খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

মাইক্রোপ্লাস্টিক কী? কীভাবে কমাবেন শরীরে এর প্রবেশ?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাইক্রোপ্লাস্টিক কী? কীভাবে কমাবেন শরীরে এর প্রবেশ?

ছবি: সংগৃহীত

সকালে দাঁত ব্রাশ করা, বোতলজাত পানি পান, প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রাখা কিংবা ধুলাবালির মধ্যে চলাফেরা—দৈনন্দিন জীবনের এমন সাধারণ অভ্যাসের মধ্য দিয়েই অজান্তে শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে পরিচিত। খালি চোখে দেখা না গেলেও বিজ্ঞানীদের মতে, এই ক্ষুদ্র কণাগুলো পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্রমেই বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় মানুষের রক্ত, ফুসফুস, যকৃত, প্লাসেন্টা এমনকি মস্তিষ্কের টিস্যুতেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশেও সম্প্রতি বাজারে বিক্রি হওয়া কয়েকটি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক কী?

সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের কম আকারের প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এদের আকার এতটাই ছোট যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়।

মাইক্রোপ্লাস্টিক মূলত দুই ধরনের। এক ধরনের কণা শুরু থেকেই ক্ষুদ্র আকারে তৈরি করা হয়, যা কিছু প্রসাধনী ও শিল্পপণ্যে ব্যবহৃত হয়। অন্য ধরনের কণা তৈরি হয় প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাদ্য মোড়ক, গাড়ির টায়ার ও সিনথেটিক কাপড়ের মতো প্লাস্টিকজাত পণ্য দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হওয়ার মাধ্যমে।

কীভাবে শরীরে প্রবেশ করে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রধানত তিনটি পথে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে—

  • খাবারের মাধ্যমে
  • পানির মাধ্যমে
  • শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে

গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, ঝিনুক, লবণ, বোতলজাত ও কলের পানি, চা-ব্যাগ, কিছু টুথপেস্ট এবং প্রসাধনীতে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। এছাড়া বাতাসে ভেসে থাকা সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণাও শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে।

কেন উদ্বেগ বাড়ছে?

একসময় মাইক্রোপ্লাস্টিককে শুধু পরিবেশ দূষণের সমস্যা হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়।

গবেষকদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিকের সঙ্গে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থও শরীরে প্রবেশ করতে পারে, যা হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় এর সঙ্গে প্রদাহ, কোষের ক্ষতি, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, প্রজননস্বাস্থ্যের সমস্যা, অন্ত্রের জীবাণুর ভারসাম্যহীনতা এবং হৃদ্‌রোগের সম্ভাব্য সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে মানুষের শরীরে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিকের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো সম্ভব?

বর্তমান বাস্তবতায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব না হলেও কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে শরীরে এর প্রবেশ অনেকটাই কমানো যেতে পারে।

  • প্লাস্টিকের বদলে কাচ বা স্টেইনলেস স্টিলের বোতল ও খাবারের পাত্র ব্যবহার করুন।
  • গরম খাবার কখনো প্লাস্টিকের পাত্রে রাখবেন না বা প্লাস্টিকে গরম করবেন না।
  • একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমান।
  • নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
  • ঘরের ধুলাবালি নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।
  • সিনথেটিক কাপড়ের পরিবর্তে সুতি ও প্রাকৃতিক তন্তুর পোশাক ব্যবহার করুন।
  • টুথপেস্ট ও প্রসাধনী কেনার আগে উপাদান সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ব্যক্তিগত সচেতনতা নয়, প্লাস্টিক উৎপাদন ও ব্যবহারে কার্যকর নীতিমালা, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিল্পকারখানার ওপর কঠোর নজরদারি এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোও জরুরি।

বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা, মাইক্রোপ্লাস্টিক চোখে দেখা না গেলেও এর প্রভাব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম