যোগফল প্রতিবেদক:
দিনের শুরুতে সকালের নাশতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেউ ঘুম থেকে উঠেই নাশতা করেন, আবার কেউ ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুটা সময় অপেক্ষা করেন। তবে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক কতক্ষণ পর নাশতা করা উচিত—এ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর ক্ষুধা লাগলেই নাশতা করা যেতে পারে। কারও ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টা পর ক্ষুধা লাগলে তখনও নাশতা করা সম্ভব। আবার অনেকের সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পেট ভার লাগায় খেতে ইচ্ছা করে না। এমন অবস্থায় জোর করে খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
পুষ্টিবিদদের মতে, ক্ষুধা লাগার সময় ব্যক্তির বিপাকক্রিয়া ও হজমক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তবে সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মধ্যে অন্তত তিন ঘণ্টার ব্যবধান রাখা ভালো।
ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধা না লাগলে দিনের শুরুটা এক গ্লাস হালকা গরম পানি দিয়ে করা যেতে পারে। চাইলে লেবু-মধু মেশানো পানি, চিয়া বা তিসি ভেজানো পানি কিংবা মৌরির পানিও পান করা যায়। এ ছাড়া সকালে কয়েকটি ভেজানো বাদাম খেয়ে এক ঘণ্টা পর নাশতা করতে পারেন।
তবে খুব বেশি দেরি করে নাশতা করারও কিছু অসুবিধা রয়েছে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে বেশি খাবার খেয়ে ফেলার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তাই নিজের ক্ষুধা অনুযায়ী সময়মতো নাশতা করাই ভালো।
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, সকালের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজের সুষম সমন্বয় থাকা উচিত। পাশাপাশি খাবারের পরিমাণের দিকেও নজর দিতে হবে।
অতিরিক্ত নাশতা করলে দুপুরের খাবারের সময় ক্ষুধা কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খাবার খাওয়াই ভালো।
ব্যক্তির ক্ষুধা ও দৈনন্দিন রুটিন অনুযায়ী নাশতার সময় নির্ধারণ করা উচিত। তবে সাধারণভাবে সকাল ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে নাশতা শেষ করে নেওয়া উপযুক্ত বলে মনে করেন বেশিরভাগ পুষ্টিবিদ।
তানজিলা / অনলাইন
ডেস্ক / যোগফল.কম