খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৃদ্ধাকে আশ্রয় দিতে গিয়ে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, ফের আলোচনায় মিল্টন সমাদ্দার

যোগফল প্রতিবেদক:

মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হয়ে ওঠা মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে এবার এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এক বৃদ্ধ নারীকে আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার পর ওই সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী সাংবাদিকের নাম নাহিদ হাসান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে কাজ করেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

নাহিদের দাবি, এক বৃদ্ধ নারীর চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে তিনি কয়েক দিন ধরে কাজ করছিলেন। মানুষের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা সংগ্রহ করে ওই নারীকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে মিল্টন সমাদ্দারের পরিচালিত ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ প্রতিষ্ঠানে তাঁকে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নাহিদ জানান, শুরুতে ওই নারীকে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেই অর্থ দিতে রাজিও ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি ওই নারীকে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।

পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মিল্টন সমাদ্দার নাহিদকে জিডি নিয়ে আসার কথা বলেন এবং বৃদ্ধাকে আশ্রয় দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন তিনি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নাহিদ ওই নারীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

নাহিদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ২টা ৩৩ মিনিটের দিকে তাঁরা প্রতিষ্ঠানটিতে পৌঁছান। সেখানে প্রথমে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার দেবাশীষের সঙ্গে কথা হয়। কিছুক্ষণ পর মিল্টন সমাদ্দার সেখানে আসেন।

নাহিদের অভিযোগ, কথা বলার একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টের কারণে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। পরে মিল্টন সমাদ্দার তাঁর ওপর হামলা করেন এবং চোখে আঘাত করেন। তাঁর গেঞ্জি ধরে চড় মারা হয় এবং এতে বুকে আঘাত লাগে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় তাঁকে ছাড়াতে এগিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানের কর্মী দেবাশীষও তাঁর গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ নাহিদের। এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বলে জানান তিনি। তাঁর সঙ্গে থাকা ইলিয়াস নামের আরেক ব্যক্তিকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন নাহিদ।

নাহিদের আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন লোক থাকলেও তাঁরা ছিলেন মাত্র তিনজন। প্রতিষ্ঠানটি নির্জন এলাকায় হওয়ায় এবং বের হওয়ার রাস্তা সীমিত থাকায় তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

নাহিদ জানান, সেখানে যাওয়ার আগে পরিবেশ নিয়ে আশঙ্কা হওয়ায় তিনি পরিচিত কয়েকজনকে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে রেখেছিলেন। পাশাপাশি মোবাইলে অডিও রেকর্ডও চালু রেখেছিলেন। পুরো ঘটনার অডিও রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে কোনো অর্থ চাওয়া হয়নি—এমন বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি তাঁর।

পরে বৃদ্ধা নারীকে ওই প্রতিষ্ঠানে রেখে তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সেখানে চোখ পরীক্ষা ও এক্স-রে করানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন বলে জানান নাহিদ।

এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি প্রকাশ করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে মিল্টন সমাদ্দার ২০২৪ সালে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে মানবিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে অনিয়ম, ডেথ সার্টিফিকেট জালিয়াতি, মানবপাচার, জমি দখলসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

তবে বর্তমান ঘটনায় ওঠা সাংবাদিককে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের বিষয়ে মিল্টন সমাদ্দারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম