খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

বিশ্ব বাঘ দিবস: বাঘ বাঁচুক ‘বাঘের মতোই’, বাঁচুক সুন্দরবনের প্রাণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২৬, ২:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ব বাঘ দিবস: বাঘ বাঁচুক ‘বাঘের মতোই’, বাঁচুক সুন্দরবনের প্রাণ

আজ ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। বাঘ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, যা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের একমাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য এই দিবসের গুরুত্ব বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এবারের প্রতিপাদ্য— “সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ।”

বাঘ শুধু একটি প্রাণী নয়, পুরো বন রক্ষার প্রহরী

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘ একটি বনের বাস্তুতন্ত্রের শীর্ষ শিকারি। বাঘের উপস্থিতিই বনাঞ্চলের খাদ্যচক্র ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি বাঘ যখন হরিণ শিকার করে, তখন তার অবশিষ্ট খাদ্যে বেঁচে থাকে অসংখ্য পাখি, শিয়াল, পোকামাকড়সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী। তাই বাঘ সংরক্ষণ মানে শুধু একটি প্রাণীকে রক্ষা করা নয়, বরং পুরো সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষিত রাখা।

সুন্দরবনে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ক্যামেরা ট্র্যাপিং জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫টি। ২০১৮ সালে ছিল ১১৪টি এবং ২০১৪ সালে ছিল ১০৬টি। অর্থাৎ গত এক দশকে সুন্দরবনে ১৯টি বাঘ বেড়েছে। সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ২০২৭ সালের পরবর্তী জরিপে এই সংখ্যা আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে অতীতের চিত্র ছিল ভিন্ন। ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫০টি। ২০১০ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত টাইগার সামিটে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ ২০২২ সালের মধ্যে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার অঙ্গীকার করলেও বাংলাদেশ এখনও সেই লক্ষ্যে পুরোপুরি পৌঁছাতে পারেনি।

নিরাপদ আবাসস্থল ও পর্যাপ্ত খাদ্যই মূল চাবিকাঠি

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে জরুরি দুটি বিষয় হলো নিরাপদ আবাসস্থল এবং পর্যাপ্ত খাদ্য। জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের কারণে সুন্দরবনের আবাসস্থল ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পর্যটক ও জেলেদের বনাঞ্চলে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় বর্তমানে সুন্দরবন অনেকটাই মানব কোলাহলমুক্ত। ফলে বাঘ নির্বিঘ্নে বিচরণ ও প্রজননের সুযোগ পাচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় বাঘকে নদী সাঁতরাতে কিংবা বন অফিসের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাওয়ার ঘটনাও সেই ইতিবাচক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত।

হরিণ রক্ষা করলেই উপকৃত হবে বাঘ

বাঘের প্রধান খাদ্য হরিণ। কিন্তু অবৈধ হরিণ শিকার এখনও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরিণের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিকার নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাঘের খাদ্য সংকট কমবে, ফলে তাদের প্রজননও বাড়বে।

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে মিলছে সুফল

গত আড়াই দশকে সুন্দরবনে অন্তত ৯১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো চোরা শিকারিদের হাতে এবং কিছু লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় মানুষের হামলায় মারা গেছে।

তবে গত এক দশকে সরকার স্মার্ট পেট্রোলিং, ক্যামেরা ট্র্যাপ, ড্রোন নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রয়োগসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব পদক্ষেপের ফলে বাঘ হত্যা এবং মানুষ-বাঘ সংঘাত আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি বননির্ভর মানুষের বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাঘ বাঁচলেই বাঁচবে সুন্দরবন

বিশ্ব বাঘ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক— বাঘকে তার নিজস্ব অরণ্যে নিরাপদে, স্বাধীনভাবে এবং ‘বাঘের মতোই’ বাঁচতে দেওয়া। কারণ বাঘ বাঁচলে সুন্দরবন বাঁচবে, আর সুন্দরবন টিকে থাকলেই সুরক্ষিত থাকবে দেশের উপকূলীয় জনপদ, পরিবেশ ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম