খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

যোগফল প্রতিবেদক:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্যতম। ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে তার সন্ধান পাওয়া যায়।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দীর্ঘদিন আগের সেই আলোচিত ঘটনার নানা তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। গুম হওয়ার আগে সালাহউদ্দিন আহমদ কোথায় ছিলেন, কীভাবে তাকে উত্তরার ওই ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার দিন সেখানে কী ঘটেছিল—এসব বিষয়ে চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটের মালিক ও তার ঘনিষ্ঠজন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

২০১৫ সালের শুরুতে বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনের বিষয়ে বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা দিতেন।

সৈয়দ হাবিব হাসনাতের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সালাহউদ্দিন আহমদকে খুঁজছিল। নিরাপত্তার কারণে তিনি গুলশানের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে অবস্থান পরিবর্তন করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

হাবিব হাসনাত জানান, গুলশান এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর সালাহউদ্দিনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একদিন দুপুরে সালাহউদ্দিন তাকে ফোন করে দ্রুত গুলশান ছাড়ার কথা জানান এবং তার উত্তরার ফ্ল্যাটে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পরে বিকেলে হাবিব হাসনাত নিজেই গাড়ি নিয়ে গুলশান থেকে সালাহউদ্দিনকে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়ালও ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তারা পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে উত্তরায় পৌঁছান।

উত্তরার ফ্ল্যাটে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ এড়াতে হাবিব হাসনাত কৌশলের আশ্রয় নেন। তিনি দারোয়ানকে বাইরে পাঠিয়ে সালাহউদ্দিন ও তাবিথ আউয়ালকে দ্রুত ফ্ল্যাটে উঠিয়ে দেন। সেখানে আগে থেকেই একজন বাবুর্চি ও সহকারীকে রাখা হয়েছিল।

হাবিব হাসনাতের দাবি, এরপর ওই ফ্ল্যাট থেকেই সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা পাঠাতেন।

১০ মার্চের সেই রাত

হাবিব হাসনাতের বর্ণনা অনুযায়ী, ১০ মার্চ সন্ধ্যার পর তিনি উত্তরার ওই এলাকায় গেলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখতে পান। কয়েকটি সড়কের বাতি বন্ধ ছিল, দোকানপাটও ছিল বন্ধ। এমনকি এলাকার খেলার মাঠগুলোতেও সাধারণ সময়ের মতো মানুষের উপস্থিতি ছিল না।

বাড়ির কাছে গিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখতে পান। বাড়ির ভেতরে ঢুকে তিনি দারোয়ানকে মনমরা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ফ্ল্যাটের দরজার কাছে গিয়ে দেখতে পান, দরজা ভাঙা।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে থাকা বাবুর্চি ও সহকারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ‘মেহমানকে তুলে নিয়ে গেছে।’

এরপর নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত হয়ে পড়েন হাবিব হাসনাত। তিনি দ্রুত দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দরে চলে যান। পরে দুবাই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উত্তরার থানার তৎকালীন ওসির ফোন পান বলে দাবি করেন তিনি।

বিদেশে গিয়েও নীরব থাকার হুমকি

হাবিব হাসনাত জানান, পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল।

তার দাবি, সালাহউদ্দিনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নেয়নি—তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। বরং তিনি আত্মগোপনে গেছেন বলে প্রচার করা হয়।

হাবিব হাসনাত বলেন, একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বা দুবাইয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সালাহউদ্দিনকে তার উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তবে পরে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে তাকে চুপ থাকার জন্য ফোনে হুমকি দেওয়া হয় বলে তার দাবি। এরপর তিনি আর সংবাদ সম্মেলন করেননি।

গুমের আগে কয়েক দফা অভিযান

সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার আগে ৭ মার্চ তার দুই চালক শফিক ও খোকন এবং ব্যক্তিগত সহকারী ওসমান গণিকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ৮ মার্চ সালাহউদ্দিনের সন্ধানে গুলশানের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এবং ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ফ্ল্যাটে র‍্যাব তল্লাশি চালায়। ওই অফিস ও ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

এরপর ১০ মার্চ উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর আগে গুলশানে তিনি যে বাসায় অবস্থান করছিলেন, সেখানেও একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ঘটনার পর ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তাকর্মীদের বরাতে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, সালাহউদ্দিনকে তুলে নেওয়ার সময় ওই এলাকার কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি পিকআপ অবস্থান করছিল। তবে তাকে কারা তুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে সে সময় সরকারি কোনো সংস্থা দায় স্বীকার করেনি।

৬২ দিন পর শিলংয়ে সন্ধান

২০১৫ সালের ১০ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৬২ দিন পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমদের সন্ধান পাওয়া যায়। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সে সময় বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

তবে তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও দেওয়া হয়েছিল। সে সময় শেখ হাসিনা এবং সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি দাবি করেছিলেন, সালাহউদ্দিন আত্মগোপনে থাকতে পারেন।

অন্যদিকে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু থেকেই দাবি করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদের নিখোঁজ ও পরে ভারতে সন্ধান পাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল আলোচিত একটি ঘটনা হয়ে আছে। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রেক্ষাপটে সেই ঘটনার নতুন বর্ণনা আবারও সামনে আনল দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ, চুক্তি কত বছর?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ, চুক্তি কত বছর?

 যোগফল প্রতিবেদক:

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে অ্যাস্টন ভিলা থেকে দলে ভিড়িয়েছে চেলসি। ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।

রোববার (৩০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মার্টিনেজকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে চেলসি। তবে দলবদলের আর্থিক অঙ্ক প্রকাশ করেনি তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মার্টিনেজকে পেতে প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে চেলসি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

চেলসিতে যোগ দিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন মার্টিনেজ। তিনি বলেন, নতুন ক্লাবে সফল হতে চান এবং প্রতিটি ম্যাচে জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামবেন। চেলসির মতো শিরোপাপ্রত্যাশী ক্লাবে সেই মানসিকতা কাজে লাগাতে চান তিনি।

অ্যাস্টন ভিলায় প্রায় ছয় বছর কাটানোর পর এবার নতুন ঠিকানায় পাড়ি জমালেন মার্টিনেজ। ২০২০ সালে আর্সেনাল থেকে ভিলায় যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে ২৫৬ ম্যাচে গোলবার সামলেছেন তিনি। এই সময়ে প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

গত মৌসুমেও অ্যাস্টন ভিলার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মার্টিনেজের। উনাই এমেরির দল প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নেয় এবং ইউরোপা লিগের শিরোপাও জেতে।

চেলসিতে অবশ্য সরাসরি মূল একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয় মার্টিনেজের। প্রথম পছন্দের গোলরক্ষকের জায়গার জন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে রবার্ট সানচেজের সঙ্গে। ২০২৩ সালে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন থেকে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সানচেজই নিয়মিত প্রথম পছন্দ ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক ম্যাচে কিছু ভুলের পর তার একাদশে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়েও মার্টিনেজের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাতেও শিরোপা জিতেছেন তিনি।

মার্টিনেজের চেলসিতে যোগ দেওয়ায় অ্যাস্টন ভিলার দলেও বড় পরিবর্তন এসেছে। এর আগে ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন মরগান রজার্স। পাশাপাশি ইউরি তিলেমানস, জ্যাডন সানচো, ডগলাস লুইজ ও লুকাস দিনেও ক্লাব ছেড়েছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

 যোগফল প্রতিবেদক:

লিঙ্গ রূপান্তরের পর অবশেষে নারীদের ক্রিকেটে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পাওয়ার পর অনয়ার সামনে খুলেছে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার নতুন সুযোগ। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা এবং দেশকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়া।

বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে নারী ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়নি। এ বিষয়ে অনয়া আশাবাদী, ভবিষ্যতে ভারতীয় বোর্ড বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে এবং তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করবে।

এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, তিনি আশা করেন বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাবেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাকেই তিনি নিজের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অনয়া বলেন, রূপান্তরের পর বোর্ডের নীরবতা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। তিনি জানতেন, লিঙ্গ রূপান্তরের পর ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তার আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একটি স্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনুমোদনের ফলে অনয়া এখন নারীদের ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলেও ভারতের জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে তাকে এখনও বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা আব্বাস জানান, মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো। দেশে ফেরার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ছিলেন এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ফেরার তাগাদা দিয়ে আসছিলেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে চিকিৎসক বোর্ড তাকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও তার চিকিৎসা চলমান থাকবে। প্রতিদিন তাকে থেরাপি নিতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি ফিজিওথেরাপি নেন।

এরও আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম