খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গবেষণাভিত্তিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত গড়ল সিকৃবি

গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকোসিস্টেম থিংকিং অ্যান্ড রিসোর্স ডাইনামিকস (ইটিআরডি) ল্যাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলীয় ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে প্রাকৃতিক মূলধনের মূল্যায়ন’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১-এর ৯৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তারা ১৯টি গবেষণা প্রস্তাবনা দুইটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পোস্টার আকারে উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে পোস্টার প্রেজেন্টেশন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা নিয়মিত আয়োজন করা হয় না। কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ সফল হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহ বাড়াবে এবং মানসম্মত গবেষণা প্রকাশে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পোস্টারগুলোর মূল্যায়ন করেন কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক অনুরাধা তালুকদার এবং সহকারী অধ্যাপক মাফিয়া আক্তার।

প্রধান বিচারক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা শামসুজ্জামান বলেন, প্রথম বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। এ ধরনের আয়োজন গবেষণার মৌলিক ধারণা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন গবেষণায় অংশগ্রহণের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

আয়োজক ও সঞ্চালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী একজন স্নাতকের ২১ ধরনের দক্ষতা অর্জনের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তার ঘাটতি দেখা যায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা, যোগাযোগ সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বিকাশে উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গবেষণার সূচনা, সারসংক্ষেপ, উদ্দেশ্য, ফলাফল ও আলোচনা—একটি গবেষণার মৌলিক কাঠামো সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। একই আয়োজনে ১৯টি গবেষণা পোস্টার উপস্থাপন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ গবেষণাভিত্তিক শিক্ষামূলক উদ্যোগ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে দুই ক্যাটাগরিতে উপস্থাপিত ১৯টি পোস্টারের মধ্য থেকে সেরা ছয়টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. পার্থ প্রতিম বর্মন, ফিশ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব ইকবাল, অ্যাগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহ আলমগীর, ক্রপ বোটানি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, এন্টোমোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফুয়াদ মণ্ডলসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঋণ শোধের স্বপ্ন অপূর্ণ, দুই ভাই ফিরলেন দুটি কফিনে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঋণ শোধের স্বপ্ন অপূর্ণ, দুই ভাই ফিরলেন দুটি কফিনে

ছবি: সংগৃহীত

সংসারের অভাব ঘোচানো আর ঋণের বোঝা কমানোর স্বপ্ন নিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের দুই ভাই ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১)। কিন্তু প্রবাসের সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে ফিরলে দুটি কফিনে শেষ বিদায় জানায় স্বজন ও গ্রামবাসী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের নিজ বাড়িসংলগ্ন কামারহাট মসজিদ মাঠে দুই ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয় তাদের। শেষ বিদায়ে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও শত শত মানুষের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিহত দুই ভাই গনিপুর গ্রামের খলিফার বাড়ির বাসিন্দা আবদুল মালেকের ছেলে। বড় ভাই সজীব দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের দাম্মামে খেজুরের ব্যবসা করতেন। চলতি বছরের শুরুতে ছোট ভাই সুজনকে কাজের সহযোগিতার জন্য নিজের কাছে নিয়ে যান।

পরিবার জানায়, গত ১৫ জুলাই রাতে খেজুরবোঝাই একটি পিকআপে করে বাগান থেকে ফেরার পথে তাদের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক-লরির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়।

শোকে ভেঙে পড়া বাবা আবদুল মালেক বলেন, “ঋণ করে দুই ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আশা ছিল, তারা সংসারের অভাব দূর করবে, ঋণ শোধ করবে। কিন্তু ঋণ তো শোধ হলোই না, আমার দুই ছেলেকেই হারালাম।”

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার রাতে মরদেহ দুটি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় করেন শত শত মানুষ। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

নিহত সজীবের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। পরিবারের প্রধান দুই উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে পরিবারটি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সজীব ও সুজন ছিলেন ভদ্র, পরিশ্রমী ও সবার প্রিয় মানুষ। তাদের অকালমৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো গনিপুর গ্রামে।

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, “একসঙ্গে দুই ভাইয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে রাশিয়ার মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে রাশিয়ার মামলা

টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বুধবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) জানায়, দেশটির ফৌজদারি আইনের ২০৫.১ ধারার আওতায় দুরভের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

এফএসবির দাবি, রাশিয়ার আইন লঙ্ঘন করে টেলিগ্রাম প্রশাসন এমন বহু চ্যানেল, চ্যাট ও বট অপসারণ করেনি, যেগুলো ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনী, সন্ত্রাসী ও উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলো নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা, গণহত্যা এবং সাইবার জালিয়াতির পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করছে।

রুশ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নারী ও শিশুসহ বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং কয়েক বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই পাভেল দুরভকে আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ বা পাভেল দুরভের পক্ষ থেকে রাশিয়ার এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৫ প্রকল্পে কাজ ছাড়াই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৫ প্রকল্পে কাজ ছাড়াই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারের পাঁচটি সরকারি প্রকল্পে কাজ না করেই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা), কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) এবং টেস্ট রিলিফ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় থানাহাট ইউনিয়নের পাঁচটি প্রকল্পে মোট ১৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের নথিতে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে পুরো বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, বজরা তবকপুর মজাইডাঙা জামে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থান ভরাট ও উন্নয়নে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা, মাচাবান্দা জিয়ার বাড়ি থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা, কালামের চাতাল মেইন রোড থেকে ডিপঘর পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা, মজাইডাঙা সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ইদ্রিস আলীর বাড়ি হয়ে মঞ্জুমিয়ার বাড়িমুখী রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা এবং মধ্য মাচাবান্দা মেইন রাস্তা থেকে প্রিন্সের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রকল্পের একটিতেও বাস্তব কোনো কাজ হয়নি।

অভিযোগকারী রোকনুজ্জামান রণি বলেন, একই রাস্তার নামে দুটি প্রকল্প দেখিয়ে কোনো কাজ না করেই পুরো বরাদ্দের অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, “উন্নয়নের নামে বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে আমরা কোনো কাজ হতে দেখিনি।”

এ ছাড়া রফিকুল ইসলাম, আব্দুল হাই ও আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, প্রকল্পগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মোমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি। পরে জানতে পারি, সেই রাস্তার নামেই বরাদ্দ দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, “কাজ হয়েছে। চাইলে আমার সঙ্গে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। লেখার থাকলে পত্রিকায় লেখেন।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সোহেল রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া কয়েক দিন তার কার্যালয়ে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনেক সময় কিছু প্রকল্প পরিবর্তন হয়ে অন্য প্রকল্পে স্থানান্তরিত হয়। বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম