খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা, চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা-১০

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা, চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা-১০

ছবি যোগফল

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী | কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনই শিশু। বাকি চারজন বয়স্ক নারী ও পুরুষ। একই সময়ে ক্যাম্পগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৮৮২ জনের শরীরে। এ পরিস্থিতিতে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে জনস্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত পুরো কক্সবাজার জেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৩৩ জনের। তাঁদের মধ্যে ৪ হাজার ৬১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৩২ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা। একই সময়ে ২৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৩ জন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু এবং তাঁদের মধ্যে ছয়জন শিশু হওয়ায় পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয়েছে। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্যও ডেঙ্গু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের ঘনবসতি, সীমিত বসবাসের জায়গা, অপরিকল্পিত স্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনের সমস্যার কারণে মশার বংশবিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পাত্র, ড্রাম, পরিত্যক্ত বস্তু ও আশপাশের স্থানে জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিশ্চিত করলেই চলবে না; একই সঙ্গে রোগের বিস্তার রোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে হবে। ক্যাম্পের প্রতিটি ব্লকে নিয়মিত নজরদারি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে শিশুদের জ্বর, বমি, পেটব্যথা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা কিংবা রক্তপাতের মতো সতর্কসংকেত দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করা জরুরি। একই সঙ্গে ক্যাম্পে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং রোগীদের দ্রুত রেফার করার ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ, ক্যাম্প প্রশাসন, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সহায়তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন। নিয়মিত ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, আক্রান্তের তথ্য হালনাগাদ, মশার প্রজননস্থল নির্মূল এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সময়মতো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ক্যাম্পের ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শিশুদের জীবন রক্ষা এবং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় জরুরি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম