খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

জন্মের তিন দিন পর মা, ৯ বছর বয়সে বাবাকেও হারাল আরফা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জন্মের তিন দিন পর মা, ৯ বছর বয়সে বাবাকেও হারাল আরফা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

জন্মের মাত্র তিন দিনের মাথায় মাকে হারিয়েছিল ৯ বছরের আরিফিন ইসলাম আরফা। মায়ের অভাব যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে, সেই চেষ্টা করে একাই তাকে আগলে রেখেছিলেন বাবা তাজুল ইসলাম। কিন্তু গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে বাবাকেও হারিয়েছে ছোট্ট আরফা।

এখন দাদি ও চাচাদের স্নেহ-ছায়ায় বেড়ে উঠছে মা-বাবাহারা এই শিশু। তবে তাকে ঘিরে পরিবারের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা—আরফার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

মোবাইল ফোনে বাবার সঙ্গে নিজের ছবি দেখাচ্ছিল আরফা। এরপর দেখায় মা-বাবার বিয়ের ছবি। একপর্যায়ে কবরের পাশে তোলা নিজের ছোটবেলার একটি ছবি দেখিয়ে বলে, ‘এটি মায়ের কবর।’ পরে আরেকটি ছবি দেখিয়ে বলে, ‘এটি বাবার কবর।’ সে জানায়, মাকে নানাবাড়িতে এবং বাবাকে বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

মা-বাবার কথা বলতে বলতে প্রিয় বিড়াল ‘ভুতুম’কে কোলে নিয়ে কিছুক্ষণ মন খারাপ ভুলে যায় আরফা। এরপর রংপেনসিল নিয়ে ছবি আঁকতে বসে।

রাজধানীর পশ্চিম রামপুরার একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত আরফা। তাজুল ইসলাম সেখানে একটি মুদিদোকান চালানোর পাশাপাশি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলার ছিলেন। আরফা রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। আগে বাবার সঙ্গে স্কুলে গেলেও এখন দাদির সঙ্গে স্কুলে যায়।

আরফার দাদি সখিনা বেগম ও বড় চাচা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দাদা-দাদি ও চাচারা সবাই আরফার দেখাশোনা করবেন। তবে বাবা বেঁচে থাকলে মেয়েটি যেভাবে বড় হতো, এখন চাইলেও হয়তো সেভাবে বড় করা সম্ভব হবে না। এত অল্প বয়সে মা-বাবা দুজনকে হারানো শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়েই তাদের দুশ্চিন্তা।

শফিকুল ইসলাম বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাজুল ইসলাম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। মেয়ের কথা চিন্তা করে আর বিয়ে করেননি। একাই আরফার মা ও বাবার দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে যক্ষ্মা, করোনা ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলেও নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে খুব একটা সচেতন ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

শফিকুল ইসলাম আরও জানান, মেয়ের ভবিষ্যতের জন্য তাজুল কোনো সঞ্চয় রেখে যেতে পারেননি। তার মৃত্যুর পর পাওনাদাররা টাকা চাইতে আসছেন। একদিকে দেনা পরিশোধের চাপ, অন্যদিকে আরফার ভবিষ্যৎ—সব মিলিয়ে পরিবারটি দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

তাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মারুফা আক্তার দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রেমের সম্পর্কের পর পারিবারিকভাবে ২০১৪ সালে তাদের বিয়ে হয়। ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আরফার জন্মের পর শারীরিক জটিলতায় নড়াইল থেকে যশোরে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে মারা যান মারুফা। পরে পরিবারের সদস্যরা আরফাকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। এরপর দাদি সখিনা বেগম মায়ের মতো আদর-স্নেহে তাকে বড় করে তুলছেন।

সখিনা বেগম বলেন, ‘আমারও তো বয়স হয়েছে। কখন কী হয়। নাতনিটা আরেকটু বড় হলে আমার ছেলেটা মারা গেলে চিন্তা একটু কম হতো। আমার ছেলেরা ভালো জায়গা থেকে পড়াশোনা করেছে, হালাল আয় করে। কিন্তু তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। সরকার বা অন্য কেউ আমার নাতনির পাশে দাঁড়াতে চাইলে আপত্তি করব না।’

বড় চাচা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিন ভাই, এক বোন ছিলাম। তাজুল ছিল ছোট। আমরা তো ভাবতেও পারিনি মশার কামড়ে আমাদের ভাইটা সবার আগে চলে যাবে। সরকার ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণের কথা বলছে, কিন্তু আমরা ফল তো পাচ্ছি না।’

বাবার কথা মনে পড়লে এখনও মন খারাপ হয়ে যায় আরফার। বাবার সঙ্গে দোকানে যাওয়া, ঘুরতে যাওয়া কিংবা বাবার কাছ থেকে টাকা পাওয়ার স্মৃতি মনে করে সে বলে, ‘বাবা ছাড়া কিছুই ভালো লাগে না।’

মা-বাবা দুজনকেই হারিয়ে এখন দাদি-চাচারাই আরফার একমাত্র ভরসা। তাদের স্নেহে শিশুটি বেড়ে উঠবে—এটাই পরিবারের আশা। তবে তার পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি একটি নিরাপদ অবলম্বন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম