খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে "বাঁচুক প্রাণ" কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে "বাঁচুক প্রাণ" কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ

ছবি যোগফল

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: 

‘উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে ৩০  বছরে পদার্পণ করেছে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’। 

দিনটি উপলক্ষে  ‘বাঁধন, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ইউনিট, রংপুর জোন’ -এর আয়োজনে আলোচনা সভা, কেক কাটা, বৃক্ষরোপণ, পুরস্কার প্রদান ও তাবারক বিতরণসহ নানা উৎসবমুখর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়


শিক্ষার্থীদের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুর রহমান সরকার। অনুষ্ঠানে  আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রাশেদুল ইসলাম উপদেষ্টা বাঁধন, কু.স.ক ইউনিট আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ তাহসিনুর রহমান তমাল । সাধারণ সম্পাদক (২০২৩ সেশন) মোঃ আবু বকর সিদ্দিক সভাপতি (২০২৫ সেশন)

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বাঁধন সরকার  এবং সঞ্চালনা করেন  জিহাদ হোসাইন সহ-সভাপতি বাঁধন,কু.স.ক ইউনিট  এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন মিয়া। 

প্রধান অতিথি উপাধ্যক্ষ  ড. মোঃ সাইফুর রহমান সরকার  বলেন বাঁধন একটি অরাজনৈতিক অসাম্প্রদায়িক সেচ্ছাসেবী সংগঠন যারা মুমূর্ষের রোগীর জীবন বাঁচাতে রাতদিন ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিনামূল্যে রক্ত সরবরাহ করে তাদের এই মহৎ কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হয়ে সুন্দর সমাজ বিনির্মানে কাজ করা উচিৎ। 

মো: তাহসিনুর রহমান তমাল বলেন, এক ব্যাগ রক্ত একটি “জীবন” এক ঝাক নিবেদিত প্রাণ একটি “বাঁধন” 
সংগঠন হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ জনগোষ্ঠী যারা একটি নিদিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করে তেমনি আমরা বাঁধন সদস্যবৃন্দে ঐক্যবদ্ধভাবে  প্রচেষ্টা করি তাহলে সেইদিন হবো সার্থক যেদিন আমাদের স্বপ্ন  বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ নিজ রক্তের গ্রুপ জানবে এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবে। 
আলোচনা সভায় সভাপতি বাঁধন সরকার নতুন প্রজন্মকে মানবিক কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "লেখাপড়ার পাশাপাশি সকল প্রকার মানবিক ও সামাজিক কাজে তরুণ সমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।"

সংগঠনের উপদেষ্টা রাশেদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, "বাঁধন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও মানবিক আদর্শ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের শ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে এই মানবিক বার্তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। একদিন এই সংগঠন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে আরও হাজারো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে উঠবে।"

বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ রক্ষা কর্মসূচি:

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে 'বাঁধন, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ ইউনিট, রংপুর জোন’ -এর উদ্যোগে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে  গাছের চারা রোপণ করা হয়। রক্তদানের মতো মানবিক সেবার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

দীর্ঘ ২৯ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা:
১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল থেকে যাত্রা শুরু করে ‘বাঁধন’। দীর্ঘ ২৯ বছরের পথচলায় সংগঠনটি দেশের ৬১টি জেলায়, ৯৪টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১৬টি জোন, ১৫০টি ইউনিট এবং ১৭টি পরিবারের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বাঁধন ১২ লাখ ২৭ হাজার ৮৬৫ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করেছে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫১০ জন মানুষকে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে দিয়েছে।

দুর্যোগ ও সংকটে মানবতার পাশে:

কেবল রক্তদানই নয়, যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সংগঠনটি। তাঁদের সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:

২০২৪ সালের বন্যা পুনর্বাসন: ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, চাঁদপুর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ৭,৫০০টিরও বেশি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

জরুরি কুইক রেসপন্স: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার মতো আকস্মিক বিপদে তাৎক্ষণিক "কুইক রেসপন্স টিম" গঠন করে জরুরি ভিত্তিতে রক্তদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

২০২৬ সালের ত্রাণ ও পুনর্বাসন: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ১২০টি পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। এছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গৃহহীন ও নিঃস্ব ১৩টি পরিবারকে মোট ৩২২ পিস নতুন ঢেউটিন এবং এক অসহায় নারীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাঁধন কেন্দ্রীয় পরিষদের পক্ষ থেকে দেশের সর্বস্তরের কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও রক্তদাতাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। রক্তের প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে বাঁধনের এই দিগন্তপ্রসারী অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম