খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ, চালু হয়নি সাটিয়াজুরী রেলস্টেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ, চালু হয়নি সাটিয়াজুরী রেলস্টেশন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:  


হবিগঞ্জের বাহুবল ও চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী সাটিয়াজুরী রেলস্টেশনের আধুনিক ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৯ লাখ টাকা। তবে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি স্টেশনটির কার্যক্রম। ফলে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে সরকারি অর্থে নির্মিত স্থাপনা। অন্যদিকে, সন্ধ্যার পর স্টেশন এলাকায় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের আড্ডা বসার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে স্টেশন ভবন। ভাঙছে জানালার কাচ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অবকাঠামো। প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হচ্ছে ধান শুকানোর কাজে। স্টেশন এলাকায় অবাধে বিচরণ করছে গরু-ছাগল। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামলেই নির্জন এলাকায় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের আনাগোনা বাড়ে। দেখভালের ব্যবস্থা না থাকায় সরকারি স্থাপনাটি কার্যত অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নোমান, সাব্বির ও সোহান জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর স্টেশন এলাকায় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের আড্ডা জমে। স্টেশনটি চালু না থাকায় জায়গাটি নির্জন হয়ে পড়েছে। তাঁদের মতে, নিয়মিত ট্রেন চলাচল ও যাত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে স্টেশন এলাকায় মানুষের চলাচল বাড়বে। এতে মাদকের আড্ডা বন্ধ এবং স্থাপনাটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।

জানা গেছে, সাটিয়াজুরী রেলস্টেশনের নতুন ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৮ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মেসার্স পাইওনিয়ার এন্টারপ্রাইজ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। তবে ভবন নির্মাণের পরও স্টেশনটির কার্যক্রম চালু না হওয়ায় সরকারের বিপুল অর্থে তৈরি অবকাঠামো অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।

ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত সাটিয়াজুরী রেলস্টেশন একসময় আশপাশের শতাধিক গ্রামের মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করতেন। কৃষিপণ্য ও ব্যবসায়িক মালামাল পরিবহনেও স্টেশনটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে স্টেশনটি বন্ধ ঘোষণা করা হলে এলাকাবাসী আন্দোলনে নামেন। তাঁদের আন্দোলনের মুখে সাময়িকভাবে স্টেশনটি চালু করা হলেও পরবর্তী সময়ে আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনটি অচল থাকায় বাহুবল ও চুনারুঘাট উপজেলার যাত্রী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিকল্প পরিবহনে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে তাঁদের অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।

স্টেশনটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ হিসেবে ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি এটিকে আধুনিক মডেল স্টেশন হিসেবে সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও ট্রেন চলাচল ও স্টেশন পরিচালনা শুরু না হওয়ায় উদ্যোগটির সুফল পাচ্ছেন না স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় স্থাপনাটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বাহুবল উপজেলা দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, সাটিয়াজুরী রেলস্টেশন দ্রুত চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি লোকাল ট্রেন পুনরায় চালু এবং আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াতব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফুয়াদ হোসেন আনন্দ বলেন, সাটিয়াজুরী স্টেশনটি ‘ডি-ক্লাস’ হওয়ায় অল্প জনবল দিয়েই পরিচালনা করা সম্ভব। তবে এ রুটে লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় তা পুনরায় চালু না হলে স্টেশনটির কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক, যোগফল.কম 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম