যোগফল প্রতিবেদক:
ভাত রান্নার পর অনেকেই মাড় বা ফ্যান ঝরিয়ে ফেলে দেন। কেউ কেউ এটিকে তেমন প্রয়োজনীয় মনে করেন না, আবার অনেকের কাছে ভাতের ফ্যান একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। তবে ভাতের সঙ্গে ঝরে যাওয়া এই মাড়ে রয়েছে চালের বেশ কিছু পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন।
চালে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের একটি অংশ ভাত রান্নার সময় মাড় বা ফ্যানের মধ্যে চলে আসে। ফলে রান্নার পর সেই মাড় ফেলে দিলে এর সঙ্গে কিছু পুষ্টি উপাদানও নষ্ট হয়ে যায়।
চালের পুষ্টিমান বিবেচনায় ভাতের ফ্যানে খাদ্যশক্তি ও কিছু ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। অর্থাৎ ভাতের মাড়কে পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয় বা পুষ্টিহীন বলে মনে করার কারণ নেই।
বাংলাদেশের অনেক পরিবারে ভাত রান্নার পর নিয়ম করে মাড় ঝরিয়ে ফেলা হয়। দীর্ঘদিনের এই অভ্যাসের সঙ্গে ভাতের ফ্যান নিয়ে নানা ধরনের ভুল ধারণাও তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে অখাদ্য বা শুধু পশুখাদ্য হিসেবে বিবেচনা করেন।
তবে ভাত রান্নার এমন পদ্ধতিও রয়েছে, যেখানে মাড় ঝরিয়ে ফেলতে হয় না। সঠিক পরিমাণে পানি ব্যবহার করে ভাত রান্না করলে ফ্যান না ফেলেই ভাত প্রস্তুত করা সম্ভব। এতে ভাতের সঙ্গে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলোও ধরে রাখা যায়।
তাই ভাতের মাড়কে অপ্রয়োজনীয় ভেবে সরাসরি ফেলে না দিয়ে এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানা এবং সম্ভব হলে মাড় না ঝরিয়ে ভাত রান্নার অভ্যাস করা যেতে পারে।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম