খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনজো ফার্নান্দেজের দলবদলে নতুন রেকর্ড, প্রিমিয়ার লিগে টাকার ঝড়

 যোগফল প্রতিবেদক:

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ ফুটবল লিগে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে মোট ১ হাজার ৪৩৭টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবগুলোর খরচ হয়েছে প্রায় ৬৫০ কোটি পাউন্ড, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ লাখ ৭ হাজার ৭৪২ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টায় শেষ হয়েছে ইউরোপের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়সীমা। আর্থিক হিসাবে এবারও সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৪৬ কোটি পাউন্ডে, যা লিগটির ইতিহাসে এক মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে নতুন রেকর্ড।

শেষ দিনে এভারটন থেকে সেনেগালিজ উইঙ্গার ইলিমান এনদিয়ায়েকে ৬ কোটি পাউন্ডে দলে ভেড়ায় ম্যানচেস্টার সিটি। তার দলবদলের পরই প্রিমিয়ার লিগের মোট খরচ গত মৌসুমের ৩১৪ কোটি পাউন্ডের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। গতবারই প্রথমবারের মতো দলবদলে ৩০০ কোটি পাউন্ডের বেশি খরচ করেছিল লিগটির ক্লাবগুলো।

তবে শেষ দিনের সবচেয়ে বড় চমক আসে এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে। চেলসি থেকে আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডারকে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডে দলে নেয় ম্যানচেস্টার সিটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা।

এই দলবদলের মাধ্যমে ব্রিটিশ ফুটবলে সবচেয়ে দামি চুক্তির রেকর্ডে যৌথভাবে উঠে এসেছেন ফার্নান্দেজ। গত মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ দিনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে একই দামে আলেকসান্দার ইসাককে কিনেছিল লিভারপুল।

অথচ ২০২৩ সালে বেনফিকা থেকে তৎকালীন ব্রিটিশ রেকর্ড ১০ কোটি ৭ লাখ পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ। এবার সেই রেকর্ডের সমান দামে আবারও দলবদল করলেন তিনি।

শেষ দিনেও রেকর্ড খরচ

দলবদলের শেষ দিনেই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড। গত মৌসুমের শেষ দিনে খরচ হয়েছিল ৩৯ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড। অর্থাৎ শেষ দিনের ব্যয়েও আগের মৌসুমকে ছাড়িয়ে গেছে ইংলিশ ক্লাবগুলো।

ফুটবলট্রান্সফার্স ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা পল ম্যাকডোনাল্ডের মতে, মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সম্মিলিত খরচ ছিল ১১৩ কোটি পাউন্ড। এবার সেই অঙ্ক কয়েক গুণ বেড়েছে।

এবারের দলবদলে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০টি চুক্তির তিনটিই হয়েছে প্রিমিয়ার লিগে। শুধু তাই নয়, লিগটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচটি চুক্তির চারটিই সম্পন্ন হয়েছে এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে।

ফার্নান্দেজের ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের চুক্তির আগে ম্যানচেস্টার সিটি ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে নটিংহাম ফরেস্টের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে দলে নেয়। অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে মরগান রজার্সকে কিনেছে চেলসি।

এদিকে পিএসজি থেকে ব্র্যাডলি বারকোলাকে দলে নিতে লিভারপুল খরচ করেছে ১০ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড। বিভিন্ন শর্ত পূরণ হলে এই চুক্তির মূল্য বেড়ে ১২ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে বড় খরচ কম

প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ৬ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের দলবদল হয়েছে মাত্র দুটি। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিওমান্দের যোগদান এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্টনি গর্ডনের দলবদল রয়েছে।

এবারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ২০টি দলবদলের মধ্যে মাত্র ছয়টি হয়েছে প্রিমিয়ার লিগের বাইরে। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে ওঠা ইপসউইচ টাউন খেলোয়াড় কেনায় যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, তা বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্টাস ও বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মতো ক্লাবগুলোর চেয়েও বেশি।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের হিসাবে, এবার অন্তত ১০ কোটি ইউরো মূল্যে ছয়জন খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবের সঙ্গে জড়িত। বাকি একজন ইয়ান দিওমান্দে, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৭-১৮, ২০১৯-২০ ও ২০২৩-২৪ মৌসুমে সর্বোচ্চ তিনজন করে খেলোয়াড়কে ১০ কোটি ইউরো বা তার বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছিল।

খরচে সবার ওপরে ম্যানচেস্টার সিটি

এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এনজো ফার্নান্দেজকে দলে ভেড়ানোর পর তাদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডে।

এক মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাবের দলবদলে এত বেশি অর্থ খরচের নজির আগে ছিল না। গত গ্রীষ্মে লিভারপুলের করা ৪১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে সিটি।

তবে খেলোয়াড় কেনায় বিপুল অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি বিক্রি থেকেও বড় অঙ্কের আয় করেছে ক্লাবটি। খেলোয়াড় বিক্রি করে তাদের আয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড।

খরচের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চেলসি। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটি ব্যয় করেছে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। বিপরীতে খেলোয়াড় বিক্রি করে আয় করেছে ৩৮ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড। ফলে দলবদল শেষে চেলসির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে টটেনহাম হটস্পার। খেলোয়াড় কিনতে ক্লাবটির মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ কোটি ২ লাখ পাউন্ড।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম