খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

বাবা নেই, তবু জন্মদিনে স্মৃতিতে আইয়ুব বাচ্চু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাবা নেই, তবু জন্মদিনে স্মৃতিতে আইয়ুব বাচ্চু

আয়ুব বাচ্চু নেই আট বছর। তবু ১৬ আগস্ট এলেই পরিবারে ফিরে আসে প্রিয় মানুষটির অসংখ্য স্মৃতি। একসময় এই দিনটি ঘিরে বাড়িতে থাকত কেক কাটার আয়োজন, পছন্দের খাবার আর স্বজন-বন্ধুদের আনাগোনা। এখন সেই মানুষটি নেই; আছে শুধু তাঁর রেখে যাওয়া স্মৃতি আর গভীর শূন্যতা।

আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার, ছেলে আহনাফ তাজওয়ার আইয়ুব ও মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব প্রতিবছরই নিজেদের মতো করে বাবার জন্মদিন স্মরণ করেন। কেকও কাটেন। তবে সেই আনন্দের সঙ্গে মিশে থাকে না-পাওয়ার বেদনা ও চোখের পানি।

ছেলে আহনাফ তাজওয়ার স্ত্রীকে নিয়ে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে এবং মেয়ে ফাইরুজ সাফরা স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করেন। স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার বাংলাদেশে থাকেন এবং সুযোগ পেলে সন্তানদের কাছে গিয়ে সময় কাটান। দূরদেশে থাকলেও ১৬ আগস্ট এলেই তিনজনের মনেই ফিরে আসে একই মানুষ—তাদের ‘বাবুই’।

একসময় জন্মদিন মানেই ছিল উৎসব

বেঁচে থাকতে নিজের জন্মদিনে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করতেন আইয়ুব বাচ্চু। সন্তানরা ছোট থাকাকালে বাড়িতেই জন্মদিনের আয়োজন হতো। কেক কাটার পাশাপাশি রান্না হতো তাঁর পছন্দের খাবার।

পরবর্তীতে সন্তানরা বড় হলে জন্মদিনের আয়োজনের ধরনও বদলে যায়। স্টুডিওতে বন্ধু ও সংগীতজগতের সহযাত্রীদের সঙ্গে কেক কাটতেন তিনি। গান, আড্ডা ও আনন্দে জমে উঠত পুরো আয়োজন। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য বাসাতেও খাবার পাঠিয়ে দিতেন।

তবে ২০০০ সালে আইয়ুব বাচ্চুর মা মারা যাওয়ার পর বদলে যায় জন্মদিন নিয়ে তাঁর অনুভূতিও। ফেরদৌস আক্তারের ভাষ্য, মা-অন্তঃপ্রাণ বাচ্চু এরপর আর আগের মতো জন্মদিন নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখাতেন না। আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে কেক কাটলেও দিনটিতে আগের মতো আনন্দ থাকত না।

সন্তানদের কাছে ছিলেন বন্ধুর মতো

আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে তাঁর ছেলে-মেয়ের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো। দুজনকেই গিটার শেখানোর পাশাপাশি স্বপ্ন দেখতেন, একদিন সন্তানদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে গিটার বাজাবেন।

ছেলে তাজওয়ারকে বাবার সঙ্গে এক মঞ্চে গিটার বাজাতে দেখা গেলেও মেয়েকে নিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। বাবাকে ‘বাবুই’ বলে ডাকতেন ফাইরুজ সাফরা।

বাবার স্মৃতিচারণ করে সাফরা জানিয়েছেন, মানুষ হিসেবে বাবাকে ঘরে যেমন দেখতেন, মঞ্চেও তাঁকে তেমনই আলাদা এক জগতে ডুবে যেতে দেখেছেন। ছোট্ট গিটার হাতে নিয়ে জ্যামিং করতে করতে তিনি যেন নিজের ভুবনে হারিয়ে যেতেন।

মেয়ের হাতেও গিটার তুলে দিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। সাফরা তখন ও লেভেলে পড়তেন। তাঁর জন্য একটি গিটার এনে দিয়ে বাবা বলেছিলেন, একদিন তিনি বাবার সঙ্গে মঞ্চে গিটার বাজাবেন। কিন্তু সেই দিন আর আসেনি।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ৫৬ বছর বয়সে আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু হয়। এরপর তাঁর সন্তানদের জীবনের বড় অপূর্ণতাগুলোর একটি হয়ে থাকে বাবার সঙ্গে পূর্ণাঙ্গভাবে একই মঞ্চে দাঁড়াতে না পারা।

জন্মদিনে আরও বেশি মনে পড়ে বাবাকে

সময়ের সঙ্গে সন্তানরা বড় হয়েছেন, নিজেদের সংসার গড়েছেন এবং দেশের বাইরে স্থায়ী হয়েছেন। তবুও বাবার স্মৃতি তাদের জীবন থেকে কখনো দূরে যায়নি।

১৬ আগস্ট এলেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পুরোনো গল্প উঠে আসে। ফোনে কথা বলার সময় বাবার প্রসঙ্গ উঠলে এখনও আবেগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। মা-সন্তানের কথোপকথনে ফিরে আসে আইয়ুব বাচ্চুর নানা স্মৃতি।

বাবা নেই, কিন্তু জন্মদিনে কেক কাটা এখনও বন্ধ হয়নি। তবে সেই কেকে আগের মতো উৎসবের উচ্ছ্বাস নেই। কেক কাটার পর কেউ নীরবে স্মৃতিতে ডুবে থাকেন, কারও চোখে আসে পানি। তারপর আবার সবাই ফিরে যান নিজেদের জীবনে।

গানে-গিটারে বেঁচে আছেন আইয়ুব বাচ্চু

এবারও আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে স্মরণ করে প্রকাশিত হচ্ছে ‘উত্তরাধিকার’ শিরোনামের একটি অ্যালবাম। এতে তাঁর গাওয়া ২০টি গান নতুন সংগীতায়োজনে পরিবেশন করছেন দেশের বিভিন্ন ব্যান্ড ও একক শিল্পী।

অ্যালবামে দলছুট গেয়েছে ‘রুপালি গিটার’, আরবোভাইরাস ‘নীল বেদনা’, সোনার বাংলা সার্কাস ‘গতকাল রাতে’, শুভযাত্রা ‘চলো বদলে যাই’, ক্যালিপসো ‘চাঁদ মামা’, রকসল্ট ‘অচেনা জীবন’, ডোপামিন ‘মাধবী’ এবং এ কে রাহুল গেয়েছেন ‘মন চাইলে মন’। আরও কয়েকটি জনপ্রিয় গান থাকছে একক শিল্পীদের কণ্ঠে। সব গানের মাস্টারিং করেছেন ইকবাল আসিফ জুয়েল।

শিল্পী চলে গেছেন, কিন্তু থামেনি তাঁর গান ও গিটারের সুর। নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে বারবার ফিরে আসছে তাঁর সৃষ্টি। ভক্তদের ভালোবাসায় তিনি আজও বেঁচে আছেন।

পরিবারের কাছে অবশ্য তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় কিংবদন্তি গায়ক বা গিটারিস্ট নয়—তিনি এখনও তাদের কাছে সেই আপন মানুষ, ‘বাবুই’।

স্বপ্ন এগিয়ে নিতে ফাউন্ডেশন

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর তাঁর স্বপ্ন ও সৃষ্টিশীলতার উত্তরাধিকার ধরে রাখতে কাজ করছে আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন। ২০২০ সালে কার্যক্রম শুরু করা এই ফাউন্ডেশন আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয় গত বছরের ৯ জুলাই।

আইয়ুব বাচ্চু শারীরিকভাবে না থাকলেও তাঁর গান, গিটার এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ছে। আর তাই ১৬ আগস্ট শুধু তাঁর জন্মদিন নয়—ভক্ত ও পরিবারের কাছে এটি প্রিয় এক মানুষকে নতুন করে স্মরণ করার দিন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম