খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি আয়করের বৈধতা নিয়ে করা দুটি রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ের ফলে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য এনবিআরের নির্ধারিত আয়কর পরিশোধে গ্রামীণ কল্যাণের সামনে থাকা আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হিসাবে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

এই রায়কে কেন্দ্র করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের তদন্তের দাবি সামনে এসেছে। সমালোচকদের মতে, কর মামলার রায়টি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের করসংক্রান্ত বিষয় নয়; এর মধ্য দিয়ে ওই সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের আইনগত বৈধতা ও স্বচ্ছতা পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সময় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যদি কোনো আইন বা বিধি লঙ্ঘন করে থাকে, তাহলে সেগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দায়ী না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করার কথাও উঠে এসেছে।

গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন

ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা পেয়েছে বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’ নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স এবং গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আইনগত অনিয়ম বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। একইভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের কর-সংক্রান্ত সুবিধা এবং ব্যাংকটিতে সরকারের শেয়ারের পরিমাণ পরিবর্তনের বিষয়টিও পর্যালোচনার দাবি রয়েছে।

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারসংক্রান্ত মামলার বিচারিক ফল নিয়েও লেখাটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে আদালতের রায় ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের ভিত্তিতে পৃথকভাবে আইনগত অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও তদন্তের দাবি

লেখাটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংবিধান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত আদেশ, বিভিন্ন পেশাজীবীর কর্মস্থলে প্রবেশে বাধা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন লেখাটির автор। তদন্তের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড আইনবিরোধী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন

হাম ও শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গও লেখাটিতে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার কারণে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তবে এ ধরনের ঘটনায় কারও ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যনীতি, টিকাদান কর্মসূচি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি দায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রমাণ ও আদালতের সিদ্ধান্ত অপরিহার্য।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

লেখাটির মূল বক্তব্য হলো—ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে রেখে স্বাধীনভাবে তদন্ত করা উচিত।

কর মামলার হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে লেখক মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ওই সময়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং আদালতে প্রমাণিত তথ্য—এই তিনটি বিষয়কে আলাদা রেখে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করাই হবে ন্যায়বিচারের মূল শর্ত।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম