খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

সাভারে ইউপি প্রশাসকের বিরুদ্ধে ঘুষসহ নানা অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাভারে ইউপি প্রশাসকের বিরুদ্ধে ঘুষসহ নানা অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকার সাভার উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সেলিম রেজাকে ঘিরে ঘুষ গ্রহণ, নাগরিক সেবায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং একই সময়ে অন্য একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি। ছবিতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে বসে সেলিম রেজাকে টাকা গুনতে দেখা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ছবিতে থাকা অর্থ ঘুষের টাকা কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্র ও একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সেলিম রেজা উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তার মূল কর্মস্থলে নিয়মিত সময় দিচ্ছেন না। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাগ্রহীতার পাশাপাশি ব্যাংকের গ্রাহকরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদ, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতার দাবি, অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে তাদের দিনের পর দিন ঘোরানো হয়।

জামগড় এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী স্থানীয় একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করেন, আগে কয়েকশ টাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা গেলেও বর্তমানে কয়েক হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে রশিদে দেখানো হচ্ছে তুলনামূলক কম টাকা। এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট নথি, রশিদ ও আর্থিক লেনদেন যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফজাল হোসেন এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকারী এক অ্যাসেট নির্ধারককে ঘিরেও বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। শিল্পকারখানার আয়তন কম দেখিয়ে সরকারি কর কম নির্ধারণ, বিভিন্ন সেবায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং কথিত দালালদের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়, সরকারি বরাদ্দ, প্রকল্পের অর্থ, ব্যাংক হিসাব ও ভাউচার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এসব নথি স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট হতে পারে।

অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—একজন সরকারি কর্মচারী একই সময়ে কীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব এবং পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের চাকরি করছেন। তার নিয়োগ বা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের অনুমোদন, দায়িত্ব পালনের সময়সূচি এবং মূল কর্মস্থলে উপস্থিতির রেকর্ড যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
তবে অভিযোগ উঠলেই কাউকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্ত।

এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব, সেবা প্রদানের রেজিস্টার, ট্রেড লাইসেন্সের রেকর্ড, কর নির্ধারণের নথি, ব্যাংকে উপস্থিতির রেকর্ড এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সেলিম রেজার বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। অন্যদিকে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিক তদন্তের আওতায় আসে কি না এবং তদন্তে কী তথ্য বেরিয়ে আসে—সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

যোগফল অনলাইন 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম