খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

২৪ বছর পড়াশোনার বাইরে থাকার পর আবারও মেডিকেল কলেজে ফিরে এসে ৫১ বছর বয়সে এমবিবিএস পাস করেছেন মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। দীর্ঘ বিরতি, পারিবারিক নানা সংকট ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তাঁর এই অর্জন এখন অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় গত ১ সেপ্টেম্বর। ওই পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন হাবিবুল্লাহ।

হাবিবুল্লাহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ‘কে-৫৩’ ব্যাচের (১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী ২০০২ সালে তাঁর এমবিবিএস পাস করার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় পড়াশোনা থেমে যায়। দীর্ঘ ২৪ বছর পর তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করে ২০২৬ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

হাবিবুল্লাহ জানান, মেডিকেলে পড়ার শুরুতে তাঁর ফলাফল ভালোই ছিল। একপর্যায়ে এক শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে পারিবারিক সমস্যাও চলছিল। জুনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করতে হওয়ায় তিনি মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। একসময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তাঁর বাবা আবু বক্কর সিদ্দিকও ছিলেন চিকিৎসক। তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বড় পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনও হাবিবুল্লাহর জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর বাবা ২০০০ সালে এবং মা ২০১৬ সালে মারা যান।

আবারও মেডিকেলে ফেরার সিদ্ধান্ত

২০২৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের তৎকালীন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলুর সঙ্গে দেখা করেন হাবিবুল্লাহ। তখন তিনি দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে আবার মেডিকেলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শেষ করার আগ্রহের কথা জানান।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ভর্তি হতে তাঁর প্রায় দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রয়োজন হয়। নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি বন্ধু, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এরপর নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের পর অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি ২৪ বছর পর হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের বিষয়টি উল্লেখ করে তাঁর অধ্যবসায়ের প্রশংসা করেন।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ বলেন, হাবিবুল্লাহর ইচ্ছাশক্তির পাশাপাশি তাঁর বন্ধু ও শিক্ষকেরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ কারণেই এত দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর পক্ষে পড়াশোনা শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এখন ইন্টার্নশিপের অপেক্ষায় আছেন হাবিবুল্লাহ। এরপর সাইকিয়াট্রি বা মনোরোগবিদ্যায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

নিজের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পর্কে হাবিবুল্লাহ বলেন, তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন এবং নিজেকেই বারবার উৎসাহ দিয়েছেন। বন্ধু, সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহযোগিতা তাঁকে পথ চলতে সাহস জুগিয়েছে।

তাঁর এই অর্জনকে ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ বিরতির পরও লক্ষ্য ঠিক রেখে চেষ্টা করলে অসম্ভব বলে কিছু নেই—হাবিবুল্লাহর গল্প যেন সেই বার্তাই দেয়।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ মনে করেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কেউ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে পড়লে শিক্ষকদের আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর মেন্টরশিপ ও তত্ত্বাবধান থাকলে অনেকেই আবার মূল ধারায় ফিরতে পারবেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ১১

 যোগফল প্রতিবেদক:

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহ জেলায় ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাবাতিয়েহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

কাফর রেম্মানে মধ্যরাতের পর একটি তিনতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালায়। এতে দুই শিশুসহ নয়জন নিহত এবং পাঁচজন আহত হন।

একই এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলে ইসলামিক রিসালা স্কাউট অ্যাসোসিয়েশনের দুই প্যারামেডিক নিহত হন। সংগঠনটি লেবাননে জরুরি চিকিৎসা ও উদ্ধার কার্যক্রমে কাজ করে।

এ ছাড়া নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও আরবসালিম এলাকাতেও একাধিক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে।

দেইর আল-জাহরানি এলাকায় রাতের দিকে একটি ভবন ও আশপাশের কয়েকটি স্থাপনার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তাদের ভবনটি থেকে অন্তত ৩০০ মিটার দূরে চলে যেতে বলা হয়। নির্দেশ দেওয়ার প্রায় ২২ মিনিট পর ভবনটিতে বিমান হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করা হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ভবনটি হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তাদের অভিযোগ, হিজবুল্লাহ বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাঠিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৪ হাজার ৩৬২ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৩৭৮ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে যুদ্ধবিরতি কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ৫ হাজারের বেশি হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। লেবাননের এক সামরিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক বিপিসি বাংলা

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে উদ্ধার ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে উদ্ধার ৫

যোগফল প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা পাঁচজনকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে চারজন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। অপর একজন টেকনাফ এলাকার বাসিন্দা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ)-এর একটি দল।

অভিযানকারী দল মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় নুরুল কবিরের বসতবাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছালে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মানব পাচারের শিকার পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা পাচারকারীরা আর্থিক সুবিধা লাভের পাশাপাশি জবরদস্তিমূলক শ্রম ও সেবা আদায়ের উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগীদের নৌকায় সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা করেছিল। এ উদ্দেশ্যে তাদের ওই এলাকায় একত্রিত করা হয়।

উদ্ধার হওয়া পাঁচজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তি রক্ষায় নতুন আইনি সুরক্ষা দেবে: রুমিন ফারহানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তি রক্ষায় নতুন আইনি সুরক্ষা দেবে: রুমিন ফারহানা

 যোগফল প্রতিবেদক:

সম্পত্তি সন্তানদের নামে হস্তান্তর করার পরও যাতে বৃদ্ধ বাবা-মা জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করতে পারেন, সে সুযোগ রেখে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই সংশোধনী দেশের অসংখ্য বৃদ্ধ বাবা-মাকে স্বস্তি দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক পরিবারে দেখা যায়, বাবা-মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি নেওয়ার পর তাদেরই বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত আইনে দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ থাকায় এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বিধানটি বাংলাদেশের অসংখ্য বাবা-মাকে জীবনের শেষ সময়ে নিরাপত্তা ও স্বস্তি দেবে। একই সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

পরিবারের সবচেয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ায় আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানান রুমিন ফারহানা।

কেন আনা হচ্ছে সংশোধনী

বৃদ্ধ বাবা-মা জীবিত অবস্থায় সন্তান, নাতি-নাতনি কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কাছে সম্পত্তি দান করার পর অনেক সময় ওই সম্পত্তিতে নিজেদের বসবাস ও ভোগদখলের অধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে নিজের বসতভিটা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই সমস্যা দূর করতেই সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নতুন বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গত ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

দান করেও সম্পত্তি ভোগের অধিকার

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বিদ্যমান সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-তে নতুন ১২২এ ও ১২২বি ধারা যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

১২২এ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। বাবা-মা থেকে সন্তান বা নাতি-নাতনির মধ্যে, নাতি-নাতনি থেকে পূর্ববর্তী প্রজন্মের মধ্যেও এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের হস্তান্তর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে করতে হবে।

প্রস্তাবিত আইনে আরও বলা হয়েছে, দাতা জীবিত থাকা অবস্থায় সম্পত্তির গ্রহীতা মারা গেলেও দাতার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার বহাল থাকবে।

বিশেষ পরিস্থিতিতে অধিকার পরিবর্তনের সুযোগ

আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজন দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে দাতার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে।

কোনো পক্ষ অপ্রাপ্তবয়স্ক, নিখোঁজ, মানসিকভাবে অক্ষম বা আইনগতভাবে অক্ষম হলে জেলা জজের অনুমোদনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত ১২২এ(৪) উপধারায় বলা হয়েছে, এই ধারার অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে প্রচলিত দান, হেবা বা অন্য কোনো বৈধ সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতির বৈধতা ক্ষুণ্ন হবে না।

কমতে পারে পারিবারিক বিরোধ

সংশোধনীটি কার্যকর হলে বাবা-মা সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সম্পত্তি দান করলেও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই সম্পত্তিতে বসবাস ও ভোগদখলের অধিকার ধরে রাখতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তিগত নিরাপত্তা বাড়ার পাশাপাশি সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ ও ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম