খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ, জীবন বাঁচাতে যা করবেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ, জীবন বাঁচাতে যা করবেন

যোগফল প্রতিবেদক: 

হঠাৎ হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে জীবন বাঁচাতে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে কেউ অচেতন হয়ে পড়লে এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি সহায়তা চাওয়ার পাশাপাশি দ্রুত কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) শুরু করা এবং প্রয়োজনে স্বয়ংক্রিয় বহিঃস্থ ডিফিব্রিলেটর (এইডি) ব্যবহার রোগীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কী?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলো এমন একটি জরুরি অবস্থা, যখন হৃদ্‌যন্ত্র হঠাৎ কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয় বা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগী অচেতন হয়ে পড়তে পারেন এবং মৃত্যুও হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক ও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এক নয়। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে সাধারণত হৃদ্‌যন্ত্রের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকরভাবে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখার ক্ষমতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। হার্ট অ্যাটাক থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।

রোগী অচেতন হয়ে পড়লে কী করবেন?

কেউ হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁর কাঁধে আলতো চাপ দিয়ে সাড়া দেওয়ার বিষয়টি দেখুন এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন কি না, তা পরীক্ষা করুন। হাঁসফাঁস করা বা অনিয়মিত শ্বাসকে স্বাভাবিক শ্বাস হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

রোগী সাড়া না দিলে এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে বলে সন্দেহ করুন। দ্রুত জরুরি সহায়তার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করুন। আশপাশে কেউ থাকলে তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করতে এবং এইডি থাকলে সেটি নিয়ে আসতে বলুন।

কীভাবে সিপিআর দেবেন?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সন্দেহ হলে জরুরি সহায়তা আসার অপেক্ষায় বসে না থেকে বুকের ওপর চাপ দেওয়ার মাধ্যমে সিপিআর শুরু করুন। সম্ভব হলে জরুরি সেবার ফোন অপারেটরের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

প্রাপ্তবয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে সিপিআর দেওয়ার নিয়ম হলো—

  • রোগীকে শক্ত ও সমতল জায়গায় চিত করে শোয়ান।

  • বুকের মাঝখানে, বুকের হাড়ের ওপর এক হাতের তালুর গোড়া রাখুন। অন্য হাতটি তার ওপর রাখুন।

  • কনুই সোজা রেখে বুকের ওপর জোরে ও দ্রুত চাপ দিন।

  • প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার চাপ দিন এবং বুক প্রায় ৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার গভীর পর্যন্ত চাপুন।

  • প্রতিবার চাপ দেওয়ার পর বুককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে দিন।

  • প্রশিক্ষণ জানা থাকলে ৩০ বার বুক চাপ দেওয়ার পর দুবার মুখে শ্বাস দিন। প্রশিক্ষণ না থাকলে বা মুখে শ্বাস দিতে না পারলে একটানা বুক চাপ দিতে থাকুন।

এইডি পাওয়া গেলে যন্ত্রটির নির্দেশনা অনুসরণ করুন। চিকিৎসাকর্মী দায়িত্ব নেওয়া, রোগীর স্বাভাবিক শ্বাস ফিরে আসা অথবা শারীরিকভাবে আর চালিয়ে যেতে না পারা পর্যন্ত সিপিআর চালিয়ে যান।

তবে কেউ অচেতন হলেও স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিলে তাঁর বুকের ওপর চাপ দেওয়া উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন এবং শ্বাসপ্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ করুন।

হার্ট অ্যাটাকের কোন লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না?

বুকে ব্যথা বা চাপ, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা কিংবা হঠাৎ দুর্বলতা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। ব্যথা হাত, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে গ্যাস বা বদহজম ভেবে অপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে। দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন। রোগীকে নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেবেন না। অ্যাসপিরিনসহ কোনো ওষুধ দেওয়ার আগে জরুরি সেবার কর্মী বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কেন প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সময় মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয়। এ কারণে দ্রুত সিপিআর শুরু করা এবং প্রয়োজন হলে এইডি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। যত দ্রুত জরুরি চিকিৎসা শুরু করা যায়, রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তত বাড়তে পারে।

পরিবারের সদস্যদের সিপিআর প্রশিক্ষণ থাকলে জরুরি মুহূর্তে তাঁরা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। তবে সিপিআর চূড়ান্ত চিকিৎসার বিকল্প নয়; জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছানো পর্যন্ত এটি জীবন বাঁচানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম