খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিলোমিটার যানজট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিলোমিটার যানজট

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা।

সকাল থেকে কোনাবাড়ী, মৌচাক, সফিপুর ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালে পল্লী বিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকায় অর্ধশতাধিক যানবাহনের কাচ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভাঙচুর করা হয়। এ সময় দু-একটি দোকানেও হামলার ঘটনা ঘটে। তবে সেগুলোর তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। এ দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন তারা। নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর ঘোষণা না আসায় সোমবার সকাল থেকে আবারও মহাসড়কে নামেন শ্রমিকরা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা মাঠে নামলে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থান ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় অনেক বিক্ষোভকারী ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তবে থেমে থেমে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা আবারও সড়কে অবস্থান নিচ্ছেন।

এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে রয়েছেন। গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। তারা বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে কাজ করছেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকাল থেকেই শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশ একদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে অন্যদিকে শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন। সকালের দিকে পরিস্থিতি অনেক বেশি উত্তপ্ত ছিল এবং মহাসড়কে শ্রমিকদের উপস্থিতিও ছিল বেশি। বর্তমানে তাদের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

১৩৭ সাপ কোথায় অবমুক্ত হবে, সিদ্ধান্তহীনতায় হবিগঞ্জ বন বিভাগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৩৭ সাপ কোথায় অবমুক্ত হবে, সিদ্ধান্তহীনতায় হবিগঞ্জ বন বিভাগ

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একসঙ্গে ১৩৭টি বিষধর ও নির্বিষ সাপ কোথায় অবমুক্ত করা হবে, তা নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে হবিগঞ্জ বন বিভাগ। বিপুলসংখ্যক সাপ একসঙ্গে অবমুক্ত করা হলে তা মানুষের জন্য হুমকি তৈরি করবে কি না, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

জানা যায়, গত ২ নভেম্বর সকালে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য রবি কাস্তা জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঘরবাড়ি ও লোকালয় থেকে সাপগুলো উদ্ধার করেন। পরে তিনি সাপগুলো হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন। সেগুলো রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তবে পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে রেমা-কালেঙ্গায় সাপগুলো অবমুক্ত না করে হবিগঞ্জ বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

বর্তমানে বন বিভাগের হেফাজতে থাকা ১৩৭টি সাপের মধ্যে রয়েছে পদ্ম গোখরা ৭০টি, খৈয়া গোখরা ৬০টি, দাঁড়াশ ৫টি, মা দাঁড়াশ ১টি, মা খৈয়া গোখরা ১টি এবং ডিম ৫টি। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দাঁড়াশ ছাড়া বাকি সবগুলো সাপই অত্যন্ত বিষধর।

বন বিভাগের আশঙ্কা, এতগুলো বিষধর সাপ একসঙ্গে কালেঙ্গা বা সাতছড়ির মতো ছোট বনে অবমুক্ত করা হলে তা আশপাশের লোকালয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, বিষধর সাপগুলো বর্তমানে তাদের হেফাজতে রেসকিউ সেন্টারে নিরাপদে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন সাপ বিশেষজ্ঞ ও বন্যপ্রাণী গবেষকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞরা সাপগুলোকে ভাগ করে দেশের বিভিন্ন বড় সংরক্ষিত বনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবমুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত নির্দেশনা পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, চুনারুঘাট বন্যপ্রাণী জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সদস্য চিত্র রঞ্জন বর্মন বলেন, এতগুলো বিষধর সাপ একসঙ্গে ছোট কোনো বনে অবমুক্ত করলে লাভের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি। সাপগুলো খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসতে পারে। তাই এগুলোকে সুন্দরবন বা পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো বড় ও গভীর বনে অথবা বিভিন্ন জলাশয় এলাকায় ভাগ করে অবমুক্ত করা উত্তম হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

অবশেষে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর ১৩৭ বিষধর সাপ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অবশেষে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর ১৩৭ বিষধর সাপ

ছবি: কালবেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অবশেষে হবিগঞ্জ জীববৈচিত্র্য ফেডারেশনের উদ্যোগে উদ্ধার করা ১৩৭টি বিষধর ও নির্বিষ সাপ বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ এলাকায় অবস্থিত বন বিভাগের কার্যালয়ে সাপগুলো হস্তান্তর করা হয়। এগুলো গ্রহণ করেন প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন।

রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, সাপের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এগুলো রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যসহ বিভিন্ন বনে অবমুক্ত করা হবে।

এর আগে, একসঙ্গে ১৩৭টি বিষধর ও নির্বিষ সাপ কোথায় অবমুক্ত করা হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে হবিগঞ্জ বন বিভাগ।

জানা গেছে, সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য রবি কাস্তা জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঘরবাড়ি ও লোকালয় থেকে সাপগুলো উদ্ধার করেন। পরে তিনি সাপগুলো হবিগঞ্জ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন। সেখান থেকে সাপগুলো রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে রেমা-কালেঙ্গায় সাপগুলো অবমুক্ত না করে হবিগঞ্জ বন বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সাপগুলো বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাউবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ Mess Night অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ Mess Night অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন ।। অনলাইন ডেস্ক 
 
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স হলের লেকচার গ্যালারিতে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষকদের কর্মজীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও আনন্দঘন আয়োজন শিক্ষকসমাজের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে প্রয়োগের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সবাইকে অবদান রাখতে হবে।”

অনুষ্ঠানে ৫ম ও ৬ষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের Course Director এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ জাকির হোসেন তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, পরিবেশনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ মেলবন্ধনে অনুষ্ঠানটি এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের 


পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের ৫ম ও ৬ষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ ও আনন্দঘন Mess Night অনুষ্ঠিত হয়েছে।