খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্টের উপস্থিতিতেই চলছে অনুমোদনহীন ড্রেন নির্মাণকাজ

ছবিতে নির্দেশনাসহ কাজে আগে ও পরের চিত্র

গাজীপুর প্রতিনিধি | যোগফল অনলাইন 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনাবাড়ী এলাকার আমবাগ মিতালী হাউজিংয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই রাস্তার ওপর ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। 

তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রকৌশলগত তদারকি ছাড়া ড্রেন নির্মাণ করা হলে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল, পানি নিষ্কাশন এবং রাস্তার স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার জোন ৭ (কোনাবাড়ি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মোশারফ হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক কাজটি বন্ধ করে দেন বলে জানান। পরবর্তী সময়ে ১৫ অক্টোবর উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে ১৮ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।

শুনানিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর পক্ষকে রাস্তা খনন ও ড্রেন নির্মাণের আগে সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন গ্রহণ, নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেন বলে জানা গেছে।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুনানিতে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ না করে এবং রাস্তা খননের অনুমোদন গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই পরবর্তী সময়ে পুনরায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কাজ চলাকালে সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ক সুপারভাইজার নাসির হোসেনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ১১৯ ধারায় নগরীর রাস্তা ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। একই আইনের ১২০ ধারায় রাস্তা নির্মাণ ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে কর্পোরেশনের অনুমোদন ও নির্দেশনার বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘সড়ক খনন অনুমতি পদ্ধতি’ অনুযায়ী, রাস্তা খননের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন, সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপের মাধ্যমে ফি নির্ধারণ এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর অনুমতি প্রদানের প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী মো. তারেক হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কাজের অনুমোদন এখনো দেওয়া হয়নি এবং অনুমোদন পেতে সময় প্রয়োজন। 
অন্যদিকে, সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭ (কোনাবাড়ী) জোনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজরাতুন নাঈমার কাছে বিষয়টি জানানো হলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

শিবগঞ্জে বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা নবজাতক উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবগঞ্জে বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা নবজাতক উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আমবাগানের বালুর স্তূপের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। লুঙ্গিতে মোড়ানো শিশুটিকে উদ্ধারের সময় কান্না করছিল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলার জালমাছমারী মিয়াপাড়া গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. গোলাপ হোসেনসহ কয়েকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানান, সকালে গ্রামের রাস্তার পাশে খেলছিল হামিদুল (৫) ও নাফিউল (৩) নামে দুই শিশু। এ সময় তারা আমবাগানের বালুর স্তূপের নিচ থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পায়। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা বালু সরিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো নবজাতকটিকে উদ্ধার করেন।

ওসি আরও জানান, কে বা কারা নবজাতকটিকে সেখানে ফেলে গেছে, তা জানতে অনুসন্ধান চলছে। এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করা হচ্ছে। আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন।

বর্তমানে নবজাতকটি শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাসহ তিন দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে চার মাসের শিশুকন্যাকে নিয়ে তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন লিজা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূ। গত ১ নভেম্বর সকাল থেকে মা ও মেয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে সখীপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। লিজা উপজেলার কালিয়ানপাড়া গ্রামের আল-আমিনের স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার সময় লিজা স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে গেছেন। লিখিত অভিযোগে লিজার শাশুড়ি সাজেদা আক্তার উল্লেখ করেন, ৩১ অক্টোবর রাতে পরিবারের সবাই খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে নাতনিকে নিতে ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে ঘরে লিজা ও তার শিশুকন্যাকে পাওয়া যায়নি।

লিজার স্বামী আল-আমিন বলেন, তিনি পেশায় গাড়িচালক। গাড়ি চালানোর কারণে বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। ঘটনার দিন রাতেও তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পেতে চান তিনি।

অন্যদিকে লিজার বাবা লেবু মিয়া অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করতেন। নিখোঁজ হওয়ার আগের দিনও তার স্বামী তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। লেবু মিয়া বলেন, তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মেয়ে ও নাতনির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূ ও তার শিশুসন্তান নিখোঁজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয়ে মিলল কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয়ে মিলল কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর জলাশয় থেকে আদনান আলতাফ নামে এক কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কাবিলা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জলাশয়টি ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে অবস্থিত।

নিহত আদনান আলতাফ কুমিল্লা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার সুপুর এলাকার বাসিন্দা।

ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম বলেন, আদনান কিছুটা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এ কারণে তার মাকে সঙ্গে রেখে ক্যাম্পাসে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বুড়িচং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিহতের মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে আদনান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে একটি হোটেলে যান। সেখান থেকে রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে তিনি নিখোঁজ হন।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, আদনান নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। পরে বুধবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে জলাশয় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম