খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক, ১৪৩৩

অবহেলিত মাতামুহুরী এখন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন কেন্দ্র

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অবহেলিত মাতামুহুরী এখন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন কেন্দ্র

যোগফল প্রতিবেদক:

প্রকৃতি যেন তার সব সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায়। একদিকে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ, অন্যদিকে নীল জলে বাগদা চিংড়ির চাষ। এর মাঝেই ধান ও সরিষার সবুজ-সোনালি ফসলের সমারোহ। নদী, উপকূল, কৃষি, মৎস্য ও লবণ—সব মিলিয়ে মাতামুহুরী হয়ে উঠতে পারে দেশের উপকূলীয় অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।

চকরিয়া উপজেলা থেকে পৃথক হয়ে গড়ে ওঠা মাতামুহুরীর অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি, চিংড়ি ও মৎস্যচাষ, লবণ উৎপাদন এবং উপকূলীয় ব্যবসা। বিশেষ করে চিংড়ি চাষ দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানকার উৎপাদিত বাগদা চিংড়ি দেশের বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশের বাজারেও যাচ্ছে।

জানা যায়, ষাটের দশকে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর সত্তরের দশকে লোনাপানি আটকে চিংড়ি চাষ শুরু হয়। ১৯৭৬ সালে এ এলাকায় আধুনিক পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষের সূচনা হয়। পরে ১৯৭৮ সালে সরকারি জমি বন্দোবস্ত এবং ১৯৮২ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এ অঞ্চলে চিংড়ি চাষ আরও বিস্তৃত হয়।

বর্তমানে মাতামুহুরীর চিংড়ি দেশের বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রপ্তানি হচ্ছে। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ দেশের লবণের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছে। ফলে কৃষি ও মৎস্যের পাশাপাশি লবণ শিল্পও এ অঞ্চলের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি।

তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। মাতামুহুরী নদী স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম উৎস হলেও বর্ষায় পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। নোনা পানি ঢুকে কৃষিজমির ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিংড়িঘের। এ উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার ১৫৮ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এসব কৃষিজমি ক্রমেই নানা ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

চিংড়ি চাষেও রয়েছে একাধিক সমস্যা। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, রোগবালাই ও মড়ক, বাজারদরের ওঠানামা, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব এবং ঘেরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন অনেক চাষি।

চিংড়িচাষি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, চিংড়ি চাষে মাতামুহুরীর সম্ভাবনা অনেক। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি ঘেরের নিরাপত্তা নিয়েও আতঙ্কে থাকতে হয়। তার অভিযোগ, কখনো কখনো দুর্বৃত্তরা ঘেরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ অবস্থায় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি চাষিদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা চান তিনি।

সাহারবিল ইউনিয়নের কৃষক বেলাল উদ্দিন বলেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। নদীর বাঁধ সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা করা গেলে কৃষকদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানাজ ফেরদৌসী বলেন, কৃষকদের জলবায়ু-সহনশীল বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ফসল রক্ষায় মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন বলেন, মৎস্য ও চিংড়ি খাতে মাতামুহুরীর ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে এ খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, চলতি লবণ মৌসুম শেষ হওয়ায় মাতামুহুরী উপজেলার লবণ উৎপাদনের তথ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। আগামী মৌসুম থেকে এ উপজেলার উৎপাদনের তথ্য আলাদাভাবে পাওয়া যাবে। তবে মাতামুহুরী পৃথক উপজেলা হওয়ার আগে পুরো চকরিয়া উপজেলায় ২০২৫-২৬ মৌসুমে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়েছে।

দীর্ঘদিন চকরিয়া উপজেলার ওপর প্রশাসনিকভাবে নির্ভরশীল থাকার পর মাতামুহুরী পৃথক উপজেলা হওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। সাত ইউনিয়নের প্রায় তিন লাখ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার ফলে যোগাযোগ, অবকাঠামো, সরকারি সেবা ও বিনিয়োগে গতি আসবে।

সচেতন মহলের মতে, শুধু প্রশাসনিক মর্যাদা পেলেই মাতামুহুরীর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত হবে না। কৃষি, মৎস্য ও লবণভিত্তিক অর্থনীতিকে টেকসই করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা। স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং নদী-জলাশয় ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সঠিক পরিকল্পনা, সরকারি বিনিয়োগ ও প্রশাসনিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে নদী, উপকূল, কৃষি ও মৎস্যসম্পদে সমৃদ্ধ মাতামুহুরী ভবিষ্যতে দেশের উপকূলীয় ব্লু ইকোনমির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম