খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩

তারেক রহমানকে সফরসঙ্গী করায় সমালোচনা, বিস্ময় প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানকে সফরসঙ্গী করায় সমালোচনা, বিস্ময় প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাপান সফরে আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে সফরসঙ্গী করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গী হিসেবে তারেকের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং তাঁকে সঙ্গে নেওয়ায় সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা রয়েছে। অথচ সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা না করে একজন ব্যক্তিকে ঘিরে সমালোচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানির হলরুমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ কমিউনিটি জাপান আয়োজিত এ সভায় প্রবাসীরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে নানা প্রশ্ন করেন।

অনুষ্ঠানে আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে খুব আশ্চর্য লাগল, আমাদের সঙ্গে তারেককে নিয়ে এসেছি এবার। আমজনতার...। গত দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওকে নিয়ে দেখলাম অনেক কথা। যে ওর কোনো কন্ট্রিবিউশন নাই, ওকে নিয়ে এসে এখানে সরকারের পয়সা নষ্ট। এই দেশে অনেক সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়ে কোনো আলাপ দেখি না।’

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সমালোচনাকারীদের জবাব দেন আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি লেখেন, ‘জামায়াত-এনসিপি আমাকে হেয় করতে করতে এমন মানসিক অবস্থায় চলে গেছে যে, আমার একটু রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াটা সহ্য করতে পারছে না। তারা হাঁপাচ্ছে, জিহ্বাটা বের করে। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলছিলেন, তারেক তুমি আবার যাবা আমার সঙ্গে। ওরা জ্বলতে থাকুক।’

একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিরোধ নাই। এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের বিরোধ। জুলাই-উত্তর তারা বয়ান দিল, মুক্তিযুদ্ধের কথা আর বলা যাবে না, আমি বললাম এটাই সবচেয়ে বড় সার্বভৌমত্বের লড়াই ছিল।’

প্রবাসীদের দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান

মতবিনিময় সভায় দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকেই বিদেশের মাটিতে দেশের একেকজন মূল প্রতিনিধি বা অ্যাম্বাসেডর। সরকারের পাশাপাশি আপনারা যদি বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও ভালো দিকগুলো জাপানি ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরেন, তবে দীর্ঘমেয়াদে দেশ ও দেশের মানুষ উপকৃত হবে।’

জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান সরকার, দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ দেখা গেছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তবে এসব বিনিয়োগ দ্রুত দেশে আনতে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়লে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জাপানি ভাষা শিক্ষা, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে তোলা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিশু যেন ভালো শিক্ষা পায়, চিকিৎসাসেবা পায়, পেট ভরে ভাত পায় এবং বুক ভরে বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারে—এতে কারও দ্বিমত থাকতে পারে না।’

একটি গণতান্ত্রিক, স্বাবলম্বী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবির, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা।

এ ছাড়া জাপান বিএনপির সভাপতি রেজা মীর, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মনি, সহসভাপতি মাসুম জাকির, ব্যবসায়ী নেতা কাজী সারওয়ার হাবিব (এনআরবি-সিআইপি) ও দপ্তর সম্পাদক আবুল খায়ের ভূঁইয়াসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী ও অতিথিরা পৌঁছালে প্রবাসীরা করতালির মাধ্যমে তাঁদের স্বাগত জানান। পরে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বেলকুচিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সম্মাননা ও কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি সম্মাননা ও কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন ভাতুরিয়া দক্ষিণ মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক প্রদান, নবগঠিত স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবগঠিত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাপুর ডিগ্রি কলেজ এর সভাপতি ও বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ বনি আমিন। 

 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শেখ ফরিদ উদ্দিন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম, ভাতুড়িয়া দক্ষিণ মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শামীম হোসেন, অত্র বিদ্যালয়ের সহসভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া, মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ আবু হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক এবং শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ ও পরিচিতি পর্ব সম্পন্ন হয়। এরপর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাই হলো একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনের মূল ভিত্তি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও তাদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করতেই এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। 

বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং ঝরে পড়া রোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও নবগঠিত কমিটির সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

পাইকগাছায় স্কুল ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় স্কুল ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনতলাবিশিষ্ট স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের লক্ষ্যে মাটির পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পের আওতায় শিববাটি মন্দির ও শিববাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় প্রস্তাবিত এ স্থাপনার নির্মাণকাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সয়েল টেস্ট করা হয়।

প্রস্তাবিত স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মিত হলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা হবে।

উপকূলীয় জনপদে দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

পাইকগাছায় নবনির্মিত সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ, সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নবনির্মিত সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ, সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

কথায় আছে, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। তেমনি একটি সড়ক নির্মাণের চেয়ে সেটির স্থায়িত্ব রক্ষা করাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি এর দুই পাশে গাছ লাগানো এবং চারাগুলো সুরক্ষায় বেড়া দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত দেখা গেছে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুধু চারা রোপণ করেই দায়িত্ব শেষ করা হয়নি; সেগুলো যাতে নির্বিঘ্নে বেড়ে উঠতে পারে, সে জন্য চারপাশে চাঁচের বেড়া দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

পাইকগাছা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

জানা গেছে, পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁকড়া সমিতির কার্যালয় থেকে পুরাতন খাদ্যগুদাম পর্যন্ত প্রায় ৭১০ মিটার দীর্ঘ বিসি (বিটুমিনাস কার্পেটিং) সড়কটি ছয় মাস আগে নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সড়কটির দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি সেগুলো রক্ষায় বেড়া দেওয়া হয়েছে।

সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে সড়কটির দুই পাশ সবুজে সুশোভিত হয়ে উঠবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন সড়কের পাশে গাছ লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া সোলাদানার দুটি এবং গড়ইখালীর একটি সড়কের পাশেও একইভাবে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।