খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬ কার্তিক, ১৪৩৩

ময়মনসিংহে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিকালে বিদ্যুৎস্পর্শে পূজা কমিটির সদস্যের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ময়মনসিংহে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতিকালে বিদ্যুৎস্পর্শে পূজা কমিটির সদস্যের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের জন্য মণ্ডপ থেকে ঘাটে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিদ্যুৎস্পর্শে সঞ্জীব চৌহান (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় ঝলক মাস্টারপাড়া পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্য ছিলেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে গৌরীপুর পৌর শহরের মাস্টারপাড়া মহল্লার ঝলক পূজামণ্ডপ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সঞ্জীব চৌহান ওই মহল্লার শ্যামলাল চৌহানের ছেলে।

স্থানীয় ও পূজামণ্ডপ সূত্রে জানা গেছে, মাস্টারপাড়া মহল্লায় ঝলক মাস্টারপাড়া পূজা কমিটির উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়। বুধবার রাতে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ট্রাকে তুলে পাশের রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন অনন্ত সাগর পুকুরের ঘাটে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় ট্রাকটি মণ্ডপ থেকে বের হওয়ার পথে রাস্তার ওপর ঝুলে থাকা একটি বৈদ্যুতিক তার সরাতে যান সঞ্জীব। তারটি হাতে সরানোর চেষ্টা করলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী শীলা চৌহান বলেন, “ঘর থেকে বের হওয়ার সময় স্বামী বলেছিল, দেবী বিসর্জনে যাবা না। আমি বললাম, যাবো। এটাই ছিল তার সঙ্গে শেষ কথা। এরপর রাতে স্বামীর বিদ্যুৎস্পর্শের খবর পাই। আমার দুইটা সন্তান বাবা হারা হয়ে গেল।”

ঝলক মাস্টারপাড়া পূজা কমিটির সভাপতি অজিত চৌহান বলেন, সঞ্জীব তাদের পূজা কমিটির সদস্য ছিলেন। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ঘাটে নেওয়ার সময় রাস্তার ওপর ঝুলে থাকা তার সরাতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। মণ্ডপের আলোকসজ্জা ও বিদ্যুতের কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দায়ী করে তিনি অভিযোগ করেন, বৈদ্যুতিক তারের লিকেজ পরীক্ষা করা হলে এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পর্শে একজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধুনটে ১০ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা নবাব আলী গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধুনটে ১০ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা নবাব আলী গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বগুড়ার ধুনটে নাশকতা, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ ১০টি মামলার আসামি নিমগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী মন্ডলকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নবাব আলী উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি বুড়িরভিটা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে নবাব আলীর বিরুদ্ধে। ২০০৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা, নাশকতা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নয়টি মামলা রয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে নিজ গ্রামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে সরকারি রাস্তার পাশ থেকে প্রায় ১১টি দামি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৭ জুন পশ্চিম ভারশাহী গ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি কর্মিসভা করছিলেন। এ সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা এবং বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি ধুনট উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে নবাব আলীর সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, “নাশকতাসহ ১০টি মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে প্রিয়াঙ্কা কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ আবুল কালাম আজাদ মিন্টু এবং আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিন নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঢাকায় অবস্থান করে দলীয় কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও তারা তৎপর ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, তিন নেতার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।”

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

যাদুকাটা নদীর তীরে প্রশাসনের অভিযান, দুই বালু উত্তোলনকারীর সাজা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাদুকাটা নদীর তীরে প্রশাসনের অভিযান, দুই বালু উত্তোলনকারীর সাজা

ছবি সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় যাদুকাটা নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার লাউড়েরগড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. বাশির (৩৭) ও মো. মোসাদ্দের (৪২)।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, যাদুকাটা নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নদীর তীর থেকে বালু উত্তোলনরত অবস্থায় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের প্রত্যেককে দুই মাস (৬০ দিন) করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে তাহিরপুর থানা পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাদুকাটা নদীর তীর সংরক্ষণ, নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করে নদীর তীর কেটে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।