খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

নিরাপত্তাশঙ্কায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি হাজিরা জিয়াউল আহসানের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিরাপত্তাশঙ্কায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি হাজিরা জিয়াউল আহসানের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে তাকে সশরীরে ট্রাইব্যুনালে হাজির না করে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে শুনানি চলাকালে প্রয়োজন হলে মুঠোফোনে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন তিনি। এ জন্য আসামি ও তার আইনজীবীর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জেরা শুরুর দিনে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন জিয়াউল আহসান। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে তার আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহারের আবেদনের শুনানি হয়। পরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শুরুর অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল।

শুনানি শুরুর আগে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম সাংবাদিকদের বলেন, এত দিন জিয়াউল আহসানকে নিয়মিত ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তবে গত ৮ অক্টোবর তার জীবননাশের আশঙ্কার কথা জানিয়ে আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারণে অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে জিয়াউল আহসানকে আনা-নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। আসামির নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে আনা-নেওয়ার আবেদনে আপত্তি জানিয়েছিল প্রসিকিউশন।

তামিম আরও বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে জিয়াউল আহসানকে কারাগারে রেখেই ভার্চ্যুয়ালি হাজিরার আবেদন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল ও কারাগারে অডিও-ভিজ্যুয়াল যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকায় এভাবে শুনানিতে অংশ নেওয়া সম্ভব। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

এদিকে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা শুরুর আগে নাজনীন নাহার আগের একটি আবেদন প্রত্যাহারের বিষয়ে শুনানি করেন। তিনি জানান, জিয়াউল আহসানকে অন্য আসামিদের সঙ্গে একই প্রিজনভ্যানে আনা-নেওয়ার আবেদনটি আর বহাল রাখতে চান না তারা। তাকে একা আনা-নেওয়া করা হলে তাদের আপত্তি নেই। তবে শুনানির সময় জিয়াউল আহসান নিজে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকতে চান।

জবাবে ট্রাইব্যুনাল জানান, গত ৮ অক্টোবর এ বিষয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদেশ দেওয়া হয়েছে। পরে বিকেলে জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে বিষয়টি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে।

তবে নাজনীন নাহার জানান, তারা ওই আদেশ পাননি। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আদেশের বিষয়ে জানতে পারেননি। এ কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের শুরুতে আগের আবেদন প্রত্যাহারের কথা জানান তিনি।

শুনানিতে নাজনীন নাহার বলেন, জিয়াউল আহসান সশরীরে উপস্থিত না থাকলে তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার সময় সম্পূরক প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে তার পরামর্শ নেওয়া কঠিন হবে।

আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেন, ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সময় জিয়াউল আহসানের কাছে একটি মুঠোফোন থাকবে। ট্রাইব্যুনালে থাকা তার আইনজীবীর কাছেও একটি মুঠোফোন থাকবে। প্রয়োজনে ফোন করে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন তিনি।

ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসামি ও তার আইনজীবী হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলতে পারবেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সিম সরবরাহ করবে আসামিপক্ষ। শুনানি চলাকালে প্রয়োজন হলে তারা যোগাযোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া শুনানির দিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আইনজীবী জিয়াউল আহসানের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতে পারবেন। ভার্চ্যুয়াল শুনানির সময় জিয়াউল আহসান হাত তুললে তাকে ট্রাইব্যুনালে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে।

পরে এসব নির্দেশনার মধ্য দিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জেরা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। এ সময় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন জিয়াউল আহসান।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম