খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

সাবিনা ইয়াসমিনকে জন্মদিনে কনকচাঁপার আবেগঘন শুভেচ্ছা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাবিনা ইয়াসমিনকে জন্মদিনে কনকচাঁপার আবেগঘন শুভেচ্ছা

 যোগফল প্রতিবেদক:

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন ছিল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)। বিশেষ এই দিনে ভক্ত-অনুরাগী ও সংগীতাঙ্গনের সহকর্মীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন দেশের কালজয়ী এই শিল্পী। জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা।

৭২ বছর পূর্ণ করে ৭৩ বছরে পা রাখা সাবিনা ইয়াসমিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘আজ তার জন্মদিন। আজকের দিনটি একান্তই তার হয়ে যাক, আজকের সব ফুল সাবিনা আপার জন্য ফুটুক এবং আল্লাহ যেন ওনাকে সুস্থ, আনন্দিত, সুরক্ষিত, সুখী ও সমৃদ্ধ করে রাখেন—এ দোয়া করি।’

নিজের ফেসবুক পেজে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে কনকচাঁপা তাঁকে শুধু একজন সংগীতশিল্পী নয়, একটি ‘ইনস্টিটিউট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সাবিনা ইয়াসমিন। একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’

সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠের জাদু তুলে ধরতে গিয়ে লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণও তুলে ধরেন কনকচাঁপা। সেখানে বলা হয়, বহু বছর আগে একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে আবদুল্লাহ আবু সাঈদ দর্শকদের প্রশ্ন করেছিলেন—কোকিল কখন গায়? দর্শকরা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘বসন্তে’। এরপর তিনি জানতে চেয়েছিলেন, সারা বছর সুর ছড়িয়ে মাতিয়ে রাখে কোন পাখি? দর্শকদের উত্তরের অপেক্ষা না করে তিনি নিজেই বলেছিলেন, সারা বছর গানে মাতিয়ে রাখা সেই পাখিটি আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন।

এই কথার সূত্র ধরে কনকচাঁপা বলেন, সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, বাংলাদেশের মানুষকে সারাজীবন গানে ডুবিয়ে, ভাসিয়ে ও উজ্জীবিত করে রেখেছেন। পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি নিজের কণ্ঠের জাদু একইভাবে ধরে রেখেছেন, সেটিও গবেষণার বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সাবিনা ইয়াসমিনের দীর্ঘ সংগীতজীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কনকচাঁপা আরও উল্লেখ করেন—‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’—এই তিনটি কালজয়ী গান ছাড়া তিনি আর কোনো গান না গাইলেও তাঁর কিংবদন্তি হয়ে ওঠা ঠেকানো যেত না। তাঁর ভাষায়, এসব গানের জন্যই সাবিনা ইয়াসমিন আজও ‘মধুকণ্ঠী কোকিল’ হিসেবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে আছেন।

১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করে আসছেন। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমার ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই শিল্পী।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৪ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন সাবিনা ইয়াসমিন। এছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী সংগীতশিল্পীর সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মিছিলে ছিলেন না, তবু মামলায় সাংবাদিক-শিক্ষকসহ ২৩ জন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিছিলে ছিলেন না, তবু মামলায় সাংবাদিক-শিক্ষকসহ ২৩ জন

 যোগফল প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক, যুবদল কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মীসহ অন্তত ২৩ জনকে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। মামলার আসামিদের দাবি, মিছিলের সময় তারা কেউ ঘটনাস্থলে ছিলেন না। এমনকি তাদের মধ্যে একজন পবিত্র ওমরাহ পালনে মক্কায় অবস্থান করছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সীমান্ত সড়কে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় সোমবার (৩১ আগস্ট) মধ্যনগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। পরে মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ। এতে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় তাহিরপুর উপজেলার রতনশ্রী গ্রামের বাসিন্দা ও একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের ডিজিটাল প্রতিনিধি শওকত হাসান সৈকত, বাদাঘাট বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী ও যুবদল কর্মী রাসেল আহমদ, কাদের পাশা, উপজেলা মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ, কলাগাঁও টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক জাবের আহমদ জাবেদ এবং সিলেটের একটি এনজিওকর্মী রাজন চন্দের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া আজহারুল ইসলাম সোহাগ, হাসান মিয়া, ইকবাল, ফারুক, বিপ্লব হাসান ইমন, জুয়েল আখুঞ্জি, শাহিন মিয়া, জিয়া উদ্দিন, সাজিদ মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, শাখাওয়াত হোসেন শিপন, মিয়া হোসেন, সেলিম ভূঁইয়া, নাজির হোসেন, শাকিল আহমদ লিজান ও লিক্সন মিয়াসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের কয়েকজনের দাবি, মিছিলের সময় তারা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। কেউ ব্যবসায়িক কাজে, কেউ নিজ নিজ কর্মস্থলে এবং কেউ অন্য এলাকায় অবস্থান করছিলেন। একজন আসামি ওই সময় পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য মক্কায় ছিলেন বলেও দাবি উঠেছে।

মামলার আসামি ও তাহিরপুর উপজেলা মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ দাবি করেন, মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার কারণে তিনি ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তার অভিযোগ, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা কিছু অসৎ ব্যক্তি তাকে মামলায় জড়িয়েছেন।

বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ও যুবদল কর্মী রাসেল আহমদ বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।

সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকত বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এবং মিছিলের সময় তিনি ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। তার দাবি, সাংবাদিকতা করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি স্থানীয়ভাবে কারও কারও বিরাগভাজন হয়ে থাকতে পারেন। মামলার কারণে গত কয়েক দিন ধরে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনার দিন সৈকত তাহিরপুরেই ছিলেন এবং তিনি ওই দিনের ঘটনাটি নিয়ে সংবাদও করেছেন। মধ্যনগরের ঘটনার মামলায় তাকে আসামি করার বিষয়টি বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করে তিনি নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি না করার দাবি জানান।

এদিকে তাহিরপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাফিজ উদ্দিন এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে। তার অভিযোগ, প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়, সাংবাদিক এবং মিছিলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদেরও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক নেতা বলেন, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রয়েছে। সেগুলো যাচাই করে প্রকৃত জড়িতদের শনাক্ত করার পরও যদি নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়ে থাকে, তা দুঃখজনক।

তবে আসামিদের নাম কীভাবে মামলায় এসেছে, সে বিষয়ে মামলার বাদী শাহাজাহান মিয়া বলেন, তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা সমন্বয় করে আসামিদের তালিকা থানায় দিয়েছেন। পরে তিনি মামলার বাদী হয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মিছিলের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও তা যথাযথভাবে যাচাই না করে এবং ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অবস্থান বিবেচনায় না নিয়েই মামলা করা হয়েছে। এতে প্রকৃত জড়িতদের পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যক্তিরাও হয়রানির শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, মামলার বাদী পুলিশ নন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করবে। তদন্তে কারও বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া না গেলে পরবর্তী সময়ে তার নাম বাদ দেওয়া হবে। নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলেও জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৩ মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু হবে: নৌ-মন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩ মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু হবে: নৌ-মন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

নগরীর যানজট কমানো এবং নৌপথকে জনপ্রিয় করতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছর ধরে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চলাচল করলেও অব্যবস্থাপনার কারণে এ খাতে মোট ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। অর্থাৎ বছরে গড়ে প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এসব সমস্যা চিহ্নিত করেছে। দ্রুতই ঢাকার চারপাশে অবাধ যাতায়াতের জন্য ওয়াটার বাস চালু করা হবে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দূষণের কারণ হিসেবে কেমিক্যাল, তরল ও কঠিন বর্জ্য ফেলার ৪২৪টি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।

নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শিল্পবর্জ্য নদীতে পড়া ঠেকাতে পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও সংসদকে জানান নৌ-পরিবহনমন্ত্রী।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুকুরের পানিতে ডুবে সৃজয়ী দাস নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব লঘাটি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৃজয়ী ওই গ্রামের শাওন দাসের একমাত্র মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির আঙিনায় খেলছিল সৃজয়ী। এ সময় তার মা রান্নাঘরে এবং বাবা শাওন দাস বাথরুমে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর বাবা বাইরে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটিকে ভাসতে দেখা যায়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম