খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সাজ সাজ রব ঠাকুরগাঁওয়ে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সাজ সাজ রব ঠাকুরগাঁওয়ে

 যোগফল প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম ঠাকুরগাঁও সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে শহরের বিভিন্ন সড়ক, ডিভাইডার ও স্থাপনায় চলছে রঙের কাজ। পাশাপাশি চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের প্রস্তুতি। তার আগমনকে ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি জেলার উন্নয়ন নিয়েও নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ও সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আসার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। সফর উপলক্ষে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক সংবর্ধনার মঞ্চ নির্মাণের কাজও চলছে।

শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের ডিভাইডারগুলোতে নতুন করে রঙ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের পাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করার কাজ চলছে। রাষ্ট্রপতিকে বরণ করে নিতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা গেছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলায় আসা জেলার মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। তাকে স্বাগত জানাতে শহর সাজানো হচ্ছে, মানুষের মধ্যেও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ী রিপন ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে শহরের চেহারা অনেকটাই বদলে যাচ্ছে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা হচ্ছে, ডিভাইডার ও বিভিন্ন স্থাপনায় রঙ করা হচ্ছে। তার প্রত্যাশা, সফরটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতির সফরের মধ্য দিয়ে জেলার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।

শিক্ষার্থী আয়শা আক্তার বলেন, রাষ্ট্রপতি তাদের জেলার মানুষ হওয়ায় তারা গর্বিত। শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষার পরিধি বাড়ানো এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে তার ভূমিকা থাকবে বলে আশা করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা জব্বার আলী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রী থাকাকালে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও উন্নয়ন প্রয়োজন বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রপতির কাছে এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের।

রাষ্ট্রপতির প্রথম সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, দল-মত নির্বিশেষে এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে। সংবর্ধনা সফল করতে সংশ্লিষ্টরা দিনরাত প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন।

সফরের প্রথম দিন রোববার রাষ্ট্রপতির বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত ও নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে তার।

নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. মুহাম্মদ আবু খয়রুল কবির বলেন, রাষ্ট্রপতির প্রথম সফর ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দল-মত নির্বিশেষে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি আশা করছেন তারা।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচিত হওয়াকে নিজেদের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে আসা একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়ায় ঠাকুরগাঁওবাসীর আনন্দ আরও বেড়েছে।

সচেতন নাগরিক ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম নিজ জেলা সফর ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তার সফর ঘিরে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার মানুষের মধ্যেও উৎসাহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতির এই সফর জেলার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করবে।

এদিকে রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, স্থাপনা ও অনুষ্ঠানস্থলে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরাও ঠাকুরগাঁওয়ে এসে নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বরের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদারের কাজ শুরু হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। অনুষ্ঠানস্থল, রাষ্ট্রপতির যাতায়াতের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে রঙের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁও শহরের চিত্র। একদিকে রাষ্ট্রপতিকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি, অন্যদিকে জেলার উন্নয়ন নিয়ে নতুন প্রত্যাশা—সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অপেক্ষায় রয়েছেন ঠাকুরগাঁওবাসী।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম