খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

ছবি যোগফল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিজিবির সহায়তা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ধর্মীয় উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা যায়।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতিও নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে। গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে পরবর্তী সভার আগেই অন্তত কয়েকটি কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সরকার দ্রুতগতিতে কাজ করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ময়মনসিংহ জেলাকে উন্নত করতে হলে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নির্মূলে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে কৃষি ও সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মকর্তাদের এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সবাইকে জনসম্পৃক্ততা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ময়মনসিংহকে একটি উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহের উন্নয়নে ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, খাদ্যগুদাম নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ এবং বিভিন্ন সরকারি ভবন নির্মাণ ও সংস্কার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভবন সংস্কারের পাশাপাশি পাশে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ময়মনসিংহের প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন। আগামী বছর থেকে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে এর সুফল দৃশ্যমান হবে।
উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ কঠোর। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও উন্নয়নকাজের ওপর নজরদারি রাখবেন, যাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি না ঘটে।
এ সময় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাঁকে শনাক্ত করে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও  ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম