খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে দাতা সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নবলোক পরিষদের সহযোগিতায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ক্যাম্পেইন উপলক্ষে টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নবপল্লীসহ পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পাইকগাছা সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশে এবং শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়।

ক্যাম্পেইন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক প্যানেল মেয়র এসএম ইমদাদুল হক, পৌরসভা জামায়াতের আমির ডা. জিএম আসাদুল হক, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের প্রতিনিধি সুমন সাহা ও নিপু খানম, প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, সেলিনা পারভীন, অ্যাডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, তুষার কান্তি মণ্ডল, সেলিম রেজা লাকি, ইলিয়াস হোসেন, এম আব্দুস সামাদ, মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান, আলহাজ্ব মুরশাফুল আলম, মাওলানা আব্দুল কাদীর, গাজী আব্দুস সামাদ, শফিকুল ইসলাম, নবলোক পরিষদের ওমর ফারুক জুয়েল, বিএম নাহিদ হাসান, কাজী ফারহানা আফরোজ ও মুক্তা বিশ্বাস।

পৌরসভার প্রধান সহকারী জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। তাই পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তরুণ উদ্যোক্তাদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। এ পরিস্থিতিতে সরকারের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় ঋণ দেওয়ার নামে কাউকে টাকা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে ‘উদ্যোগ’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে, উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর আওতায় ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিছু ব্যক্তি বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘উদ্যোগ’ নামে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজ বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট নেই। এ নামে ভুয়া পেজ বা অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালানো হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে অর্থায়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি-উদ্যোগ (UDYOG)’।

এ কর্মসূচির আওতায় তরুণ উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন পাবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ এবং সমপরিমাণ অর্থ এককালীন অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একই সঙ্গে বিতরণ করা হবে।

দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ কর্মসূচির অর্থায়নসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রথম পর্যায়ে আট জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। পরে গত ১ নভেম্বর থেকে অবশিষ্ট ৫৬ জেলার উদ্যোক্তাদের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তরুণ উদ্যোক্তাদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র। এ পরিস্থিতিতে সরকারের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় ঋণ দেওয়ার নামে কাউকে টাকা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে ‘উদ্যোগ’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে, উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর আওতায় ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিছু ব্যক্তি বিকাশসহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘উদ্যোগ’ নামে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজ বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট নেই। এ নামে ভুয়া পেজ বা অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালানো হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত আইনসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে অর্থায়ন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে ‘উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি-উদ্যোগ (UDYOG)’।

এ কর্মসূচির আওতায় তরুণ উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন পাবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ এবং সমপরিমাণ অর্থ এককালীন অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একই সঙ্গে বিতরণ করা হবে।

দেশের প্রতিটি প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় তরুণদের খুঁজে বের করে অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ কর্মসূচির অর্থায়নসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রথম পর্যায়ে আট জেলার তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। পরে গত ১ নভেম্বর থেকে অবশিষ্ট ৫৬ জেলার উদ্যোক্তাদের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় যুবকের বিরু/দ্ধে!

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় যুবকের বিরু/দ্ধে!

ছবিতে মালেক

মো: সজিব : গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি

১৫ দিনেও ফেরত মেলেনি টাকা, যোগাযোগ করা হলে ফেরত দেওয়ার আশ্বাস অভিযুক্তের; অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির প্রশ্ন সরকারি ভাতার টাকাও কি নিরাপদ নয়?

রাজবাড়ী ইউনিয়নের দলজোড় গ্রামের আব্দুল মালেক নামের (৫৫) বছর বয়সী এক অসহায় বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার ২ হাজার ৮০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মালেক নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত মালেক স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী। ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বৃদ্ধের মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সেখান থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করে নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী বৃদ্ধ মালেকের বক্তব্য অনুযায়ী, একদিন রাজাবাড়ী ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের আটা নিতে গেলে অভিযুক্ত মালেকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। কথার একপর্যায়ে অভিযুক্ত বলেন, 'আপনার নাম মালেক, আমার নামও মালেক। তাহলে আমরা তো মিতা।' এভাবেই তাঁদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে অভিযুক্ত মালেক ওই বৃদ্ধের বাড়িতে গিয়ে বলেন, সরকারিভাবে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়া হবে। এ জন্য তাঁর মোবাইল ফোনটি দিতে হবে। সরল বিশ্বাসে বৃদ্ধ মোবাইল ফোনটি তাঁর হাতে তুলে দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরই মোবাইলে আসা বয়স্ক ভাতার ২ হাজার ৮০ টাকা অন্য একটি নম্বরে ট্রান্সফার করে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী বৃদ্ধ ও তাঁর স্ত্রী রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীরের কাছে বিষয়টি জানান। ইউপি সদস্য অভিযুক্ত মালেকের সঙ্গে কথা বলে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার প্রায় ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত পাননি তাঁরা। বারবার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের ঘোরানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে আজ ভুক্তভোগী বৃদ্ধ ও তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তাঁরা ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে তাঁদের টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানান।

অন্যদিকে অভিযুক্ত মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি সেই টাকা ফেরত দেননি।

এ ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোনটি অভিযুক্ত অন্য একজনের কাছে দিয়ে দেন এবং ওই ব্যক্তির মাধ্যমে মোবাইলটি গ্রহণ বা রিসিভ করান। বিষয়টি নিয়েও তাঁদের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা হলে শাহানুর সরকার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, অভিযুক্তকে যেখানে পাওয়া যাবে, তাঁকে আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, সরকারি বয়স্ক ভাতার মতো একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ যদি ফ্যামিলি কার্ডের প্রলো/ভন দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে, তাহলে অসহায় ভাতাভোগীরা কীভাবে নিরাপদ থাকবেন? একজন বৃদ্ধ মানুষের কাছে ২ হাজার ৮০ টাকা হয়তো কারও কাছে সামান্য অর্থ, কিন্তু তাঁর জীবনযাপনের জন্য এই টাকাই অনেক বড় সহায়তা।

প্রশাসনের কাছে দাবি, ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে বয়স্ক ভাতার টাকা কোথায় এবং কার নম্বরে স্থানান্তর করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং ভুক্ত/ভোগী বৃদ্ধের টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

সরকারি সুবিধার নাম ব্যবহার করে অসহায় মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে একজন বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এখন এলাকাবাসীর দাবি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মালেক মুঠোফোনে ঘটনাটি মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং কোন নম্বরে টাকা ট্রান্সফার করেছেন তা জানতে চান।