খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

দেড় কিলোমিটার সড়কে ৪০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ, গর্তে ভরা চলাচলের পথ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেড় কিলোমিটার সড়কে ৪০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ, গর্তে ভরা চলাচলের পথ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়ক। অথচ এই পথ পাড়ি দিতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। কোথাও উঠে গেছে কার্পেটিং, কোথাও বেরিয়ে এসেছে ইটের খোয়া। আবার কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ভেঙে গেছে সড়কের পাড়ও। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, রোগী, অটো-ভ্যানচালকসহ সাধারণ মানুষকে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সিঙ্গারডাবড়ীহাট বাজার থেকে কুড়ারপাড় বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের এমনই বেহাল দশা। সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৪০টি গর্ত রয়েছে। বর্ষায় এসব গর্তে পানি জমে সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আর শুষ্ক মৌসুমে যানবাহন চলাচলের সময় ধুলায় দুর্বিষহ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদ্যানন্দ, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ও রাজারহাট সদর ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। সিঙ্গারডাবড়ীহাট বাজারের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি ঘড়িয়ালডাঙ্গা, কানুরাম, রামপাড়া, চেতনা, কুড়ারপাড়, কামারপাড়া, রতিগ্রাম, চতুরা, দিনা ও বিজলীর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম পথ এটি।

ভাঙা সড়কে দুর্ভোগ চরমে

কুড়ারপাড় এলাকার বাসিন্দা হারুন মিয়া বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালালে মনে হয় পাহাড়ে ওঠানামা করছি। কোমরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।’

চেতনা গ্রামের বাসিন্দা মোছা. হামিদা বেগম বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে গেলে ঝাঁকুনিতে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। অটোতে যাতায়াত করলে মনে হয় কোমর ভেঙে যাবে। একদিন এই রাস্তা দিয়ে গেলে সাত দিন কোমরে ব্যথা থাকে।’

সড়কটির বেহাল অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন অটো ও ভ্যানচালকেরা। তাদের দাবি, ভাঙাচোরা সড়কের কারণে যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে এবং বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। অনেক চালক এই পথে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন।

চৌকিদারপাড়ার অটোচালক রায়হান বাদশা বলেন, ‘আগে এই রাস্তা দিয়ে ভাড়া মারতাম। এখন আর যাওয়া যায় না। গেলেও বেশি ভাড়া নিতে হয়। কিন্তু উপায় নেই। যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনা ঘটলে কী হবে?’

ভ্যানচালক মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে মালামাল নিয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর। পুরো রাস্তা ভাঙা। গাড়ি উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

এই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে প্রায় ১ হাজার ১০০ শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিঙ্গারডাবড়ীহাট বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়, সিঙ্গারডাবড়ীহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, শিশু নিকেতন স্কুল, এডুকেয়ার প্রি-ক্যাডেট স্কুল, সিঙ্গারডাবড়ীহাট দাখিল মাদ্রাসা ও পাটোয়ারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেউ সাইকেলে, কেউ অটোতে, আবার কেউ হেঁটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। তাদের অনেকে সিঙ্গারডাবড়ীহাট এলাকায় প্রাইভেট ও কোচিং পড়তে যায়। ফলে দিনে দুই থেকে চারবার পর্যন্ত এই সড়ক ব্যবহার করতে হয় তাদের। ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সিঙ্গারডাবড়ীহাট বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দিতা কর্মকার বলে, ‘আমি সাইকেলে যাতায়াত করি। রাস্তায় ভাঙাচোরা বেশি থাকায় যেতে কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে সাইকেলের চাকাও পাংচার হয়ে যায়।’

একই শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া বলে, ‘আমার সাইকেল নেই। অটোতে কুড়ারপাড় পর্যন্ত যেতে হয়। রাস্তা ভাঙা থাকায় অটো যেতে চায় না। মাঝে মাঝে অটো না পেলে হেঁটে যেতে হয়।’

ভারী যানবাহনে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক

স্থানীয়দের অভিযোগ, হ্যাচারিরপাড় এলাকায় আগে ইটভাটা ছিল। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়ক দিয়ে অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন চলাচল করেছে। এতে সড়কের ওই অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তাদের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস প্রামাণিক বলেন, ‘আমি মাসিক সভায় একাধিকবার এই রাস্তাটির বিষয়টি উত্থাপন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।’

এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. এজাহারুল হক জানান, এক বছর আগে সড়কটি আম্পান প্রকল্পের আওতায় সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে বিলম্ব হওয়ায় পুনরায় সড়কটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা এই সড়কটি সংস্কার হলে কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম