খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩

বেলকুচিতে ​মাদকমুক্ত ‘স্মার্ট পৌরসভা’ রূপায়নের অঙ্গীকার, মেয়র পদপ্রার্থী রাজ্জাক মন্ডল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে ​মাদকমুক্ত ‘স্মার্ট পৌরসভা’ রূপায়নের  অঙ্গীকার, মেয়র পদপ্রার্থী রাজ্জাক মন্ডল

ছবি মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল

মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

‎সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বেলকুচি পৌরসভাকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং জনবান্ধব ‘স্মার্ট পৌরসভা’ হিসেবে রূপান্তর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক জননন্দিত  নেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে বেলকুচিকে একটি দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত স্মার্ট পৌরসভায় রূপায়ণ করা হবে।
‎
‎​সাম্প্রতিক এক সাংবাদিকদের মতবিনিময়ে পৌর এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
‎
‎​কাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিঃ
‎আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, বেলকুচি পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে একটি সু পরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবি। নির্বাচিত হলে পৌরসভার কাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছ-
‎
‎​আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকাকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
‎
‎​নাগরিক সেবার ডিজিটালাইজেশনঃ পৌরবাসীর জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান এবং ট্রেড লাইসেন্সসহ যাবতীয় নাগরিক সেবা ঘরে বসেই ডিজিটাল মাধ্যমে প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
‎
‎​বিশুদ্ধ পানি ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাঃ পৌর এলাকায় সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবেশবান্ধব ও স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক বন্দোবস্ত করা।
‎
‎​শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নঃ পৌর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর সেবা জোরদার করা।
‎
‎​মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনঃ
‎ যুবকরা আজ মাদকের করাল গ্রাসে ধ্বংসের মুখে—এ কথা উল্লেখ করে আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, বেলকুচি পৌরসভাকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেটের ঠাঁই বেলকুচিতে হবে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা যাতে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারেন এবং সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। সরকারি অনুদান ও রাজস্বের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক পৌর প্রশাসন গড়ে তোলা হবে।
‎
‎​জনগণের অংশগ্রহণে সমতাভিত্তিক উন্নয়নঃ
‎তিনি আরও বলেন, দলীয় কোনো ভেদাভেদ নয়, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে মূল লক্ষ্য। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতামত ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই বেলকুচির প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হবে। অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনপদগুলোকে উন্নয়নের মূল ধারায় নিয়ে এসে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নে পৌরবাসীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
‎​

পাইকগাছায় চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে মৎস্য সচিবের মতবিনিময়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় চিংড়ি চাষিদের সঙ্গে মৎস্য সচিবের মতবিনিময়

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় বাগদা চিংড়ি চাষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের ছালুবুনিয়ায় বাগদা চিংড়ি ক্লাস্টারের চাষিদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম রায়।

সভায় সার্বিক পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। এ সময় ছালুবুনিয়া বাগদা চিংড়ি ক্লাস্টারের চাষিবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে বাগদা চিংড়ি চাষের বিদ্যমান সমস্যা, উৎপাদন বৃদ্ধি, চাষের আধুনিক পদ্ধতি এবং এ খাতের উন্নয়ন ও সম্ভাবনাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে চাষিদের সঙ্গে আলোচনা করেন মৎস্য সচিব।

এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় রায়গঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ও রায়গঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোক্তাদির ওরফে মুত্তাকিনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার গোলাম মোক্তাদির মামলার ৮ নম্বর এবং আলমগীর হোসেন ১১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা-পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলা সদরের ধানগড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে একটি ক্যাফে ফাস্টফুডে অভিযান চালিয়ে আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলমগীর হোসেন (২৫) উপজেলার রনতিথা গ্রামের বাবলুর ছেলে।

অন্যদিকে, গোলাম মোক্তাদির ওরফে মুত্তাকিন (৪২) উপজেলার গুনগাতী গ্রামের মোশাররফ আকন্দের ছেলে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই রাতেই রায়গঞ্জ থানায় মামলা করেন স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে।

এদিকে, সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াত। উপজেলা জামায়াতের আমির আলী মর্তুজা ও সেক্রেটারি এস এম মুনসুর আলী এক বিবৃতিতে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করার বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তাঁরা।

অন্যদিকে, সংসদ সদস্য আয়নুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দায়ী করে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটির সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটি।

এনসিপির সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) হযরত আলী উসমান এক বিবৃতিতে বলেন, তদন্ত ছাড়াই এ ঘটনায় এনসিপির নেতাকর্মীদের দোষারোপ করা হয়েছে। তিনি হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরে আইনজীবী দম্পতিকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরে আইনজীবী দম্পতিকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাদক মামলায় নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আইনজীবী ও তাঁর স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মো. জাকির হোসেন ফরাজী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে মির্জাগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট বিকেলে মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আইনজীবী মো. সামিউল আলম ও তাঁর স্ত্রী মোছা. শাহনাজ পারভীন (৩৫) গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। একটি মাদক মামলায় তিনি আইনজীবী মো. সামিউল আলমকে নিয়োগ করেন। ওই মামলায় নিয়মিত আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় গত ৯ জুন ধার্য তারিখে জাকিরের পক্ষে আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পুলিশের দাবি, নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি জানতে পেরে আইনজীবী সামিউল আলমের ওপর ক্ষুব্ধ হন জাকির। ঘটনার দিন সামিউল আলম ছৈলাবুনিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন জানতে পেরে জাকির অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে সেখানে যান। পরে তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সামিউল আলমকে কুপিয়ে জখম করেন।

এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে তাঁর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন এগিয়ে এলে তাঁকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। আহত দুজনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর মির্জাগঞ্জ থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও প্রযুক্তির সহায়তায় জাকিরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর জাকির এক জায়গায় দীর্ঘ সময় অবস্থান না করে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। এ কারণে তাঁকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগে। পরে শনিবার দুপুরে মির্জাগঞ্জ থানা-পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মির্জাগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে। হামলার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না কিংবা হামলাকারীদের কেউ সহায়তা করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামির সম্পৃক্ততা শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম