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ অনুযায়ী, সন্তানকে আঘাত করা বা ঘর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি না দিয়ে ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি বোঝাতে হবে। নেশার কারণে শরীর ও মনের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে সম্পর্কেও তাকে সঠিক তথ্য দেওয়া জরুরি।

সন্তান যখন নেশার প্রভাবে থাকবে না, তখন একান্তে তার সঙ্গে কথা বলা ভালো। অভিযোগ বা জেরা না করে বোঝাতে হবে যে তার আচরণে পরিবর্তন আপনার নজরে এসেছে এবং আপনি তাকে সাহায্য করতে চান।

একই সঙ্গে সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। নেশার পেছনে কোনো মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা, বন্ধুত্বের সংকট কিংবা অন্য কোনো কারণ কাজ করছে কি না, সেটিও বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।

পারিবারিকভাবে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেরি না করে মনোরোগ চিকিৎসক, আসক্তি চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সন্তানের আচরণে পরিবর্তন দেখলেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সেটিকে অবহেলাও করা যাবে না। সময়মতো পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করে সহানুভূতির সঙ্গে পাশে থাকা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার সহায়তা নেওয়াই নেশার ঝুঁকি মোকাবিলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মিছিলে ছিলেন না, তবু মামলায় সাংবাদিক-শিক্ষকসহ ২৩ জন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিছিলে ছিলেন না, তবু মামলায় সাংবাদিক-শিক্ষকসহ ২৩ জন

 যোগফল প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক, যুবদল কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মীসহ অন্তত ২৩ জনকে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। মামলার আসামিদের দাবি, মিছিলের সময় তারা কেউ ঘটনাস্থলে ছিলেন না। এমনকি তাদের মধ্যে একজন পবিত্র ওমরাহ পালনে মক্কায় অবস্থান করছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সীমান্ত সড়কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) মধ্যনগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। পরে মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ। এতে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় তাহিরপুর উপজেলার রতনশ্রী গ্রামের বাসিন্দা ও একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের ডিজিটাল প্রতিনিধি শওকত হাসান সৈকত, বাদাঘাট বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী ও যুবদল কর্মী রাসেল আহমদ, কাদের পাশা, উপজেলা মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ, কলাগাঁও টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক জাবের আহমদ জাবেদ এবং সিলেটের একটি এনজিওকর্মী রাজন চন্দের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া আজহারুল ইসলাম সোহাগ, হাসান মিয়া, ইকবাল, ফারুক, বিপ্লব হাসান ইমন, জুয়েল আখুঞ্জি, শাহিন মিয়া, জিয়া উদ্দিন, সাজিদ মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, শাখাওয়াত হোসেন শিপন, মিয়া হোসেন, সেলিম ভূঁইয়া, নাজির হোসেন, শাকিল আহমদ লিজান ও লিক্সন মিয়াসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের কয়েকজনের দাবি, মিছিলের সময় তারা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। কেউ ব্যবসায়িক কাজে, কেউ নিজ নিজ কর্মস্থলে এবং কেউ অন্য এলাকায় অবস্থান করছিলেন। একজন আসামি ওই সময় পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য মক্কায় ছিলেন বলেও দাবি উঠেছে।

মামলার আসামি ও তাহিরপুর উপজেলা মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ দাবি করেন, মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার কারণে তিনি ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তার অভিযোগ, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা কিছু অসৎ ব্যক্তি তাকে মামলায় জড়িয়েছেন।

বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ও যুবদল কর্মী রাসেল আহমদ বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।

সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকত বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এবং মিছিলের সময় তিনি ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। তার দাবি, সাংবাদিকতা করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি স্থানীয়ভাবে কারও কারও বিরাগভাজন হয়ে থাকতে পারেন। মামলার কারণে গত কয়েক দিন ধরে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনার দিন সৈকত তাহিরপুরেই ছিলেন এবং তিনি ওই দিনের ঘটনাটি নিয়ে সংবাদও করেছেন। মধ্যনগরের ঘটনার মামলায় তাকে আসামি করার বিষয়টি বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করে তিনি নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি না করার দাবি জানান।

এদিকে তাহিরপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাফিজ উদ্দিন এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়, সাংবাদিক এবং মিছিলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদেরও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক নেতা বলেন, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে। সেগুলো যাচাই করে প্রকৃত জড়িতদের শনাক্ত করার পরও যদি নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়ে থাকে, তা দুঃখজনক।

তবে আসামিদের নাম কীভাবে মামলায় এসেছে, সে বিষয়ে মামলার বাদী শাহাজাহান মিয়া বলেন, তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা সমন্বয় করে আসামিদের তালিকা থানায় দিয়েছেন। পরে তিনি মামলার বাদী হয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মিছিলের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও তা যথাযথভাবে যাচাই না করে এবং ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অবস্থান বিবেচনায় না নিয়েই মামলা করা হয়েছে। এতে প্রকৃত জড়িতদের পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যক্তিরাও হয়রানির শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, মামলার বাদী পুলিশ নন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করবে। তদন্তে কারও বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া না গেলে পরবর্তী সময়ে তার নাম বাদ দেওয়া হবে। নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলেও জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৩ মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু হবে: নৌ-মন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩ মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু হবে: নৌ-মন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

নগরীর যানজট কমানো এবং নৌপথকে জনপ্রিয় করতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছর ধরে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চলাচল করলেও অব্যবস্থাপনার কারণে এ খাতে মোট ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। অর্থাৎ বছরে গড়ে প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এসব সমস্যা চিহ্নিত করেছে। দ্রুতই ঢাকার চারপাশে অবাধ যাতায়াতের জন্য ওয়াটার বাস চালু করা হবে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দূষণের কারণ হিসেবে কেমিক্যাল, তরল ও কঠিন বর্জ্য ফেলার ৪২৪টি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।

নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শিল্পবর্জ্য নদীতে পড়া ঠেকাতে পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও সংসদকে জানান নৌ-পরিবহনমন্ত্রী।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুকুরের পানিতে ডুবে সৃজয়ী দাস নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব লঘাটি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৃজয়ী ওই গ্রামের শাওন দাসের একমাত্র মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির আঙিনায় খেলছিল সৃজয়ী। এ সময় তার মা রান্নাঘরে এবং বাবা শাওন দাস বাথরুমে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর বাবা বাইরে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটিকে ভাসতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম