খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭ কার্তিক, ১৪৩৩

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সাংবাদিককে দুর্বৃত্তদের গুলি করে হত্যা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সাংবাদিককে দুর্বৃত্তদের গুলি করে হত্যা

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন :

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটার দিকে পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উতরাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমদ খান।

নিহত সাংবাদিকের নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি ডিটেকটিভ আর্টিকেল নামে একটি ফেসবুক পেজ চালাতেন। তার গ্রামের বাড়ি কলমাকান্দার পোগলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি দুর্গাপুর বিরিশিরি এলাকার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত আটটার দিকে লুৎফুজ্জামান আলিফ উতরাইল বাজারে একটি দোকানে বসা ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে তার উপর পরপর গুলি ছোড়ে। স্থানীয় লোকজন দূরে এলে ওই যুবকেরা সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে চাইলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি ঘটনাস্তলে মারা যান।

দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ খান জানান, ওই সাংবাদিকের মাথা, গলা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে রওনা দিচ্ছেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে রওনা হচ্ছি। জড়িতদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এর আগে গত ১০ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর তেরিবাজার ঘাট এলাকায় দুর্বৃত্তরা লুৎফুজ্জামান আলিফকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা তাঁর এক সহকর্মী বাধা দিতে গেলে তাঁকেও অস্ত্র দেখিয়ে ধাওয়া করা হয়। তিনি মাদক চোরাচালান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখতেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ সোনাহাট সেতু যেন এক মরণফাঁদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেয়াদোত্তীর্ণ সোনাহাট সেতু যেন এক মরণফাঁদ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

হাসান মাহমুদ জয় | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় অবস্থিত সোনাহাট স্থলবন্দর ও দুধকুমার নদের ওপর নির্মিত ঐতিহাসিক সোনাহাট সেতুটি বর্তমানে চরম জরাজীর্ণ হয়ে এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সেতুর কাঠামোগত মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়ে গেলেও জীবনের পরম ঝুঁকি নিয়ে এর ওপর দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে শত শত ভারী যানবাহন ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। 

একদিকে সেতুর প্রতিটি জয়েন্টের সংযোগস্থল খুলে ধসে পড়ছে, অন্যদিকে একটি নতুন ও আধুনিক সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বারবার কালক্ষেপণ, নানা অযুহাত ও দীর্ঘসূত্রিতায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

মেয়াদোত্তীর্ণ কাঠামো ও জরাজীর্ণ অবস্থা:
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা ও ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে তৎকালীন রেল চলাচলের জন্য দুধকুমার নদের ওপর এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এটি সড়ক যোগাযোগের উপযোগী হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সাথে সোনাহাট স্থলবন্দর এবং জেলা সদর কুড়িগ্রামের যোগাযোগের একমাত্র প্রধান মাধ্যম এই সেতুটির অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত আয়ুষ্কাল ফুরিয়েছে বহু বছর আগে। দীর্ঘদিন ধরে সঠিক ও কার্যকর সংস্কার না করায় সেতুর অবকাঠামো সম্পূর্ণ নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

খুলে পড়ছে জয়েন্ট, নিত্যদিনের সঙ্গী দুর্ঘটনা:
রেল সেতু থেকে সড়ক সেতুতে রূপান্তর করা এই কাঠামোর লোহার পাত, প্লেট এবং নাট-বল্টুগুলো স্থানচ্যুত হয়ে পড়েছে। ব্রিজের প্রতিটি জয়েন্ট বা সংযোগস্থল আলগা হয়ে ভেতরে বড় বড় ফাঁক ও খাদের সৃষ্টি হয়েছে। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, রিকশা এবং ইজিবাইক চলাচলের সময় ওই ফাঁকে চাকা আটকে গিয়ে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। পথচারীরা হেঁটে পার হতে গেলেও লোহার উঁচিয়ে থাকা পাতের সাথে হোঁচট খেয়ে আহত হচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন কোনো না কোনো যানবাহনের চাকা আটকে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত হওয়া এখন নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।


অতিরিক্ত লোডে চরম ঝুঁকিতে বাণিজ্য ও যোগাযোগ
সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান স্থলবন্দর। প্রতিদিন ভারত থেকে আমদানিকৃত শত শত ট্রাক পাথর ও কয়লা এই সেতু অতিক্রম করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া স্থানীয় দুধকুমার নদ থেকে উত্তোলিত বালুবাহী অসংখ্য ওভারলোড ড্রাম ট্রাক প্রতিদিন নিয়মিত যাতায়াত করে এই দুর্বল সেতুর ওপর দিয়ে। একেকটি ওভারলোড ভারী যানবাহন যখন ব্রিজের ওপর ওঠে, তখন পুরো সেতু থরথর করে কেঁপে ওঠে এবং বিকট শব্দের সৃষ্টি হয়। ভারী গাড়ির চাকা জয়েন্টে আটকে গিয়ে প্রায়শই সেতুতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা ঘণ্টা পর ঘণ্টা যোগাযোগ বন্ধ রাখে। যেকোনো মুহূর্তে ভারী লোডের কারণে সেতুটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি এবং সোনাহাট স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নতুন সেতু নিয়ে কালক্ষেপণ ও নানামুখী বাহানা


আঞ্চলিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং হাজার হাজার মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এখানে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী নতুন পাকা সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু স্থানীয় সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নতুন সেতু নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেবল আশ্বাসের বাণীই শুনিয়ে আসছে। বাস্তবে কাজের অগ্রগতি শূন্য। বিভিন্ন প্রযুক্তিগত জটিলতা, সমীক্ষা বা বাজেটের অযুহাত দেখিয়ে ফাইলবন্দি করে রাখা হয়েছে সেতু নির্মাণের মূল কাজ। জরাজীর্ণ এই সেতুতে মাঝে মাঝে সাময়িক জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করা হচ্ছে না।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী, চালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—বড় কোনো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বহু প্রাণহানি হওয়ার পরই কি টনক নড়বে প্রশাসনের?

এ বিষয়ে সোনাহাট স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীরা জানান, সেতুটি এখন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং আতঙ্কের আরেক নাম। সোনাহাট স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সব ধরনের কালক্ষেপণ ও অযুহাত বন্ধ করে দ্রুততম সময়ে নতুন একটি আধুনিক সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও জোর দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনগণ।

ধুনটে ১০ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা নবাব আলী গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধুনটে ১০ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা নবাব আলী গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বগুড়ার ধুনটে নাশকতা, হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ ১০টি মামলার আসামি নিমগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী মন্ডলকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নবাব আলী উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি বুড়িরভিটা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে নবাব আলীর বিরুদ্ধে। ২০০৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা, নাশকতা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নয়টি মামলা রয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে নিজ গ্রামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে সরকারি রাস্তার পাশ থেকে প্রায় ১১টি দামি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৭ জুন পশ্চিম ভারশাহী গ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি কর্মিসভা করছিলেন। এ সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা এবং বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি ধুনট উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তে নবাব আলীর সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, “নাশকতাসহ ১০টি মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে প্রিয়াঙ্কা কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টু, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ আবুল কালাম আজাদ মিন্টু এবং আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিন নেতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঢাকায় অবস্থান করে দলীয় কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও তারা তৎপর ছিলেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, তিন নেতার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।”

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম