খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

ফিচার লেখক মাহবুবুর রহমান

মোঃ মাহাবুবুর রহমান | ফিচার লেখক :

 আতঙ্কিত মানুষগুলোকে ব্যাংক-বীমার দিকে আবার এগিয়ে আনতে হবে

মানুষ এখন খাবে, নাকি সঞ্চয় করবে? এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে মানুষের আয়ের রেশিও কমে গেছে। ভালো কিছু খাওয়ার টাকাই হাতে থাকে না। আর টাকা হাতে থাকলেও সেটা কোথায় জমাবে? কোথায় সঞ্চয় করবে? সেই জায়গাটাও এখন নিরাপদ মনে হচ্ছে না।

১. ব্যাংকের প্রতি আস্থার সংকট: 
বিভিন্ন ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ঋণ দিয়ে বা দেশের বাইরে অর্থ পাচার করে আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। আর ব্যাংকের এই ভুলের খেসারত দিচ্ছে সাধারণ গ্রাহক। 

একদিকে গ্রাহকরা তাদের আমানতের টাকা ফেরত পাচ্ছে না। আবার পেলেও সব টাকা একসাথে পাচ্ছে না। এই অনিশ্চয়তাই মানুষকে ভয়ানক আতঙ্কের মধ্যে ফেলেছে। ব্যাংকের প্রতি যে ভরসা ছিল, সেটা ভেঙে গেছে। 

২. প্রযুক্তির আঘাতে পেশা ও আয়:
মানুষের আরেকটা আতঙ্ক হলো - কখন কোন পেশাজীবীর আয় কমে যাবে, তা বলা যাচ্ছে না। একসময় মাটির হাঁড়ি-পাতিল, পাটের সিকা ঘরে ঘরে ছিল। এখন সেগুলো নেই। মোবাইলের কারণে ঘড়ি বিক্রি নেই, টেলিভিশনের বাজারও ছোট হয়ে গেছে। প্লাস্টিক এসে পাটের জায়গা দখল করেছে।

অনেক পেশা বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষগুলো বেকার। না আছে সংসার চালানোর ক্ষমতা, না আছে সঞ্চয় করার যোগ্যতা। নতুন প্রযুক্তি তাদের পুরনো করে বেকার করে দিয়েছে।

৩. বিকল্পও অনিরাপদ:
মানুষ ব্যাংকের বিকল্প হিসেবে বীমা ও এনজিওর দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু সেখানেও সমস্যা। ব্যাংক দেরিতে টাকা দেওয়ায় বীমা কোম্পানিগুলোও সময়মতো পেমেন্ট দিতে পারছে না। ব্যাংকের গাফিলতির দায় এসে পড়ছে বীমার ঘাড়ে।

আর পাবলিক লিমিটেড ব্যাংকের প্রতিই যখন মানুষের অভিমান, তখন এনজিওতে টাকা রাখবে কে?

৪. সমাধান কোথায়?
দেশের মানুষের হাত শক্তিশালী করতে হলে প্রথমে ব্যাংককে শক্তিশালী করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে। ব্যাংকগুলো যেন কোনো রাজনৈতিক চাপে ভুল পথে বিনিয়োগ বা পাচার না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 

সবচেয়ে জরুরি হলো - মানুষের মনে আবার আস্থা ফিরিয়ে আনা।

একইসাথে বীমার প্রচার বাড়াতে হবে। কারণ ব্যক্তি ও পরিবারের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বীমার কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রীয়ভাবে বীমার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে। জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর সমস্যা দূর করে মাঠকর্মীদের দক্ষ ও সৎ করে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষ কর্মীরাই মানুষকে বীমার দিকে, সঞ্চয়ের দিকে ধাবিত করতে পারবে।

আমার জানামতে অনেক মানুষ এখন আতঙ্কে ব্যাংক-বীমায় টাকা না রেখে বস্তায় ভরে ঘরে রাখছে। কিন্তু ঘরে টাকা রাখলে ব্যক্তি, পরিবার বা রাষ্ট্র - কারও উন্নয়ন হবে না। টাকা ব্যাংকে ঘুরলেই দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।

উপসংহার:
মানুষকে ভয় দেখিয়ে নয়, ভরসা দিয়ে ব্যাংক-বীমার দিকে ফেরাতে হবে। গ্রাহক বাঁচলে ব্যাংক বাঁচবে, ব্যাংক বাঁচলে রাষ্ট্র বাঁচবে। আর রাষ্ট্র বাঁচলে আমরাও ভালো থাকব।

"সঞ্চয় করুন, আস্থা রাখুন - ঘরের টাকা ব্যাংক ও জীবন বীমাতে রাখুন।


চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় কসমেটিকসের চালান জব্দ, আটক ২

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় কসমেটিকসের চালান জব্দ, আটক ২

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রীসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত একটি পাখি ভ্যানও জব্দ করা হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জুম্মান খানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তপথ দিয়ে একটি পাখি ভ্যানে করে ভারতীয় পণ্যের বড় চালান নেওয়া হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। এসআই জুম্মান খানের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন পাখি ভ্যানটি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ সেটির গতিরোধ করে তল্লাশি চালায়। এ সময় ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয় এবং দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

অভিযানে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত পাখি ভ্যানটিও জব্দ করে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানায় চোরাচালানবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে নামাজ পড়ে ফেরার পথে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে নামাজ পড়ে ফেরার পথে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে

ছবি গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
 
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে জাকির হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। এ ঘটনায় সরাসরি হামলাকারী হিসেবে বাশার সিকদারের নাম এলেও, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের তীর তার বড় ভাই বরকত শিকদারের দিকে।

গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ডাঙা মাজড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত জাকির হোসেন ওই গ্রামের মৃত সিরাজ মোল্যার ছেলে। অভিযুক্তরা একই গ্রামের বাগান সিকদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঙা মাজড়া মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরছিলেন জাকির হোসেন। ফেরার পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বাশার সিকদার দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি কোপে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় সে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনাকে পরিকল্পিত দাবি করে আহতের পরিবার জানায়, অভিযুক্ত বাশার সিকদারের বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পরিবারের ভাষ্য, "বাশারকে সামনে রেখে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে তার বড় ভাই বরকত শিকদার। সে নিজেকে ভদ্রলোক হিসেবে দেখালেও ভেতরে সে-ই মূল হোতা। পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাদের ওপর হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বরকত।"

এ বিষয়ে কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাশার সিকদার বর্তমানে পলাতক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বাগাতিপাড়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, বাগাতিপাড়া ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সৃষ্ট বিতর্কের জেরে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) নাটোর জেলা ছাত্রদল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আসিফ ইকবাল বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সৃজন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

এর আগে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা ছাত্রদল।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম