খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে সুপারির বাজার অর্ধেকে, কাঁচা সুপারি কিনছে চীনা কোম্পানি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুড়িগ্রামে সুপারির বাজার অর্ধেকে, কাঁচা সুপারি কিনছে চীনা কোম্পানি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কয়েক বছরের ব্যবধানে কুড়িগ্রামে সুপারির বার্ষিক বেচাকেনা ১০০ কোটি টাকা থেকে কমে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এর মধ্যে অপরিপক্ব কাঁচা ও নরম সুপারি প্রতি পিস তিন টাকা দরে কিনছে চীনা কোম্পানিগুলো। উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিপক্ব হওয়ার আগেই সুপারি বাজার থেকে চলে যাওয়ায় আসন্ন মৌসুমে সরবরাহ সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

জেলায় সুপারিগাছের সংখ্যা থাকলেও কমছে ফলন। কোনো গাছে সামান্য সুপারি ধরেছে, আবার কোনো গাছে একেবারেই ফলন নেই। গত বছর যেসব গাছে দু-একটি থোকা সুপারি ছিল, এবার সেগুলোর অনেক গাছেই ফল দেখা যাচ্ছে না। আবার যেসব গাছে আগে তিন থেকে পাঁচটি থোকা ধরত, এবার সেখানে মিলছে মাত্র এক-দুটি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, কয়েক বছর আগেও জেলায় বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সুপারি বেচাকেনা হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকায়। অর্থাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানে সুপারির বাজার অর্ধেকেরও বেশি সংকুচিত হয়েছে।

উৎপাদন কমার পাশাপাশি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে কাঁচা ও নরম সুপারি সংগ্রহের প্রবণতা। চীনা কোম্পানিগুলো সরাসরি এবং স্থানীয় ডিলার ও সাব-ডিলারদের মাধ্যমে এসব সুপারি কিনছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার এবং এলাকায় মাইকিং করেও চলছে সংগ্রহ কার্যক্রম। স্থানীয় সাব-ডিলাররা সুপারি সংগ্রহ করে ডিলার পয়েন্টে পাঠাচ্ছেন। তিস্তা ও রংপুরের বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট থেকেও এসব সুপারি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত চার বছর ধরে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে কাঁচা সুপারি কেনাবেচা হচ্ছে। এবার কুড়িগ্রামের রাজারহাটসহ বিভিন্ন উপজেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে এ কার্যক্রম।

রাজারহাটের নাজিমখান বাজারের আশা অফিসসংলগ্ন এলাকা ও নাজিমখান ব্রিজ রোডে গড়ে উঠেছে সুপারি সংগ্রহের একাধিক সাব-ডিলার পয়েন্ট। সেখানে প্রতি পিস কাঁচা ও নরম সুপারি কেনা হচ্ছে তিন টাকা দরে। সে হিসাবে প্রতি হালি ১২ টাকা এবং প্রতি পন ২৪০ টাকা।

স্থানীয় সাব-ডিলার হাবিবুর রহমান জানান, তিনি ইতোমধ্যে ৮ থেকে ৯ হাজার পিস সুপারি কিনেছেন। নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি সুপারি ২২ থেকে ৩২ গ্রাম ও লম্বাটে হতে হবে। পাশাপাশি সুপারি হতে হবে কাঁচা, সবুজ এবং ভেতরের অংশ নরম।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এসব কাঁচা ও নরম সুপারি নিজস্ব প্রযুক্তিতে প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য তৈরি করে। এর মধ্যে রয়েছে চীনের জনপ্রিয় চিবানোর সুপারি ‘বিংলাং’, বিভিন্ন ধরনের নির্যাস এবং প্রসাধনীসহ অন্যান্য শিল্পে ব্যবহারের উপযোগী উপাদান।

রাজারহাটের সুপারি বাগান ব্যবসায়ী রায়হানুর রহমান কাজল বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার বাগানগুলোতে প্রায় ৩০ শতাংশ ফলন কমেছে। তার নিজের ১০টি সুপারি বাগান রয়েছে। গত মৌসুমে এসব বাগানের সুপারি বিক্রি করে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পেয়েছেন। এবার ফলন কম হওয়ায় সুপারির দাম বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

সুপারি ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান বলেন, আবহাওয়া ও গাছের বয়সের কারণেও সুপারি গাছ মারা যায়। তবে এবার ফলন কম হওয়ায় বাজারে সুপারির সংকট তৈরি হতে পারে। এতে দাম বাড়ার পাশাপাশি সুপারি পচানো ও সংরক্ষণের খরচও বাড়তে পারে।

নাজিমখান বাজারে সরেজমিনে দেখা গেছে, মজা সুপারি আকারভেদে প্রতি পন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। অন্যদিকে সঠিবাড়ি, খুলনা ও বৈরাতি জাতের সুপারি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পন ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে সুপারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এটি বহু কৃষক পরিবারের আয়ের অন্যতম উৎস। তবে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিপক্ব হওয়ার আগেই কাঁচা সুপারি সংগ্রহের প্রবণতা এ খাতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। ফলে আসন্ন মৌসুমে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি ও ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদা আফরীন বলেন, তাপমাত্রার ওঠানামা, বৃষ্টিপাতের অভাব, খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি এবং কিছু এলাকায় রোগবালাইয়ের কারণে সুপারির ফলন কমেছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় কৃষকদের পরিমিত সেচ দেওয়া, বছরে দুইবার সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই দেখা দিলে প্রয়োজন অনুযায়ী বালাইনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সহকারী পুলিশ সুপার আহত; কাভার্ডভ্যানে আগুন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, সহকারী পুলিশ সুপার আহত; কাভার্ডভ্যানে আগুন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিল্প পুলিশের এক সহকারী পুলিশ সুপার আহত হয়েছেন। একই সময়ে নরসিংহপুরে হা-মীম গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় শ্রমিকদের এ বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে শিল্প পুলিশ-১-এর সহকারী পুলিশ সুপার শোয়েব আহমেদ আহত হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা স্বাভাবিক নিয়মে কাজে যোগ দেন। তবে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার নিউএজ নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ভেতরে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারখানা থেকে বেরিয়ে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আশপাশের অন্যান্য কারখানার সামনেও গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অনন্ত, টাউজার লাইন, হনরোল, আল-মুসলিম, শারমিন গ্রুপ, ডেকো গ্রুপ ও বেঙ্গল গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

পরে শ্রমিকরা হা-মীম গ্রুপের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশও টিয়ার শেল ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

এর মধ্যে বেলা সোয়া ১১টার দিকে নরসিংহপুর নদী ফিলিং স্টেশনের সামনে হা-মীম গ্রুপের একটি কাভার্ডভ্যানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবআইল কাঠেরপুল এলাকায় শ্রমিকরা এ অবরোধ শুরু করেন। একপর্যায়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

অবরোধের কারণে গণপরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা। তবে শ্রমিকরা দাবিতে অনড় থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক করতে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজারদরে স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক বিক্ষোভ, টিয়ার শেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ; গ্রেপ্তার ৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক বিক্ষোভ, টিয়ার শেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ; গ্রেপ্তার ৫

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চল। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও কাঠেরপুল এলাকায় কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে সড়কে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পুলিশ জানায়, শিবু মার্কেট ও কাঠেরপুল এলাকায় পাঁচটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বুধবার সকালে এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা যথারীতি কাজে যোগ দেন। তবে কিছুক্ষণ পর কয়েকটি কারখানার শ্রমিক কাজ ছেড়ে সড়কে নেমে অবরোধের চেষ্টা করলে শিল্পাঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে কাঠেরপুল এলাকার মেট্রো গার্মেন্টসের শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকা পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ফলে সড়কে অবরোধ গড়ে তুলতে পারেননি তারা।

ঘটনার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে ছিল। শ্রমিকরা যাতে সড়কে নেমে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে জন্য কোথাও তাদের জড়ো হতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম