খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ | থানায় জিডি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ | থানায় জিডি

ছবিতে অভিযুক্ত ব্যাক্তি

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুরের শ্রীপুরে ফেসবুকে এক সংবাদকর্মীকে নিয়ে অসত্য ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই সাংবাদিক শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, যেখানে সাইবার নিরাপত্তা আইনে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকায় কর্মরত সাংবাদিক নাঈম (বয়স ৩২) গত ২১ জুলাই শ্রীপুর থানায় একটি জিডি করেছেন। তিনি দৈনিক *দেশ বর্তমানে* পত্রিকার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

জিডি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ‘ঘটনার আড়ালে’ নামের একটি ফেসবুক পেজ ও SM Jaherul Islam’ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার ও সম্মানহানিকর পোস্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। এর ফলে তার ব্যক্তিগত, পেশাগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর আগেও এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। বর্তমান জিডিতে আরও বলা হয়েছে, এই অপপ্রচার চক্রের মূল হোতা শ্রীপুরের মো. জহিরুল ধলাদিয়া। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্য থাকতে পারে বলে অভিযোগে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর আলোকে দ্রুত তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজ ও পোস্ট অপসারণ, জড়িতদের ডিজিটাল ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিবারসহ সম্ভাব্য হুমকি থেকে সুরক্ষা চেয়েছেন তিনি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগটি জিডি নং ১৫০২ (তারিখ ২১/০৭/২০২৬) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের জন্য থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় এ মুহূর্তে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে রাশিয়ার মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে রাশিয়ার মামলা

টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বুধবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) জানায়, দেশটির ফৌজদারি আইনের ২০৫.১ ধারার আওতায় দুরভের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

এফএসবির দাবি, রাশিয়ার আইন লঙ্ঘন করে টেলিগ্রাম প্রশাসন এমন বহু চ্যানেল, চ্যাট ও বট অপসারণ করেনি, যেগুলো ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনী, সন্ত্রাসী ও উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলো নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা, গণহত্যা এবং সাইবার জালিয়াতির পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করছে।

রুশ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নারী ও শিশুসহ বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং কয়েক বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই পাভেল দুরভকে আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ বা পাভেল দুরভের পক্ষ থেকে রাশিয়ার এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৫ প্রকল্পে কাজ ছাড়াই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৫ প্রকল্পে কাজ ছাড়াই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারের পাঁচটি সরকারি প্রকল্পে কাজ না করেই প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা), কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) এবং টেস্ট রিলিফ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় থানাহাট ইউনিয়নের পাঁচটি প্রকল্পে মোট ১৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের নথিতে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে পুরো বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, বজরা তবকপুর মজাইডাঙা জামে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থান ভরাট ও উন্নয়নে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা, মাচাবান্দা জিয়ার বাড়ি থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা, কালামের চাতাল মেইন রোড থেকে ডিপঘর পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা, মজাইডাঙা সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ইদ্রিস আলীর বাড়ি হয়ে মঞ্জুমিয়ার বাড়িমুখী রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা এবং মধ্য মাচাবান্দা মেইন রাস্তা থেকে প্রিন্সের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রকল্পের একটিতেও বাস্তব কোনো কাজ হয়নি।

অভিযোগকারী রোকনুজ্জামান রণি বলেন, একই রাস্তার নামে দুটি প্রকল্প দেখিয়ে কোনো কাজ না করেই পুরো বরাদ্দের অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, “উন্নয়নের নামে বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে আমরা কোনো কাজ হতে দেখিনি।”

এ ছাড়া রফিকুল ইসলাম, আব্দুল হাই ও আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, প্রকল্পগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মোমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি। পরে জানতে পারি, সেই রাস্তার নামেই বরাদ্দ দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, “কাজ হয়েছে। চাইলে আমার সঙ্গে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। লেখার থাকলে পত্রিকায় লেখেন।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সোহেল রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া কয়েক দিন তার কার্যালয়ে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনেক সময় কিছু প্রকল্প পরিবর্তন হয়ে অন্য প্রকল্পে স্থানান্তরিত হয়। বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাবনায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ২:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাবনায় ৫০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

পাবনার বেড়া উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান (এফএলএন) কর্মসূচির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে এ গণ-শোকজ করা হয়েছে।

গত রোববার (২৬ জুলাই) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও শিক্ষা অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে তিনি নোটিশ জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারের বিশেষ গুরুত্বপ্রাপ্ত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় গত ৩০ জুনের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা রিডিং, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতের চারটি মৌলিক নিয়ম (যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাবলীল ইংরেজি রিডিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ভিত্তিমূলক মূল্যায়নে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, একাধিক নির্দেশনা ও নিয়মিত তদারকির পরও শিক্ষার্থীদের শেখার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা কার্যকর উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে রূপগঞ্জ, আকনাই, কোমরপুর, শ্যামপুর, চর নতিবপুর, পুরান মাসুমদিয়া, মাশুমদিয়া মধ্যপাড়া, মাশুমদিয়া কাজীপাড়া, নতুন মীরপুর, রতনগঞ্জ, ভবানীপুর, রূপপুর, রূপপুর মধ্যপাড়া, রূপপুর পশ্চিমপাড়া, ঢালারচর, খাস ঢালারচর, খাস আমিনপুর, গোপিন্দা, ধর্মগঞ্জ, কাজীশরিফপুর, মহিষাখোলা, দুর্গাপুর, সিন্দুরিয়া ও বেড়া সান্যালপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

গণ-শোকজের ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষা অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত অধিকাংশ বিদ্যালয় ভবানীপুর ও ঢালারচর ক্লাস্টারের অন্তর্ভুক্ত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার ও আব্দুর রাজ্জাক নিয়মিত মনিটরিং করেননি। অনেক বিদ্যালয়ে টানা দুই থেকে তিন মাস পরিদর্শনে না যাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

এছাড়া, উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষার্থীর তুলনায় কাগজে-কলমে বেশি শিক্ষার্থী দেখানোর অভিযোগও উঠেছে। অনলাইন ও অফলাইন নথিতে ভুয়া শিক্ষার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় মূল্যায়নের প্রকৃত চিত্রে অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাব এফএলএন কার্যক্রমেও পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, শুধু শিক্ষকদের শোকজ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্বলতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে নিয়মিত তদারকি, অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

গোপিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। তবে অধিকাংশ অভিভাবক নিরক্ষর ও অসচেতন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাড়িতে পড়াশোনার যথাযথ পরিবেশ পায় না। ইতোমধ্যে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস চালু করা হয়েছে। আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে তাদের রিডিং ও গাণিতিক দক্ষতায় দৃশ্যমান উন্নতি হবে।”

অন্যদিকে, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার ও আব্দুর রাজ্জাক শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। নিজেদের দায় এড়াতেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিখন দক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার এফএলএন কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষকদের লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম